মহিলাদের কবর জিয়ারত প্রসঙ্গে

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী লালবাগ শাহি মসজিদ ও মাদ্রাসা সংলগ্ন কবরস্থান। এখানেই শুয়ে আছেন মসজিদটির খতিব মাওলানা আমিনুল ইসলাম ও মাদ্রাসাটির প্রিন্সিপাল মুজাহিদে মিল্লাতখ্যাত মুফতি আমিনী (রহ.) প্রমুখ মহান মনীষী

কবর জিয়ারত পুরুষদের সঙ্গেই সম্পৃক্ত। নবীজি (সা.) বলেন, ‘তোমরা কবর জিয়ারত কর। কারণ, তা আখেরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়।’ (মুসলিম)

হাদিস দ্বারা সুস্পষ্ট প্রমাণিত, নারীদের কবর জিয়ারত করা নাজায়েজ। রাসুল (সা.) নারী কবর জিয়ারতকারীদের অভিসম্পাত করেছেন। এ জন্য মহিলাদের কবর জিয়ারত করা উচিত নয়। আর যেসব মহিলা না জেনে কবর জিয়ারত করেছেন, আশা করি কোনো সমস্যা হবে না। তবে পুনরাবৃত্তি কাম্য নয়। যদি কখনও হয়ে যায়, আবশ্যক হলো আল্লাহর কাছে তওবা ও ক্ষমা চাওয়া। তওবা তো কৃত কাজের জন্যই ওয়াজিব। কবর জিয়ারত পুরুষদের সঙ্গেই সম্পৃক্ত। নবীজি (সা.) বলেন, ‘তোমরা কবর জিয়ারত কর। কারণ, তা আখেরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়।’ (মুসলিম)। 

ইসলাম আবির্ভাবের প্রথম দিকে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার জন্যই কবর জিয়ারত নিষেধ ছিল। কারণ, তাদের ইসলাম গ্রহণের সময় তখনও জাহিলিয়াতের কাছাকাছি ছিল। মৃতের পূজা-অর্চনা এবং মৃত সব বস্তু নিয়ে পড়ে থাকাই ছিল তাদের কাজ। 
তাই নবীজি (সা.) তখন কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছেন, যাতে অকল্যাণের ধারা বন্ধ এবং শিরকের মূলোৎপাটন হয়ে যায়। পরে যখন তাদের হৃদয়ে ইসলাম জায়গা করে নেয়, তারা ইসলামের বিধিবিধানে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন রাসুল (সা.) কবর জিয়ারতের অনুমতি দেন। কেননা তাতে রয়েছে উপদেশ গ্রহণের ব্যবস্থা। মৃত্যুর কথা স্মরণ, আখেরাতের স্মরণ এবং তাদের জন্য দোয়া ও রহমত কামনার সুন্দর আয়োজন। ওলামায়ে কেরামের বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী, নবী (সা.) নারীদের কবর জিয়ারত থেকে নিষেধ করেছেন। যাতেÑ
প্রথমত, তাদের কারণে পুরুষরা ফেতনায় না পড়ে। তারা নিজেরাও যেন ফেতনায় না পড়ে। 
দ্বিতীয়ত, তাদের হৃদয় বেশি নরম। ভয়ও বেশি। তাই তাদের ওপর আল্লাহর বিশেষ রহমত যে, তিনি তাদের কবর জিয়ারত করা থেকে নিষেধ করেছেন। এটি পুরুষদের জন্যও আল্লাহর বিশাল অনুগ্রহ। কারণ কবর জিয়ারতে সবার একত্রিত হওয়া ফেতনার জন্ম দেয়। সেহেতু আল্লাহর বিশেষ রহমত তিনি তাদের কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছেন। তবে জানাজায় তাদের উপস্থিতিতে অসুবিধা নেই। মহিলারা নিয়ম অনুযায়ী জানাজা পড়তে পারবে। তাদের শুধু কবর জিয়ারত থেকে নিষেধ করা হয়েছে। 
সুতরাং মহিলাদের কবর জিয়ারত করা উচিত নয়। কেউ অতীতে করে ফেললে এতে কোনো কাফফারা নেই। শুধু তওবা করে নেবে। 

সৌদি আরবের সাবেক গ্রান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আযিয 
ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বায (রহ.) এর ফতোয়া আরবি 
থেকে অনুবাদ ফয়জুর রহমান শেখ


মাতৃভাষার নেয়ামত ছড়িয়ে পড়ুক
ভাষা আল্লাহ তায়ালার বিরাট একটি দান। ভাষার রয়েছে প্রচ- শক্তি;
বিস্তারিত
ন তু ন প্র
বই : আল-কুরআনে শিল্পায়নের ধারণা লেখক : ইসমাঈল হোসাইন মুফিজী প্রচ্ছদ :
বিস্তারিত
উম্মতে মুহাম্মদির মর্যাদা
আল্লাহ তায়ালা যে বিষয়কে আমাদের জন্য পূর্ণতা দিয়েছেন, যে বিষয়টিকে
বিস্তারিত
যেভাবে সন্তানকে নামাজি বানাবেন
হাদিসে এরশাদ হয়েছে ‘তোমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অধীনদের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। আর
বিস্তারিত
আবু বাকরা (রা.)
নোফায় বিন হারেস বিন কালাদা সাকাফি (রা.)। তার উপনাম আবু
বিস্তারিত
মাটি আল্লাহ প্রদত্ত মূল্যবান সম্পদ
মাটি মানবজাতির বসবাসের জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ। মাটি বলতে ভূতল, পৃথিবীর
বিস্তারিত