logo
প্রকাশ: ১০:৩৯:৩৭ PM, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬
তার কবিতা আমাকে ভাবিয়েছে
নির্মলেন্দু গুণ

ঢাকায় আমার কবি হয়ে ওঠার যে উন্মেষকাল, সে সময় সৈয়দ শামসুল হক লন্ডন প্রবাসী। ফলে শুরুতেই একটা দূরত্ব ছিল আমাদের মধ্যে। এরপর বহুবার আমাদের দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে কিংবা একই মঞ্চে কবিতাও পড়েছি। তবে আজ তার সঙ্গে আমার শেষ কথাটা মনে পড়ছে। ২০০৪ সালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এক সাহিত্য সভায় আমি তাকে রসিকতা করে বলেছিলাম, ‘হকভাই, আমি আপনাকে সব্যসাচী বলে সম্বোধন করব, না কবি বলে?’ তিনি একটু অপ্রস্তুত হয়ে আমার দিকে বাঁকা চোখে তাকালেন। সেই শেষ কথার রেশই এখন আমার মনের ভেতরে বাজছে।
১৯৯৯ সালে লন্ডনে কবিতা পাঠের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। তখন টনি ব্লেয়ার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানে শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক কবিতা পাঠ করেন। আমি অনুষ্ঠানের আয়োজকদের বলি সম্মানী ছাড়া আমি কবিতা পাঠ করব না। এ নিয়ে আমার সঙ্গে আয়োজকদের একটু কথার মনমালিন্যও হয়। কিন্তু তখন শামসুর রাহমান ও সৈয়দ শামসুল হক আমার পক্ষে তাদের অবস্থান তুলে ধরেননি। তারপর আয়োজকরা জানালেন, কবিতা পাঠের জন্য সব কবিকেই ৩০০ পাউন্ড করে সম্মানী দেয়া হবে।
আমাদের মধ্যে কবি রফিক আজাদই প্রথম নিজেকে বেশ্যার বেড়ালের সঙ্গে তুলনা করে, মানবিক মমতার সঙ্গে কবিতায় গণিকার গৌরবগাথা রচনা করেন। আরও কিছু পরে লন্ডন প্রবাসী কবি সৈয়দ শামসুল হক তার বৈশাখে প্রকাশিত পঙ্ক্তিমালা কাব্যগ্রন্থে গণিকাদের নিয়ে কবিতা লেখেন। এ দুই কবির লেখা গণিকাদের গৌরবগাথা ও প্রেম আমাকে খুব ভাবিয়েছে।
১৯৬৭ সালের এপ্রিলের কোনো এক সংখ্যায় কণ্ঠস্বর পত্রিকায় কবি রফিক আজাদের বেশ্যার বেড়াল কবিতাটি
ছাপা হয়েছিল।

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]