logo
প্রকাশ: ০৮:১৯:১৭ PM, মঙ্গলবার, জুলাই ৩১, ২০১৮
কার আয়ু বেশি, ধনী না গরিবের?
অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণা অনুযায়ী ধনীদের গড় আয়ু অপেক্ষাকৃত কম ধনীদের চেয়ে বেশি। গত দুই দশক ধরেই ইংল্যান্ডের ধনী-গরিবের মধ্যে গড় আয়ুর বৈষম্য বাড়ছে।

দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানাচ্ছে, এই নগরীতে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে আয়ুতেও ফারাক তৈরি হয়েছে। স্টকটনে ধনীদের আয়ু বাড়ছে। তারা পাচ্ছেন দীর্ঘ জীবন।

কিন্তু গরিবদের আয়ু তেমন বাড়ছে না। তাদের বেশিরভাগই মারা যাচ্ছেন অল্প বয়সে। স্টকটনেরই বাসিন্দা রব হিল। স্ত্রী ও আট সন্তানকে রেখে মাত্র ৪৬ বছর বয়সেই তিনি এখন নিজের মৃত্যুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

একদিকে তিনি সারাজীবন ধরে সিগেরেট খেয়েছেন। অন্যদিকে, দারিদ্রের কারণে সব সময়ই খেয়েছেন সস্তা ও নিম্নমানের খাবার।

ফলে, সব মিলিয়ে হিলের শরীরে বাসা বেঁধেছে রোগ-বালাই। তার আছে এম্ফিসেমা, লিম্ফিডেমা ও টাইপ-২ ধরণের ডায়াবেটিস।

আরও দুই বছর আগেই ডাক্তাররা তাকে মাস ছয়েক সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। তাই, আক্ষরিক অর্থেই এখন তিনি বেঁচে আছেন বাড়তি আয়ুর বদৌলতে।

জানা যাচ্ছে, স্টকটনে গরিবের চেয়ে ধনীর আয়ু অন্তত ১৮ বছর বেশি। এই বিভক্তি ও বৈষম্য যুক্তরাজ্যের একটি জাতীয় সমস্যা।

ইংল্যান্ডের ধনী পরিবারে জন্ম নেয়া শিশুরা অপেক্ষাকৃত গরিব পরিবারে জন্ম নেয়া শিশুদের চেয়ে গড়ে সাড়ে আট বছর বেশি বাঁচে। গত দুই দশক ধরে আয়ুর এই বৈষম্য বাড়ছে।

জাতীয় হিসেব মতে, ইংল্যান্ডের ধনী পরিবারে জন্ম নেয়া শিশুরা অপেক্ষাকৃত দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া শিশুদের চেয়ে গড়ে সাড়ে আট বছর বেশি বাঁচে।

স্টকটন শহরের ডাক্তার ডেভিড হজসন বলছেন, এশরে পুরুষের গড় আয়ুর প্রত্যাশা মোটে ৬৪ বছর। এটি মূলত আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার সমান। কিন্তু শহরটিতে ধনী-গরিবের আয়ুর ক্ষেত্রে কেন এতো বৈষম্য?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গত ৫ বছর ধরে একটি গবেষণা করেছেন অধ্যাপক ক্লেয়ার বামব্রা।

এই গবেষণার তখ্য বলছে, আয়ুর ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হবার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকলেও মূল কারণ আয়-বৈষম্য। আয়ুর এই বৈষম্য কমাতে দেশটির সরকার বদ্ধ পরিকর বলেও জানিয়েছে।

বার্নি রিজি-এলান, সেন্ট বেড’স ক্যাথলিক একাডেমির প্রধান। তিনি বলছিলেন, মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ও শ্রেণির বিভেদ দিয়ে মানুষের আয়ু নিরুপণ হওয়া ঠিক নয়। এই বৈষম্য অবশ্যই কমানো সম্ভব এবং এটি কমবেও।

কিন্তু, সমাধিস্থানের স্মৃতিফলকগুলোতে চোখ বুলালে দেখা যায়, কত না অল্প বয়সেই ঝরে যাচ্ছে কত প্রাণ!—বিবিসিবাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]