টাঙ্গাইলে কালীমন্দিরের জমি বিক্রির অভিযোগ

আদালতের স্থিতাবস্থা, অভিযোগকারীদের হয়রানি

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের সদুল্লাপুরে হিন্দুদের দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত কালীমন্দির ও শ্মশানের জমি বেদখল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে একটি মহল। মন্দিরের জায়গা বিক্রি করে নির্মাণ করা হয়েছে দেয়াল। সম্প্রতি আদালত বিবদমান ওই জমিতে দু’পক্ষের শান্তিশৃংখলা (স্থিতাবস্থা) বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এসএ ৪৪৬নং খতিয়ানের ৪৩৩ দাগ ও খতিয়ানের হাল রেকর্ড ৫২৯ দাগের ১৯ শতাংশ জমি ওই গ্রামের স্বনামধন্য ব্যক্তি অধ্যাপক কালীপদ রায় গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাট ও কালীমন্দির স্থাপনের জন্য দান করেন। কালীপদ রায়ের ভাই দীপন রায়ও এই জমিদানে সম্মতি দেন। এরপর থেকেই ওই জমিতে কালীমন্দির স্থাপন করে পূজা সম্পাদন ও শ্মশানঘাটে মরদেহ সৎকার চলছে। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল জাল দলিলের মাধ্যমে ওই জমি বিক্রি ও বেদখল করছে। 

এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক বরাবর গত ১৪ জানুয়ারি এলাকার ভুক্তভোগী জনসাধারণ আবেদন করে। আবেদনের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও কোনও ফল পাননি তারা। 

মন্দির কমিটি বাদী হয়ে স্থানীয় সুনীল কুমার রায়, ফজল হক, আব্দুর রাজ্জাক প্রামানিক, হাবিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জাহাঙ্গীর আলম, মাজিদুর রহমান প্রমুখকে বিবাদী করে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। 

টাঙ্গাইল সদর থানার এএসআই ইসরাফিল মিয়া গত ১২ ফেব্রুিয়ারি স্বাক্ষরিত এক নোটিশে জানান, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জমিতে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখতে হবে। কেউ যদি আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটান কিংবা ঘটনোর চেষ্টা করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিন্টু সরকার বলেন, দীর্ঘ ২শ বছরের পুরানো মন্দিরে এলাকাবাসী নিয়মিত পূজা-পার্বণ করে আসছে। বিভিন্ন সময় সরকারি অনুদান ও স্থানীয়দের চাঁদার টাকা দিয়ে মন্দির সংস্কারও করা হয়েছে। কিন্তু মন্দিরের জায়গা অবৈধভাবে বিক্রি করে মন্দিরের পাশে দেয়াল নির্মাণ হচ্ছে। মূল অভিযুক্তদের সাথে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী। আমরা প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

স্থানীয় অমিত দাস বলেন, মন্দিরের জায়গা অবৈধভাবে বিক্রি করার প্রতিবাদ করায় আমাদের চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মন্দিরসংলগ্ন জমির ক্রেতা ফজলুল হক বলেন, আমরা সুনীল কুমার রায়ের কাছ থেকে এ জায়গা কিনে নিয়েছি। শুনেছি জায়গাটি এ গ্রামের কালিপদ বাবুর ছিল। তিনি ভারতে চলে গেছেন। 

অভিযুক্ত সুশীল কুমার রায় বলেন, যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে তা আমাদের পৈতৃকসূত্রে পাওয়া। জাল দলিল করার কোন প্রশ্নই উঠে না। আমরা আমাদের রেকর্ডকৃত সম্পত্তি বিক্রি করেছি। 


মোহাম্মদপুরে ৬ করোনা রোগী শনাক্ত,
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত ছয়জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর পর
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে মাছের আড়তে ভীড়, করোনা
মৎস্য ও শয্যভান্ডার খ্যাত ঐতিহাসিক চলনবিল এলাকায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার
বিস্তারিত
রংপুরে ২০ লাখ টাকার সম্পদ
রংপুর মহানগরীর সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব নাজির দিগর
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে চাল আত্মসাত: নারীসহ তিন
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের
বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ পেয়ে ফেনীর চিকিৎসকরা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ডাক্তারদের প্রশংসা করছেন। মঙ্গলবার (৭
বিস্তারিত
রূপগঞ্জে বড় ভাইকে পিটিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফজলুল হক (৮০) নামে
বিস্তারিত