গাড়ির নাম্বারে গ্রেফতারী পরোয়ানা, জেনে নিন তথ্য

বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, সিএনজি, পিক-আপ ইত্যাদি গাড়ি চালিয়ে মামলা হলে সময়মত জরিমানা পরিশোধ না করলে মামলা চলে আসে কোর্টে। গাড়ির নাম্বার ব্যবহার করে মালিক/চালকের নামে ইস্যু হয় গ্রেফতারী পরোয়ানা/ওয়ারেন্ট।

অথচ অনেকে হয়তো জানেনই না তিনি যে গাড়িটি ব্যবহার করছেন সে রেজিঃ নাম্বার দিয়ে ইতোমধ্যে কোর্ট হতে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়ে গেছে।

খুবই গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হল- মামলার জরিমানা পরিশোধ না করায় থানায় গাড়ির চালক/মালিকের নামে গ্রেফতারী পরোয়ানা গেলে ব্যাপারটি থানায় তার ব্যক্তিগত রেকর্ডের জন্য ভালো দিক নয়।

দুঃখের বিষয় অন্যান্য গাড়ির তুলনায় মোটরসাইকেলের চালক/মালিক সব থেকে বেশি অসচেতন। আমার হিসাব মতে অন্যান্য গাড়ির তুলনায় মোটরসাইকেল চালক/মালিকের নামেই বেশি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হচ্ছে।

সকল বাইকারদের প্রতি অনুরোধ:
১. নিয়ম মেনে গাড়ি চালান ও সব সময় গাড়ির কাগজপত্র আপ-টু-ডেট রাখুন।
২. মামলা হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করুন।
৩. কেস স্লিপের লেখা মুছে গেলে ট্রাফিক অফিস থেকে জেনে নিন।
৪. কেস স্লিপ হারিয়ে গেলে জিডি কপি দিয়েও ট্রাফিক অফিস থেকে আবেদন সাপেক্ষে মামলার আইডি পাওয়া যায় ও ডকুমেন্ট তোলা যায়।
৫. মোটরসাইকেল হাত বদল হয় বেশি। সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি ক্রয়ের সাথে সাথে মালিকানা পরিবর্তন করে নিন। মালিক ক্রয়কারী ব্যক্তিকে মালিকানা পরিবর্তনের শর্ত সাপেক্ষে গাড়ি বিক্রয় করবেন। (ভিডিও মামলা হলে কিন্তু মালিকের ঠিকানাতেই চালক হাজিরকরনের চিঠি যাবে)
৬. সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কেনার সময় অবশ্যই আপনার এলাকার ট্রাফিক অফিস থেকে গাড়ির বিরুদ্ধে পুরাতন কোনো মামলা/ওয়ারেন্ট মুলতবী আছে কিনা জেনে নিবেন।

শুধু মাত্র বাইকারদের জন্য (ডিএমপি):
পূর্বের কোনো ওয়ারেন্ট আছে কি না এ তথ্য নিতে অনেকেই কোর্টে এসে ভিড় জমান। ডিএমপি আওতাধীন এলাকায় গাড়ির ওয়ারেন্ট/মামলা সংক্রান্ত তথ্য পেতে আমাকে নক করতে পারেন। কল না করে আপনার বাইকের রেজিঃ নাম্বারটি পাঠিয়ে দিন। তথ্য পেতে অবশ্যই বাইকের যে কোনো একটি ডকুমেন্টের ছবি পাঠিয়ে দিতে হবে। (শুক্রবার ও শনিবার ব্যতীত) এতে আশা করি ঢাকার মত ব্যস্ত রাস্তায় আপনার এই কারণে আর বের হওয়া লাগবে না ফলে সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচবে। যতদিন এই অফিসে আছি এইটুকু সুবিধা আমি দিতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।

ফেসবুকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ ও তথ্য জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন

লেখক- সার্জেন্ট মোহাম্মদ দীনার, কোর্ট-প্রসিকিউশন, মোটরযান শাখা, সিএমএম কোর্ট, ঢাকা।


মোহিত কামালের টুকরো গল্প ‘উপকার’
একা একা ঘাস আর গাছের  কচি কচি লতাপাতা খাচ্ছিল জেব্রা।
বিস্তারিত
তামাক ও নিকোটিন থেকে তরুণদের
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষিত বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস আজ ৩১
বিস্তারিত
রক্ত জমাট বাঁধা: করোনায় মৃত্যুর
পঞ্চাশ বয়সের একজন ভদ্রলোক হাসপাতালে ভর্তি হন কভিড ১৯ পজিটিভ
বিস্তারিত
উন্নয়ন আর পরিবেশ রক্ষা, দুটি
উন্নয়ন আর পরিবেশ রক্ষা- দুটি কি একই সাথে সম্ভব? যদি
বিস্তারিত
করোনা প্রতিরোধে অন্তরের অসুখ নিরাময়
মানুষের অসুস্থতা প্রধানত দুই প্রকার, শারীরিক ও মানসিক। বিশ্বস্বাস্থ সংস্থা
বিস্তারিত
আমাদের চার পাশে হাজারো দু’পায়ের
আপনি পবিত্র রমজান মাসে কতজন লোককে সাহায্য করেছেন? একজন? দুইজন?
বিস্তারিত