কেন পাকিস্তানে যাচ্ছেন না, মুখ খুললেন মুশফিক

পাকিস্তান সফরে না যাওয়া নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম স্তম্ভ মুশফিকুর রহীম। এর আগে মৌখিকভাবে পাকিস্তান না যাওয়ার কথা বললেও এবার লিখিতভাবে বিসিবিকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। বিসিবি তা গ্রহণও করেছে।

গতকাল শুক্রবার রাতে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে ফাইনালে হারের পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুশফিক বলেন, ‌‌‘আমি আগেই বলে দিয়েছি আমি যাবো না। এটা আমার পারিবারিক কারণ। আমি রিকোয়েস্ট করেছি এবং এটা তারা মেনে নিয়েছে। আমি অফিসিয়াল লেটারও দিয়েছি। পাকিস্তানেই যাচ্ছি না।’

এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন মুশফিকের না যাওয়া নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকেই মূলত মুশফিক পাকিস্তান সফর থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছেন।

তিন ধাপে পাকিস্তান সফরে বাংলাদেশ তিনটি টি-টোয়েন্টি, ১ টি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলবে। এই মাসের শেষে, ফেব্রুয়ারির শুরুতে ও এপ্রিলের শুরুতে বাংলাদেশ পাকিস্তান যাবে ম্যাচগুলো খেলতে। পাকিস্থানের পরিস্থিতি শান্ত হলে, বিশ্বের অন্য দলগুলো যাওয়া- আসা শুরু করলে মুশফিকও যাবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সিরিজ থেকে বিশ্রাম নেওয়াকে পাপ বলে মনে করেন।

‘আমাকে যদি বলেন বাংলাদেশের একটা সিরিজ থেকে বিশ্রাম নিতে হবে, এটার চেয়ে বড় পাপ হতে পারে না। আমার কাছে কিন্তু সুযোগও ছিল পিএসএলের মতো বড় আসরে খেলার। আমি কিন্তু শুরুতেই না করে দিয়েছি। কারণ আমি জানি এবার পুরো আসর পাকিস্তানে হবে। আমি তখনই বলেছি, এখানে যেহেতু আমার পরিবার অনুমতি দিচ্ছে না। আমি যেতে পারি না। জীবনের আগে কখনোই ক্রিকেট না’, বলছিলেন মুশফিক।

‘আমি জানি গত দুই বছর ধরে পাকিস্তান অনেক ভালো জায়গা। কিন্তু আরও দল যদি সেখানে যায় ব্যক্তিগতভাবে আমার আত্মবিশ্বাস আসবে, আমি চাই এটা। আমি পাকিস্তানে আগেও গিয়েছি। ২০০৮ সালে ওই ঘটনার আগে। উপমহাদেশে খেলার জন্য সেটা অসাধারণ জায়গা অবশ্যই। পাকিস্তানের ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট মিস করবো। আগামী ২-৩ বছর যদি সবগুলো দল একটানা পাকিস্তান যায়, আমারও যদি সুযোগ আসে, তাহলে না যাওয়ার কারণ নেই,’ যোগ করেন মুশফিক।

এবারের বিপিএলে মুশফিক খেলেছেন অনবদ্য। তার নেতৃত্বে খুলনা টাইগার্স ফাইনাল খেলে রানার্সআপ হয়েছে। ব্যাট হাতে ৪৯১ রান করে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। জাতীয় ক্রিকেট দলের তিন ফরম্যাটেই মুশফিক প্রধান ব্যাটসম্যান। পাকিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে খেলতে তার না যাওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জিং। তার রিপ্লেসমেন্ট কে হতে পারে? কী ভাবছেন মুশফিক?

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দলে রিপ্লেসমেন্ট হতে এক ঘণ্টা সময় লাগে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে এটাই মনে হয়। সবসময় চেষ্টা করি পরবর্তী সিরিজে আমি কীভাবে থাকতে পারি এটাই লক্ষ্য থাকে আমার। আমার কখনোই লক্ষ্য থাকে না সামনে বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ বা এসব। আমার পরবর্তী লক্ষ্য পাকিস্তান সিরিজের পর জিম্বাবুয়ের সাথে সিরিজ আছে, আমি সেটার জন্য প্রস্তুতি নেবো।’


যার ভুলে ২০১১ বিশ্বকাপ দল
সবারই স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপ খেলার, আর সেটা যদি হয় নিজ
বিস্তারিত
আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই :
পবিত্র শবে কদরের রাতে মুমিন বান্দারা ক্ষমাপ্রার্থনা ও শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায়
বিস্তারিত
৪২ লাখে মাশরাফির ব্রেসলেট বিক্রি
করোনাভাইরাস-সংকটে দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়াতে নিজের পছন্দের ব্রেসলেটটি নিলামে তুলেছেন
বিস্তারিত
ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী মাঠ রূপ
মহেন্দ্র সিং দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ২০১১ বিশ্বকাপে ভারত দ্বিতীয়বারের মতো ক্রিকেটের
বিস্তারিত
‘আমাদের সঙ্গে যা করেন তা
শুক্রবার তামিম ইকবালের ফেসবুক লাইভে অতিথি হয়ে এসেছিলেন ভারতের জাতীয়
বিস্তারিত
‘বাংলেদেশকে পেলেই কেন এমন করেন’,
বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ মানেই তীব্র উত্তেজনা। মাঠের লড়াইয়ের আগে শুরু হয়ে
বিস্তারিত