মিলিয়ে দেখুন জান্নাতিদের কয়টি বৈশিষ্ট্য আপনার মধ্যে আছে

পরকালে বিশ্বাসী ব্যক্তিমাত্রই আমরা চাই মৃত্যুর পর জান্নাত পেতে। চিরশান্তির ঠিকানা বেহেশতের অধিকারী হতে। আল্লাহ তায়ালা আল কোরআনুল কারিমে বিভিন্ন জায়গায় যারা জান্নাতুল ফিরদাউসের উত্তরাধিকারী হবে তাদের কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। মহাগ্রন্থের সেই আয়াতগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন কয়টি চরিত্র আপনার মধ্যে আছে। 
১. নিশ্চই মুসলিম পুরুষ, মুসলিম নারী। 
২. মোমিন পুরুষ, মোমিন নারী। 
৩. অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী।
৪. সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী নারী।
৫. ধৈর্যশীল পুরুষ, ধৈর্যশীল নারী। 
৬. বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী।
৭. দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী। 
৮. সিয়াম পালনকারী পুরুষ, সিয়াম পালনকারী নারী।
৯. যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী পুরুষ, যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী নারী। 
১০. আল্লাহর অধিক জিকিরকারী পুরুষ ও জিকিরকারী নারী। 
এসব লোকের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কার (জান্নাত)। 
(সূরা আহজাব : ৩৫)। 
১১. যারা সালাত আদায়কারী।
১২. যারা তাদের সালাতে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
১৩. আর যারা তাদের ধন-সম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে গরিব ও বঞ্চিতদের জন্য।
১৪. যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
১৫. যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তি সম্পর্কে ভীত-কম্পিত।
১৬. যারা তাদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।
১৭. যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে।
১৮. যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল-নিষ্ঠাবান।
১৯. যারা তাদের সালাতে যতœবান।
এসব লোকই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়। (সূরা মাআরিজ : ২২-৩৫)। 
২০. যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে, আর যখন অজ্ঞ লোকেরা তাদের সন্বোধন করে তখন বলে ‘সালাম’। 
২১. আর যারা রাত কাটিয়ে দেয় তাদের রবের জন্য সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে থেকে। 
২২. আর যারা যখন খরচ করে তখন অমিতব্যয় করে না, আর কার্পণ্যও করে না, বরং তারা এই দুয়ের মধ্যস্থলে কায়েম থাকে। 
২৩. আর যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহকে ডাকে না।
২৪. যারা জেনা করে না।
২৫. যারা তওবা করে এবং ঈমান আনে ও পুণ্য-পবিত্র ক্রিয়াকর্ম করে।
২৬. যারা মিথ্যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয় না।
২৭. আর যখন তারা খোলা পরিবেশের পাশ দিয়ে যায় তখন তারা মর্যাদার সঙ্গে পাশ কেটে যায়।
২৮. যখন তাদেরকে তাদের রবের নির্দেশগুলো স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তখন তারা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বধির ও অন্ধ সদৃশ না হয়ে।
এসব লোকের প্রতিদান দেওয়া হবে উঁচু পদমর্যাদা দিয়ে। যেহেতু তারা অধ্যবসায় করেছিল, আর সেখানে তাদের অভ্যর্থনা করা হবে অভিবাদন ও সালাম জানিয়ে, সেখানে তারা স্থায়ীভাবে থাকবে, বিশ্রামস্থল ও বাসস্থান হিসাবে তা কতই না সুন্দর। 
(সূরা ফোরকান : ৬৩-৭৬)। 
২৯. যারা স্বয়ং তাদের সালাতে বিনয়-নম্র হয়।
৩০. যারা অনর্থক কথাবার্তা থেকে সরে থাকে।
৩১. যারা তাদের স্বীয় সম্পদের জাকাত প্রদান করে। 
৩২. যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।
৩৩. আর যারা তাদের আমানত সম্বন্ধে সজাগ থাকে।
৩৪. যারা তাদের অঙ্গীকার সম্বন্ধে সজাগ থাকে।
৩৫. আর যারা নিজেরা তাদের সালাত সম্বন্ধে সদা যতœবান।
এসব লোকই হবে পরম সৌভাগ্যের অধিকারী, যারা উত্তরাধিকার হিসেবে লাভ করবে জান্নাতুল ফেরদাউস, তাতে তারা থাকবে স্থায়ীভাবে। 
(সূরা মুমিনুন : ২-১১)। 
৩৬. যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্য আছে জান্নাতুল ফেরদাউস। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, সেখান থেকে স্থান পরিবর্তন করতে চাইবে না। (সূরা কাহাফ : ১০৭-১০৮)।
আিবু আফিফা


উত্তম চরিত্র নিয়ে যাবে জান্নাতে
রাসুল (সা.) এর উত্তম আখলাক সম্পর্কে দোয়া করতেনÑ তিনি নিজে
বিস্তারিত
আসল ব্যাধির দাওয়াই
ঈমানি ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখা। দ্বীনের ওপর চলার ক্ষেত্রে এটা বড়
বিস্তারিত
আলমেদরে সমালোচনা
আমি মাদ্রাসার ছাত্র ও শক্ষিক ছলিাম। মাদ্রাসায় পড়ার পর আরও
বিস্তারিত
ন তু ন প্র
বই : সুবাসিত জীবনের পথ লেখক : মুহাম্মদ যাইনুল আবেদীন ইবরাহীম সম্পাদক
বিস্তারিত
পাথেয়
  ষ আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এ হচ্ছে স্মৃতিচারণ, মুত্তাকিদের জন্য অবশ্যই
বিস্তারিত
শীতকালের তাৎপর্য ও বিধিবিধান
শরিয়তে বিধানের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, কষ্ট বা প্রয়োজনের সময়
বিস্তারিত