logo
প্রকাশ: ০৪:০০:৪৮ PM, বুধবার, জুন ১২, ২০১৯
পাবনায় প্রাইভেট শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্কুলছাত্রী ধর্ষিত
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট শেষে বাড়ি ফেরার সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে ধামাচাপা দিতে গিয়ে বুধবার ঘটনাটি ফাঁস হয়ে পড়ে।

ধর্ষিত শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিশুটি জেলার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

বুধবার দুপুরে পাবনা প্রেসসক্লাবে এসে ধর্ষিত শিশুটির ছাত্রীর বাবা ও চাচা সাংবাদিকদের জানান, সোমবার বিকেলে শিশুটি একদন্ত হাইস্কুলের পাশে একটি কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট শেষে বাড়ি ফেরার সময়ে হাইস্কুলের সামনের কসমেটিক্সের দোকানদার ও একদন্ত ইউনিয়নের নরজান গ্রামের আব্দুল্লাহর ছেলে লম্পট আকাশ ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিয়ে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে লম্পট আকাশ পালিয়ে যায়। অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

এদিকে মেয়ের চাচা বলেন, সোমবার এ ঘটনা ঘটলেও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য চাপ ছিল। লম্পট আকাশের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের বিলম্ব হয়েছে।

তিনি বলেন, বুধবার আদালতের মামলা দায়ের করার জন্য নির্যাতনের শিকার মেয়েকে নিয়ে আদালতে আছি।

একদন্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আকাশ নামের লম্পট ছেলেটির বিরুদ্ধে এর আগেও একই ধরণের কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। তার দৃষ্টান্ত বিচার হওয়া দরকার। 

একদন্ত হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, মেয়েটি আমার স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র আকাশ মেয়েটির ওপর নির্যাতন করেছে এমনটি লোকমুখে শুনেছি। ঘটনাটি সত্য হলে চূড়ান্ত শাস্তি দাবি করছি। 

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, এমন কোন ঘটনার খবর আমি জানি না। আমাকে কেউ জানায়নি। 

আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আকরাম আলী বলেন, ডাক্তারি রিপোর্ট বা মেয়েটির জবানবন্দি ছাড়া ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারছি না। মেয়েটির অভিভাবকেরা থানাতে বা আদালতে মামলা করলে আসামি গ্রেপ্তারসহ সব ধরণের আইনগত সহায়তা প্রদান করা হবে। 

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]