পাথেয়

প্রত্যেকের সঙ্গে ফেরেশতা ও 
শয়তান থাকে

যুবাইর বিন সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাফওয়ান বিন সুলাইম আল-কুরাশি (রহ.) কে আল-গাদেরি নামের একজন লোকের উদ্দেশে হাদিসটি বলতে শুনেছি। গাদেরি ছিল কিচক (কৌতুককর কথা বলে লোক হাসায়)। সে তাদের কাছে ইবনুল মুনকাদিরের মজলিসে এলো। তারা আলাপ-আলোচনা করছিলেন। আল-গাদেরি একটি কৌতুককর কথা ছুড়ে দিল। তারা বিস্মিত হয়ে তার দিকে তাকালেন। তারপর আবার আলোচনা করতে শুরু করলেন। গাদেরি আবারও একটি রঙ্গরসাত্মক কথা ছুড়ে দিল। তখন সাফওয়ান বললেন, আমার কাছে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে একজন ফেরেশতা থাকে, সে তাকে ভালো কাজের উপদেশ দেয় এবং একজন শয়তান থাকে, সে তাকে কুমন্ত্রণা দেয়। আর মানুষ নিজের ওপর কর্তৃত্বশীল। ফেরেশতা তার সঙ্গীকে বলে, তুমি জিকির করো। (জিকির করলে) সে তার সওয়াব পায় এবং তার সঙ্গে যারা জিকির করে তাদের সমপরিমাণ সওয়াবও সে পায়। অথচ তা জিকিরকারীদের সওয়াব থেকে সামান্য পরিমাণও হ্রাস করে না। শয়তান তার সঙ্গীকে বলে, তুমি আকথা-কুকথা বলো। (আকথা-কুকথা বললে) এর পাপ তার ওপর বর্তায় এবং তার সঙ্গে যারা আকথা-কুকথায় যোগ দেয় তাদের পাপের সমান ভাগীদারও সে হয়। অথচ ওইসব লোকের পাপের কিছু অংশ হ্রাস করে না। সুতরাং তুমি পাপী হয়ো না এবং আমাদেরও পাপী বানিও না।’ (কিতাবুজ যুহদ, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, হাদিস : ৯০০)।
লোকদের জিকির করতে না দেখে তিনি হতাশ হলেন


হাসান বিন সাওবান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আবু মুসলিম আল-খাওলানি মসজিদে প্রবেশ করলেন। একদল লোককে দেখতে পেলেন সমবেত হয়ে বসে আছে। তিনি আশা করলেন তারা জিকির করছে, কল্যাণকর কথাবার্তা বলছে। ফলে তিনিও গিয়ে তাদের সঙ্গে বসলেন। তিনি শুনতে পেলেন, তাদের একজন বলল, আমার গোলাম এসেছে। সে এত এত সম্পদ উপার্জন করে নিয়ে এসেছে। আরেকজন বলল, আমি আমার গোলামকে প্রস্তুত করেছি। তিনি তাদের চেহারার দিকে তাকালেন। তাদের উদ্দেশে বললেন, ‘সুবহানাল্লাহ, হে লোকেরা, তোমরা কি জানো আমার আর তোমাদের উদাহরণ কীরূপ? ওই ব্যক্তির মতো, যাকে প্রবল ঘনবর্ষণ আক্রান্ত করেছে। সে (আশ্রয়ের জন্য) চারদিক তাকালো। হঠাৎ (দরজার) দুটি বিশাল পাল্লা দেখতে পেল। মনে মনে বলল, আমি এই ঘরে প্রবেশ করলে এই ঘনবর্ষণের কষ্টটা দূর হয়ে যাবে। এ কথা ভেবে ঘরে প্রবেশ করল। দেখল যে, ঘরটির কোনো ছাদই নেই। আমি তোমাদের সঙ্গে বসেছি। আশা করেছিলাম, তোমরা কল্যাণকর কথাবার্তা আলোচনা করছ, জিকির করছ। কিন্তু দেখা গেল যে, তোমরা দুনিয়াদার। এ কথা বলে তিনি তাদের ছেড়ে উঠে পড়লেন।’ (কিতাবুজ যুহদ, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, হাদিস : ৯০৬)।


ফেসবুকে আজহারীর আবেগঘন স্ট্যাটাস
দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। তার
বিস্তারিত
ইজতেমায় মুসল্লিদের ঢল, আখেরি মোনাজাত
বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিন শনিবার। ফজর নামাজের পর
বিস্তারিত
যেমন কর্ম তেমন ফল
আল্লাহ তায়ালা গোটা সৃষ্টিলোককে খুব সুন্দরভাবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি সৃষ্টির
বিস্তারিত
ছামুদ জাতির গল্প এবং আমাদের
আদ জাতির পতনের পর তামাম আরব উপদ্বীপে শৌর্যশালী জাতি হিসেবে
বিস্তারিত
অনুসরণীয় আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হজরত ফুলতলী
প্রত্যেক জাতি, গোত্র, সমাজ ও দেশে যুগে যুগে বহু ক্ষণজন্মা
বিস্তারিত
অসুস্থতায় হোক ঈমান বৃদ্ধি
প্রায় দুই মাস ধরে মায়ের অসুস্থতার পরিচর্যার জন্য ঢাকার আহ্ছানিয়া
বিস্তারিত