সংসদে শিল্পমন্ত্রী

চিনিকলের ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে

চিনিকলের ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেছেন, চিনিকল আমাদের লোকসানি প্রতিষ্ঠান। তারপরেও যেসব চিনিকল নতুন করে চালু করা হচ্ছে, ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের সেখানে স্থানান্তর করা হচ্ছে, যেন চাকরিচ্যুত না হয়।

সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান। সরকারি দলের সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কথা যেটা বলা হয়েছে, আমরা সরকরি আইন অনুযায়ী সেই শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পূরণের ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের চিনিকল কারখানা যেগুলো চালু আছে বা বিভিন্ন সময়ে চালু হচ্ছে, সেখানে তাদের স্থানান্তর করা হচ্ছে। যাতে কেউ চাকরিচ্যুত না হয়।

তিনি বলেন, মিলগুলো চালু করে তাদের সেখানে চাকরির ব্যবস্থা করেছি। যদিও এটি আমাদের লোকসানি প্রতিষ্ঠান, তারপরও আমরা আমাদের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের জন্য কল-কারখানাগুলো চালু করছি। যদিও অনেক পুরনো হয়ে গেছে, আমরা লোকসান গুণছি। তারপরও বিশ্বাস করি, শ্রমিকদের সব পাওনাই পরিশোধ করবো।

সরকারি দলের সদস্য মকবুল হোসেনের প্রশ্নের জবাবে চিনিকলে লোকসানের কারণ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, চিনিকলগুলো বৃটিশ আমলে করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমাদের ওপর দায়িত্ব পরে। বিভিন্ন পর্যায়ে এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য কল কারখানাগুলো নষ্ট করা হয়েছে, কিছু বিক্রি করা হয়েছে। আর কিছু লুটপাট করা হয়েছে। যে জন্য এগুলো লাভজনক হয়নি। আবার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছি। বিনিয়োগ যে পর্যায়ে আসছে, তাতে আমাদের বিশ্বাস, চিনি শিল্প অলাভজনক থাকবে না। এছাড়া দেশীয় চিনির মান বাড়াতে মানসম্মত ইক্ষু চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারী দলের আব্দুল মান্নানের প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সারা বছর চিনি কলগুলো চালু রাখার জন্য অমৌসুমে ‘র’ সুগার আমদানী করে হোয়াইট সুগার উৎপাদনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। চিনি কলগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চিনি কলের উপজাত ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকল্পটি ডেস্টিলারী, বায়ো-গ্যাস ও বায়ো কম্পোস্ট প্লান্ট অন্তর্ভূক্তির প্রস্তাব পরিকল্পণা কমিশনে অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া ১৪টি চিনি কলের বর্জ পরিশোধনাগার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চিনি কলগুলোর অনেক সমস্যা রয়েছে। এখনো এদের উৎপাদন সক্ষমতা আসেনি। সময়মত প্রয়োজনীয় কাঁচা মাল পাওয়া যায় না। কাঁচা মালের অভাবে ৫-৬ মাস শ্রমিকদের বসিয়ে রাখতে হয়ে। তবে চিনি কলের উন্নয়নে ডেসটেলারী প্রসেস চলমান, এটি একনেকে পাশ হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, এক হাজার ৮৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ছাতক সিমেন্ট কারখানা আধুনীকিকায়ণের কাজ চলছে। আগামী ২০২০ সাল নাগাদ কারখানাটি আধুনীকিকায়ণ হবে।


হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা মামলার
রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স
বিস্তারিত
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিষয়ে ভর্তি
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি সেমিস্টারে একটি বিষয়ে সর্বোচ্চ ৬০ জন শিক্ষার্থী
বিস্তারিত
সুদের হার না কমালে খেলাপি
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ব্যাংক সুদের হার না কমালে খেলাপি
বিস্তারিত
রাজধানীতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমেছে দাবি
রাজধানীতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমেছে বলে দাবি করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি
বিস্তারিত
মালয়েশিয়া থেকে শ্রমিকদের ফেরাতে ১৬টি
মালয়েশিয়ার সরকার ঘোষিত "ব্যাক ফর গুড" কর্মসূচির আওতায় সেখানে বসবাসরত
বিস্তারিত
টঙ্গীর পর এবার ঢাকা ইপিজেডে
এবার আগুন লাগলো ঢাকা ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায়। এখানে আগুন
বিস্তারিত