মাওলানা আমিরুল ইসলাম

সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা

ইসলাম অতীত ক্ষমা করে দিয়েছে। কারণ ইসলাম পূর্বকৃত সব গোনাহ মাফ করে দেয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘এমন এক সময় উপস্থিত হবে, যখন লোকেরা পরোয়া করবে না সম্পদ হালাল নাকি হারাম উপায়ে অর্জিত।’ (বোখারি : ২০৮৩)। রাসুল (সা.) এমন সংবাদ দিয়েছেন মানুষকে সম্পদের ফেতনা থেকে বাঁচানোর জন্য। তিনি এমন সংবাদ দিয়েছেন 
যা তাঁর যুগে ছিল না। এ ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী তাঁর নবুয়তের সত্যতার 
প্রমাণও বটে। (ফাতহুল বারি : ৪/২৯৭)

উন্নত জীবনব্যবস্থা ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থার পথে প্রধান প্রতিবন্ধক হলো সুদ ও সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। কোরআন ও হাদিসে সুদকে হারাম সাব্যস্ত করে স্পষ্টাকারে ঘোষণা করা হয়েছে। সুদি লেনদেনের প্রতি কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘যারা সুদ খায়, (কেয়ামতের দিন) তারা সে ব্যক্তিরই মতো দাঁড়াবে, শয়তান যাকে স্পর্শ দ্বারা পাগল করে। এটা এজন্য যে, তারা বলে, ‘ক্রয়-বিক্রয় তো সুদেরই মতো।’ অথচ আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন। যার কাছে তার প্রতিপালকের উপদেশ এসেছে এবং সে (সুদি কারবার থেকে) বিরত হয়েছে; তবে অতীতে যা হয়েছে তা তারই এবং তার (অভ্যন্তরীণ অবস্থার) ব্যাপার আল্লাহর এখতিয়ারে। আর যারা পুনরায় (সুদি কারবার) শুরু করবে, তারাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ কোনো অকৃতজ্ঞ পাপীকে ভালোবাসেন না। (সূরা বাকারা : ২৭৫-২৭৬)।
আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, ‘হে মোমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং যদি প্রকৃত মোমিন হয়ে থাক তাহলে সুদের যতটুক বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও। যদি তোমরা না ছাড় তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। কিন্তু তোমরা যদি (সুদ থেকে) তওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই। এতে তোমরা অত্যাচার করবে না এবং অত্যাচারিতও হবে না।’ (সূরা বাকারা : ২৭৮-২৭৯)।
উপর্যুক্ত আয়াতকে ‘আয়াতে রিবা’ বলা হয়। এই আয়াতের মাধ্যমে সুদকে চিরদিনের জন্য হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। ‘রিবা’ আরবি শব্দ, শাব্দিক অর্থ সুদ, অতিরিক্ত। পরিভাষায় কর্জ দেওয়া অর্থের উপর আরোপিত অতিরিক্ত অর্থকে সুদ বলা হয়। রিবা শব্দটি লাভ ও ইন্টারেস্ট অর্থেও ব্যবহৃত হয়। তবে সাধারণভাবে রিবা বা সুদ হলো শর্তযুক্ত ওই অতিরিক্ত অর্থ, যেটা মূল অর্থের থেকে বেশি এবং কোনো জিনিসের মূল্য বা কোনো মেহনতের বদলা নয়। যেমন, কেউ অন্য কোনো ব্যক্তিকে এক হাজার টাকা ধার দিল এবং আদায় কালে এক হাজার টাকার সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ১০০ টাকা আদায় করল। এখানে অতিরিক্ত টাকাগুলো কীসের বিনিময়? কোনো পণ্যের বিনিময় নয় আবার কোনো শ্রমেরও বিনিময় নয়। বরং এটা মূল টাকার উপর বিনিময়হীন বৃদ্ধি করা টাকা। এ অতিরিক্তকেই শরিয়ত ‘রিবা বা সুদ’ বলে নির্ধারণ করেছে।
নবী করিম (সা.) এর আবির্ভাবের পূর্বেই তৎকালীন আরব অর্থনীতিতে সুদের প্রথা ব্যাপকভাবে বিদ্যমান ছিল। ব্যক্তিগত সুদ ও ব্যবসায়িক সুদ, উভয় ধরনের বিভিন্ন ধরন ও পদ্ধতি চালু ছিল। ইতিহাস সংরক্ষিত থাকার ফলে এ বাস্তবতা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। নবী করিম (সা.) এর আগমনের পরও স্বাভাবিকভাবে উপরিউক্ত দুই ধরনের সুদের লেনদেন প্রচলিত ছিল। উপর্যুক্ত আয়াতটি সুদবিষয়ক নাজিল হওয়া সর্বশেষ আয়াত, এর আগে সুদ সম্পর্কে আরও কয়েকটি আয়াত নাজিল হয়, কিন্তু সেগুলোতে সরাসরি সুদ হারামের বিষয়টি ছিল না। কারণ, সুদ আরব সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে গিয়েছিল। সেখান থেকে খুব দ্রুত বের হয়ে আসা কষ্টকর বিধায় মহান আল্লাহ তায়ালা পর্যায়ক্রমে সুদের ব্যাপারটিতে কঠোরতা আরোপ করতে চাচ্ছিলেন, ফলে এক পর্যায়ে সুদ হারাম করে আয়াত নাজিল হয়, যার ফলে কেয়ামত পর্যন্ত সব ধরনের সুদ চিরদিনের জন্য হারাম হয়ে গেছে। আমাদের বর্তমান অর্থব্যবস্থায়ও বিভিন্ন ধরনের সুদের অস্তিত্ব বিদ্যমান। নিত্যনতুন নানা ধরনের ব্যবসা পদ্ধতির সঙ্গে নানামাত্রার সুদের প্রবেশ ঘটে আমাদের অর্থ ও জীবন পরিম-লে। কোরআনের স্পষ্ট আয়াতের সঙ্গে সঙ্গে অসংখ্য হাদিসে সুদ হারাম হওয়ার কথা ঘোষিত হয়েছে। কয়েকটি হাদিস নিম্নরূপ : 
সামুরা বিন জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘রাতে আমি দেখলাম, দুজন লোক এসে আমার কাছে এলো। তারা আমাকে এক পবিত্র ভূমির দিকে নিয়ে গেল। আমরা চলছিলাম, সহসা এক রক্ত নদীর পাড়ে গিয়ে উপস্থিত হলাম যার মাঝে দ-ায়মান এক ব্যক্তি। নদীর মাঝখানে এক ব্যক্তিকে দেখা গেল। সামনে তার পাথর। মাঝের লোকটি নদী পেরোনোর জন্য যেই সামনে অগ্রসর হয়, পাথর হাতে দাঁড়ানো ব্যক্তি অমনি তার মুখে পাথর মেরে তাকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেয়। এভাবে যখনই সে নদী পেরিয়ে আসতে চায়, লোকটি তখনই তার মুখে পাথর মেরে পেছনে ঠেলে দেয়। আমি বললাম, ব্যাপার কী? রাসুল (সা.) বললেন, আমি যাকে নদীর মধ্যখানে দেখেছি সে সুদখোর।’ (বোখারি : ২০৮৫, ফাতহুল বারি : ৪/৩১৩)।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘ধ্বংসকারী সাতটি জিনিস থেকে বেঁচে থাক। সাহাবিরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, সেগুলো কী কী? রাসুল (সা.) বললেন, শিরক করা, জাদু করা, অনুমোদিত কারণ ছাড়া কাউকে হত্যা করা, সুদ খাওয়া, এতিমের মাল ভক্ষণ করা, জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করা এবং সতী সরলা মোমিনা নারীকে ব্যাভিচারের অপবাদ দেওয়া। (বোখারি : ২০১৫, মুসলিম : ৮৯)।
ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এরশাদ করেন- ‘সুদের অর্থ দিয়ে যা-ই বৃদ্ধি করুক না কেন অল্পই কিন্তু তার শেষ পরিণাম। (ইবনে মাজা : ২২৭৯)।
সালমান বিন আমর তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.)-কে বিদায় হজে আমি বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ‘মনে রেখ জাহিলি যুগের সব সুদ ভিত্তিহীন। তোমাদের জন্য শুধুই মূলধন। তোমরা জুলুম করবেও না এবং সইবেও না।’ (আবু দাউদ : ৩৩৩৪)।
এ হাদিসে জাহিলি যুগের প্রচলিত রীতিগুলোকে ইসলাম প্রত্যাখ্যান করেছে। যদি অমুসলিম ব্যক্তি তার ইসলাম-পূর্ব সময়ে লাভ হিসেবে সুদের পাওনাদার হয়। অতপর সে অর্থ গ্রহণের আগেই ইসলামে প্রবেশ করে। তবে শুধু তার মালের মূল অংশ গ্রহণ করবে; লাভটুকু ছেড়ে দিবে। আর ইসলামের আগে এ ধরনের যে কারবারগুলো হয়েছে ইসলাম সে ব্যাপারে ক্ষমা ঘোষণা করেছে। সুতরাং তাদের অতীত কারবার সম্পর্কে কোনো জবাবদিহি করতে হবে না। ইসলাম অতীত ক্ষমা করে দিয়েছে। কারণ, ইসলাম পূর্বকৃত সব গুনাহ মাফ করে দেয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘এমন এক সময় উপস্থিত হবে যখন লোকেরা পরোয়া করবে না সম্পদ হালাল নাকি হারাম উপায়ে অর্জিত।’ (বোখারি : ২০৮৩)। রাসুল (সা.) এমন সংবাদ দিয়েছেন মানুষকে সম্পদের ফিতনা থেকে বাঁচানোর জন্য। তিনি এমন সংবাদ দিয়েছেন যা তাঁর যুগে ছিল না। এ ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী তাঁর নবুয়তের সত্যতার প্রমাণও বটে। (ফাতহুল বারি : ৪/২৯৭)।
কোরআন-হাদিসের বাণীর পাশাপাশি যুক্তি ও বিবেকও একথার সাক্ষী দেবে যে, ব্যক্তি ও সমাজ, চরিত্র ও নীতি, অর্থনীতি ও ব্যবসানীতি সর্বদৃষ্টিকোণেই সুদ একটি ক্ষতিকর ও ধ্বংসকারী বিষয়। সুদের কারণেই মানুষের মধ্যে স্বার্থান্ধতা, লোভ, কৃপণতা ও দয়াপরবশহীনতার মতো অসৎ ও নোংরা আচার বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়। ফলে সামাজিক জীবনের স্বাভাবিকতা ও শান্তি পরিবেশ একেবারেই নিঃশেষ হয়ে যায়। সুদভিত্তিক ব্যবস্থায় জীবনযাপনকারী ব্যক্তিরা পরস্পর ক্ষোভ, হিংসা, শত্রুতা ও অনিষ্ট কামনার রোগাক্রান্ত হয়ে থাকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে একে অপরের সাহায্য ও সহযোগিতায় আসার পরিবর্তে নিজের স্বার্থসিদ্ধির চিন্তায় বিভোর থাকে। সুদে নিমজ্জিত ব্যক্তির হৃদয় পাষাণ ও দয়াহীন শুষ্ক হয়ে থাকে। কর্জে হাসানার মতো বিরাট সওয়াব অর্জনের মাধ্যম জীবন্ত হওয়ার বিপরীতে মৃত হয়ে যায় একমাত্র সুদের কারণে। সুদের উপর অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তি সর্বদা অবৈধ মুনাফা অর্জনের নেশায় ডুবে থাকে, সে এ কথার ভ্রƒক্ষেপ করে না যে, কর্জ গ্রহণকারী ব্যক্তি কী পরিমাণ ক্ষতি ও অসুবিধার ভেতরে রয়েছে। মানুষের মর্মান্তিক ও মুমূর্ষু অবস্থার বিষয়টিও তার কাছে নগণ্য হয়ে যায়।
যত বেশি পরিমাণ মূলধন অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করা হবে দেশ ও জনগণের ততই উন্নতি ও অগ্রগতি সাধন হবে। কিন্তু সুদভিত্তিক অর্থ বিনিয়োগে সুনির্দিষ্ট একটি বড় লাভের আশায় মূলধন এক জয়গায় স্থির থাকে। সরাসরি ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ না করার কারণে দেশের সার্বিক বাণিজ্যে ক্ষতিকর ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, দেশের অর্থনীতি চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়। মানুষের যাপিত জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে। সুদখোরের একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে অধিক মুনাফার প্রতি, ফলে যেখানে বেশি লাভ দেখে সেখানে অর্থ বিনিয়োগ করে। মানুষের জরুরি প্রয়োজনের গুরুত্ব তার কাছে মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এর ফলে দুই ধরনের মৌলিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এক. জরুরি জিনিসপত্রের স্বল্পতা দেখা দেয়। দুই. জিনিসপত্রের দাম বহু গুণ বেড়ে যায় এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। তখন অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসে বাধ্য হয় এবং মৌলিক প্রয়োজন পূরণার্থে সুদি কর্জ নিয়ে অপদস্থ ও লাঞ্ছনাকর জীবনযাপনের শিকার হয়। অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতার আলোকে এ কথা দিবালোকের মতো স্পষ্ট, যে সমাজ ও অর্থব্যবস্থায় সুদের প্রথা ও প্রচলন আছে, সেখানে উপকরণ ও মাধ্যম বেশি থাকার পরও দুশ্চিন্তা, অশান্তি ও নিরাপত্তাহীন জীবনযাপন করতে হয়। চারিত্রিক সুন্দর গুণাবলি যেমনÑ ভালোবাসা, কল্যাণকামিতা ও সহমর্মিতা যেগুলো শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থার জন্য আবশ্যক, সেগুলো মানুষের নিকট থেকে বিদায় গ্রহণ করে। এসব গুণাবলি নিঃশেষ হওয়ার পর হৃদ্যতা ও ভ্রাতৃত্বের অনুভূতি শক্তি ধ্বংস হয়ে মানুষের সমাজ পশুর সমাজে পরিণত হয়।
সুদের অভিশাপে মানব সুস্থতা হৃদয়বিদারক ও আত্মঘাতীমূলক পরিস্থিতির শিকার হয়। প্রত্যহ আমরা সুদের জালে আটকা পড়ে আত্মহত্যার অসংখ্য ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছি। প্রতিটি মানুষেরই একথা ভাবার ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হয়েছে যে, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণাকে অবহেলা ও উপেক্ষার দৃষ্টিতে দেখার কী ভয়ংকর পরিণতি হতে পারে! এবং সুদের শেষফল ইহকালে দারিদ্র্য ও পরকালে কঠিন আজাবের প্রকাশ হলে সেটা ধারণ ও সহ্য করার সক্ষমতা আমাদের আছে কি না? যদি না থাকে, তাহলে সুদি লেনদেন করছি আমরা কোন সাহস ও ক্ষমতাবলে? সুতরাং নিজ ও দেশের কল্যাণার্থে সুদি কারবার পরিহার অবশ্য কর্তব্য। বর্তমান সময়ে অভাব-অনটন, দুর্বল অর্থনীতির প্রধান কারণ হলো সুদি কারবার। সুদের কারণেই সমাজে আর্থিক বৈষম্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর্থিক সব অনিষ্টতার মূল হলো সুদিব্যবস্থা।

লেখক :  শিক্ষক, ইফতা বিভাগ, ইমাম আজম ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা


উত্তম চরিত্র নিয়ে যাবে জান্নাতে
রাসুল (সা.) এর উত্তম আখলাক সম্পর্কে দোয়া করতেনÑ তিনি নিজে
বিস্তারিত
আসল ব্যাধির দাওয়াই
ঈমানি ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখা। দ্বীনের ওপর চলার ক্ষেত্রে এটা বড়
বিস্তারিত
আলমেদরে সমালোচনা
আমি মাদ্রাসার ছাত্র ও শক্ষিক ছলিাম। মাদ্রাসায় পড়ার পর আরও
বিস্তারিত
ন তু ন প্র
বই : সুবাসিত জীবনের পথ লেখক : মুহাম্মদ যাইনুল আবেদীন ইবরাহীম সম্পাদক
বিস্তারিত
পাথেয়
  ষ আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এ হচ্ছে স্মৃতিচারণ, মুত্তাকিদের জন্য অবশ্যই
বিস্তারিত
শীতকালের তাৎপর্য ও বিধিবিধান
শরিয়তে বিধানের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, কষ্ট বা প্রয়োজনের সময়
বিস্তারিত