রাজশাহীর যুবলীগ নেতা রাসেল হত্যাকাণ্ড

নিরাপরাধ শাহীনূর জেলে ‘খুনি’ শাহীন অধরা

রাজশাহীর যুবলীগ নেতা সানোয়ার হোসেন রাসেল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা এখনও অধরা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত শাহীনকে পুলিশ এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে নামের মিল থাকায় শাহীনূর নামে নিরাপরাধ এক যুবক জেল খাটছেন।

শাহীনূর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করলেন এ বছর। গত নভেম্বরে শাহীনূরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ডিসেম্বরে তার ফাইনাল পরীক্ষার কারণে আদালত জামিন দিয়েছিলেন। গত ২০ জানুয়ারি তার জামিন বাতিল করা হয়েছে। এরপর থেকে শাহীনূর আবার জেলে।

মামলার বাদী মনোয়ার হোসেন রনি বলেন, আমরা মামলায় যাদের নাম দিয়েছি, তাদের মধ্যে জেলে থাকা শাহীনূর নেই। আমরা পুলিশকে বলেছি, শাহীনূর ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। শাহীন নামে একজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত। কিন্তু পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়ে শাহীনূরের নাম দিয়ে দিয়েছে। আমরা কিছুই জানি না।

গত ১৩ নভেম্বর পশ্চিম রেলের সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে রাসেলের ভাই আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন রাজার ওপর হামলা হয়। তাকে বাঁচাতে গেলে ছুরির আঘাতে জখম হন রাসেল। পরে তার মৃত্যু হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন শিরোইল কলোনি এলাকার ডা. নাসিরের ছেলে শাহীন আহমেদ। কিন্তু পুলিশ ওইদিন সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করে একই এলাকার নূর মহাম্মদের ছেলে শাহীনুর রহমানকে।

বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার সঙ্গে জড়িত শাহীনকে পুলিশ এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। কিন্তু শুধু নামের মিল থাকার কারণে নিরাপরাধ শাহীনূর এখন জেলে।

শাহীনুর রহমানের বাবা নূর মোহাম্মদ সরদার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন। তিনি জানান, পুলিশ কারও কোনো কথা না শুনেই পাড়ার মোড়ে যাকে পেয়েছে তাকে তুলে নিয়ে গেছে। এরপর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। তাদের মধ্যে তার ছেলে শাহীনূরও ছিল। শাহীনূর ঘটনার দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থান করছিলেন। এর সিসিটিভি ফুটেজও আছে।

এদিকে মূল হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে নগরীজুড়ে পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। ওই পোস্টারে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দাবি করে ৯ জনের ছবি দেয়া হয়েছে। ওই ৯ জনের মধ্যে জেলে থাকা শাহীনূরের ছবি নেই। আছে প্রকৃত অপরাধী শাহীনের ছবি। নিহত রাসেলের পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন করা হয়েছে। সেখানেও হত্যাকারী হিসেবে ডা. নাসিরের ছেলে শাহীন আহমেদের ছবি ব্যানারে ছিল।

শাহীনূরের আইনজীবী মোকলেসুর রহমান স্বপন জানান, আদালতেও তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে অপরাধী শাহীনকে নিয়ে কোনো প্রতিবেদন না পাঠানোয় মুক্তি মিলছে না নিরাপরাধ শাহীনূরের।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগরীর চন্দ্রিমা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজু আহমেদ বলেন, মামলাটির তদন্ত কাজ চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়ায় এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। নিরাপরাধ শাহীনূর জেলে কেন জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে বলেন।


ঘাটাইল সেনানিবাসে গলফ টুর্নামেণ্ট অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাহ উদ্দিন সেনানিবাসের গলফ ক্লাবে তিন দিনব্যাপী
বিস্তারিত
সখীপুরে ডায়াবেটিক সমিতির উদ্বোধন
সখীপুরে ডায়াবেটিক সমিতির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ
বিস্তারিত
আশুলিয়ায় আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫
ঢাকার আশুলিয়া ও ধামরাই থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ
বিস্তারিত
গাঙপাড়ায় আবার উত্তেজনা, পাউবো কর্মচারী
রাজশাহী মহানগরীর গাঙপাড়া খালের দুই পাড় থেকে ২৩০টি পরিবারকে উচ্ছেদ
বিস্তারিত
রংপুরে আগুনে বাড়ি পুড়ে ছাই
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় এক ব্যাক্তির বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
বিস্তারিত
রংপুরে মাদকসহ গ্রেফতার ১৭
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) শুক্রবার রাতে ৫০ গ্রাম গাঁজা, ২
বিস্তারিত