সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুঃসংবাদ, নতুন বিধিমালা জারি

সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা-২০১৯ আলোকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিতির বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ জারি করেছে সরকার।

সরকারি কর্মচারী আইন, ২০১৮ এর আলোকে এই বিধিমালা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, এই বিধিমালা জারির পর এ সংক্রান্ত ১৯৮২ সালের এক্সিকিউটিভ ইনস্ট্রাকশন এবং ১৯৮৯ সালের এসআরও (নং-১৫৪) বিলুপ্তি হবে বলে গণ্য হবে।

তবে কোনো কার্যক্রম অনিষ্পন্ন থাকলে তা এ ইনস্ট্রাকশন এবং এসআরও দিয়ে নিষ্পন্ন করা যাবে বলেও বিধিমালায় উল্লেখ রয়েছে।

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে যুক্তিসঙ্গত কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে অনুপস্থিত কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগের অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস চলাকালীন অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না।

এই বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে এরূপ প্রতিক্ষেত্রের জন্য মুক্ত কর্মচারীর একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

তবে শর্ত থাকে যে জরুরি প্রয়োজনে, কোনো সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। এবং এই বিধিমালার তফসিল অনুযায়ী সংরক্ষিত রেজিস্টারের এরূপ অবস্থানের কারণ সময় এতে উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে কর্মস্থলে উপস্থিতির বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে প্রতিদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের সমপরিমাণ মূল বেতনের অর্থ কর্তন করতে পারবে।

আর অপরাধের পুনরাবৃত্তি দণ্ডে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার এসব অননুমোদিত কাজ করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বোচ্চ সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

অপরাধ করলে দণ্ড পুনর্বিবেচনার বিষয়েও বলা হয়েছে। পুনর্বিবেচনার বিষয়ে বলা হয়েছে, এসব অপরাধের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন কর্তন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন।

পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির জন্য যুক্তিসঙ্গত সময় দিয়ে হাতের সংশোধন বাতিল বা বহাল রাখতে পারবে।

পুনর্বিবেচনার আবেদনের ক্ষেত্রে শুনানির সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্য এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে। দণ্ডের অর্থ কর্তন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মাসিক বেতন থেকে কর্তন করে আদায় করতে হবে বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।


আমার হাতে গড়া ছাত্রনেতারা চলে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- বৈরী পরিবেশে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা
বিস্তারিত
বাঁধভাঙা উচ্ছাসে মেতেছিলেন ঢাকাস্থ আলফাডাঙ্গাবাসী
কেউ পুরনো বন্ধু। কেউ স্কুলের সহপাঠী। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মুখগুলো
বিস্তারিত
এবার পিছিয়ে গেল একুশে বইমেলা,
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তারিখ পেছানোর পর বেশ উলটপালট হয়েছে
বিস্তারিত
মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও
ঢাকার রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের (১৫)
বিস্তারিত
এসএসসি পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের কারণে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার
বিস্তারিত
দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমায় ২৪
আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে আজ শেষ হচ্ছে দুই পর্বের তাবলিগ
বিস্তারিত