প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বিশেষ আসর বঙ্গবন্ধু বিপিএলে দ্বিতীয় বারের মতো ফাইনালে উঠে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেয়েছে রাজশাহী রয়্যালস। এর আগে ২০১৬ সালের আসরে ফাইনালে উঠেও ঢাকার কাছে হেরে ট্রফি জয় থেকে বঞ্চিত হয় পদ্মা পাড়ের দলটি। এবার খুলনা টাইগার্সকে ২১ রানে হারিয়ে আন্দ্রে রাসেলের নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে খুলনা। ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে ১৭০ রান চ্যালেঞ্জিং স্কোর। এই চ্যালেঞ্জটাই নিতে পারেনি খুলনা টাইগার্স। টার্গেটে খেলতে নেমে ১৪৯ রানে থেমে যায় দলটির ইনিংস।  

আগের দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি ও হাফসেঞ্চুরি করা নাজমুল হোসেন শান্ত এদিন ফেরেন ০ রানে। মোহাম্মদ ইরফানের করা ইনিংসের দ্বিতীয় বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। হতাশ করেন আরেক ওপেনার মেহেদী মিরাজও। আবু জায়েদের শিকার হয়ে তিনি ফেরেন মাত্র ২ রানে। রাইলে রুশো-শামসুর রহমানের ব্যাটে শুরুতেই দুই উইকেট হারানোর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠে খুলনা।

রুশো ২৬ বলে ৩৭ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলে ভাঙে ৭৪ রানের জুটি। রুশো ফিরে যাওয়ার পর মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে সাবলীল ভাবেই খেলছিলেন শামসুর। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেননি। ৪৩ বলে চারটি চারের মার ও দুটি ছয়ের মারে ৫২ রান করে রাব্বির বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর নাজিবউল্লাহ জাদরান এসে মাত্র চার রান করে রাব্বীর বলে আউট হলে আরও বিপদে পড়ে খুলনা।

পরপর দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় মুশফিকুর রহীমের দল। ফ্রাইলিংককে সঙ্গে নিয়ে তিনি চেষ্টা করেন চাপ কাটিয়ে ওঠার। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেননি তিনিও। ১৮তম ওভারে আন্দ্রে রাসেলের বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তে ফ্রাইলিংক ১২ রানে আউট হয়ে গেলে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়।

রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বী, মোহাম্মদ ইরফান ও আন্দ্রে রাসেল। একটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ নেওয়াজ ও আবু জায়েদ রাহী।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ধীরে চলো নীতিতে লিটনের সঙ্গে ব্যাট শুরু করলেও ক্রিজে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি আফিফ হোসেন। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন ইরফান শুক্কুর, মাত্র ৩৫ বলে ৬টি চার ও ২টি ছয়ের মারে তিনি এ রান করেন। শেষে দিকে মোহাম্মদ নাওয়াজ ও আন্দ্রে রাসেলের ঝড়ো ইনিংসে ১৭০ রান করতে পারে রাজশাহী। মাত্র ১৬ বলে ২৭ রান করে রাসেল ও ২০ বলে ৪১ রান করে মোহাম্মদ নাওয়াজ অপরাজিত ছিলেন।

খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির। একটি করে উইকেট নেন রবি ফ্রাইলিংক ও শাহীদুল ইসলাম।  


আমি কি চুরি করি মাঠে?
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে আলোচনার তুঙ্গে ছিল অধিনায়ক মাশরাফি
বিস্তারিত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল
অস্ট্রেলিয়ায় চলমান নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচে
বিস্তারিত
সৌম্যের বিয়েতে হাতাহাতি, হট্টগোল
মোবাইল চুরিকে কেন্দ্র করে সৌম্য সরকারের বিয়েতে হট্টগোল ও হাতাহাতির
বিস্তারিত
জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ
টানা ছয় ম্যাচ হারের পর ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটে
বিস্তারিত
মুশফিকের দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরলেন রাজা
ব্যাট হাতে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে এরই মধ্যে চলতি মিরপুর টেস্ট
বিস্তারিত
নাঈম-তাইজুলের ঘূর্ণি জাদুতে দিন শুরু
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে
বিস্তারিত