টিভিকর্মীদের আইনি সুরক্ষা দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

টেলিভিশন মাধ্যমে যারা কাজ করেন তাদের চাকরির অনিশ্চয়তা, বিনা কারণে চাকরিচ্যুতি বা ছাঁটাই বন্ধে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) ও আরটিভির আয়োজনে তেজগাঁও’র বেঙ্গল স্টুডিওতে ‘কেমন আছে দেশের টেলিভিশন?’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এমনটা জানান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টেলিভিশনে যারা কাজ করেন তাদের চাকরির সুরক্ষা তেমন একটা নাই। তাদের আইনি সুরক্ষা দেওয়াটা জরুরি। সম্প্রচার নীতিমালার আলোকে তাদের আইনি সুরক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশে এখন সাড়ে তিন কোটিরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে, ইউটিউব ব্যবহার করছে অনেকে। যার ফলে অল্প টাকায় অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। এতে সরকার কোনো রেভিনিউ পাচ্ছে না। টেলিভিশন মিডিয়াও বিজ্ঞাপনের বাজারে সংকুচিত হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার ব্যাপারটি নিয়মনীতির আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। ’

মামুনুর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আ জ ম শফিউল আলম ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনকে এখন বিভিন্ন ডিজিটাল কনটেন্ট প্রোভাইডারদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। সস্তা বিনোদননির্ভর কনটেন্ট তৈরির কারণে দর্শকের আস্থা হারাচ্ছে টেলিভিশন। পাশাপাশি সংবাদ চ্যানেলগুলো দক্ষ জনবল বা প্রতিষ্ঠানের পলিসিগত জায়গা থেকে ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট তেমন একটা প্রকাশ করতে পারছে না।’

এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একাত্তর টিভি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অ্যাটকোর সিনিয়র সহসভাপতি মোজাম্মেল বাবু, আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, বিজেসির চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক রাজা, বিজেসির সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, ইস্টওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নঈম নিজাম, জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে নেতিবাচক কনটেন্ট, বিজ্ঞাপনের বাজার সংকুচিত হয়ে আসা, দক্ষ জনবলের অভাব, সোশ্যাল মিডিয়ার আগ্রাসন, কর্মক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা, চাকরিচ্যুতি, স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশের টেলিভিশন মাধ্যম।

তারা বলেন, অনেক চ্যানেলে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটছে, আবার নিয়মিত বেতন হচ্ছে না অনেক চ্যানেলে। ষাটের দশকে একটি টিভি চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে বর্তমানের দেশে সরকারি ও বেসরকারি ৩৪টি টিভি চ্যানেল অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে এবং সম্প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে আরো কিছু টিভি চ্যানেল। এসব চ্যানেলে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।


মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে আসবেন মোদি, প্রণব
আগামী বছর মুজিববর্ষের (২০২০) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসবেন ভারতের
বিস্তারিত
কুঁড়েঘর কবিতায় থাকলেও দেশে এখন
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য
বিস্তারিত
ভারতের ৩৮০ সৈন্যকে সম্মাননা দেবে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ
বিস্তারিত
জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এমন
বাংলাদেশি জনগণের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, ভারত এমন কিছু করবে
বিস্তারিত
হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা মামলার
রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স
বিস্তারিত
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিষয়ে ভর্তি
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি সেমিস্টারে একটি বিষয়ে সর্বোচ্চ ৬০ জন শিক্ষার্থী
বিস্তারিত