জাকাতের মাল বণ্টনের দায়িত্ব কার?

জাকাতের মাল বণ্টনের দায়িত্ব কার? পড়া হবে আজকের তারাবিতে
আজ রমজানের অষ্টম তারাবি অনুষ্ঠিত হবে। সুরা তাওবার ৯৪ আয়াত থেকে শেষ পর্যন্ত, সুরা ইউনুস এবং সুরা হুদের প্রথম ৫ আয়াত তিলাওয়াত করা হবে আজ। সে সঙ্গে ১১ পাড়া পর্যন্ত তিলাওয়াত সমাপ্ত হবে। ১১তম পাড়ায় যা আলোচিত হয়েছে, তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো-
সুরা তাওবার ৯৪ থেকে শেষ পর্যন্ত
সুরা তাওবার ১১তম পারার অংশে আলোচিত হয়েছে – সাহাবায়ে কেরামগণ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জান্নাত লাভের ঘোষণা এসেছে;
জাকাত আদায় করে তা যথাযথ খাতে ব্যয়ে ইসলামি রাষ্ট্রের দায়িত্ব সম্পর্কিত আলোচনা রয়েছে। কেননা জাকাত কোনো সরকারি কর বা অনুদান নয় বরং ইবাদাত।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি মক্কায় অবস্থানকালে জিহাদের প্রথম আয়াত নাজিল হয়েছিল; যার বাস্তবায়ন হয়ে হিজরতের পর মদিনা মুনাওয়ারায়। যা তিলাওয়াত হবে আজকের তারাবিতে।
সর্বোপরি সুরা তাওবার শেষাংশে দ্বীনি ইলম অর্জনের গুরুত্ব ও ইসলামের ধারক ও বাহকের দায়িত্ব সম্পর্কেও আলোচিত হয়েছে।
সুরা ইউনুস
এ সুরাটি সুরা তাওবার নাজিলের প্রক্কালে মক্কায় নাজিল হয়। এ কারণে এ সুরায় আল্লাহর একত্ববাদ তথা তাওহিদ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুয়ত প্রাপ্তি তথা রিসালাত এবং পরকালীন জীবনের বিবরণ বিবৃত হয়েছে। যার মূল উদ্দেশ্যই ছিল, আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বান করা।
আল্লাহ তাআলা এ সুরার মাধ্যমে মক্কায় বিশ্বনবির রিসালাতের দায়িত্ব পালনকালের কঠিন সময়ে বিপদাপদের মুহূর্তে হজরত ইউনুছ আলাইহিস সালামের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে তাঁকে সান্ত্বনা দেন।
হজরত নুহ আলাইহিস সালামের সময়কার মহা প্লাবনের বিবরণও আলোচিত হয়েছে এ সুরায়। যা আজকের তারাবিতে তিলাওয়াত করা হবে।
সুরা হুদ : আয়াত ০১-৫
আল্লাহ সুরা হুদের প্রথম পাঁচ আয়াতে শুধুমাত্র তাঁরই ইবাদাতের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা আল্লাহর ইবাদাত-বন্দেগি করবে; শিরক ও কুফরমুক্ত জীবন-যাপন করবে; কোনো অন্যায় করলে তাওবার মাধ্যমে আবার তাঁরই দিকে ফিরে আসবে; তাদের দুনিয়ার জীবন হবে উপভোগ্য। পরকালের মহা অনুগ্রহ দান করা হবে। যারা তারপরও আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হবে তাদের জন্য রয়েছে পরকালের কঠিন শাস্তি।
১১ পারার শেষ আয়াতে আল্লাহ তাআলা সবাইকে এ কথাই স্মরণ করিয়ে দেন যে, দুনিয়ার জীবনে মানুষ যেভাবেই জীবন-যাপন করুক না কেন? মৃত্যুর পর পরকালে সবাইকেই আল্লাহর সম্মুখে তাঁর সান্নিধ্যে যেতে হবে। কারণ তাঁর কাছে যাওয়া ব্যতিত কেউ রেহাই পাবে না। তিনি পুনরায় সবাইকে তাঁর নিকট উপস্থিত করতে সক্ষম।
আল্লাহ তআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআন বুঝে পড়ার এবং তাঁর ওপর আমল করার পাশাপাশি নিজেদের আকিদা-বিশ্বাসকে শিরকমুক্ত রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।


বেনামে সুদ : একটি শরয়ি
অনেক ওলামায়ে কেরাম জমি বন্ধকের এ মুয়ামালাটিকে জায়েজ করার জন্য
বিস্তারিত
মিতব্যয়িতা ইসলামে পছন্দনীয় কাজ
মানুষকে মিতব্যয়ী হতে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে
বিস্তারিত
ইসলামের দৃষ্টিতে উপহার বিনিময়
পারস্পরিক উপহার আদান-প্রদান আমাদের সামাজিক জীবনের একটি সাধারণ বাস্তবতা। বিষয়টি
বিস্তারিত
মনের জমিনের বিষাক্ত চারাগাছ
ফিলিস্তিনে মসজিদুল আকসা নির্মাণ করেন আল্লাহর নবী দুনিয়ার বাদশাহ হজরত
বিস্তারিত
ইসলামে মানবজীবনের দায়িত্ব
দায়িত্ব ও দায়িত্ববোধ ইসলামের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। এখানে প্রত্যেকেই তার
বিস্তারিত
মোজেজার তাৎপর্য
  মোজেজা চিরন্তন রীতিবহির্ভূত হতে হবে। অতএব কোনো ব্যক্তি যদি রাতের
বিস্তারিত