logo
প্রকাশ: ০২:১৩:৫১ AM, রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
ইসলামি অর্থনীতির দৃষ্টিতে সম্পদ
মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম

‘সম্পদ’ অর্থনীতির অন্যতম উপাদান। সম্পদ ছাড়া অর্থনীতি কল্পনা করা যায় না। মানুষের পার্থিব নানা সমস্যার সমাধান সম্পদের মাধ্যমে করা হয়। সম্পদ মানবজীবনের এক অপরিহার্য বিষয়। সম্পদ ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। পৃথিবীতে প্রথম মানব হজরত আদম (আ.) থেকেই সম্পদের ব্যবহার শুরু। মানুষের শুরু যেদিন থেকে সম্পদের ব্যবহারও সেদিন থেকে। দুটির পথ চলা একই সূত্রে গাঁথা। ইসলামী অর্থনীতিতে সম্পদ শব্দটি আরবি ‘আল-মাল’ শব্দের সমার্থক। বিখ্যাত আরবি অভিধান প্রণেতা আল্লামা ইবনে মানযুর (রহ.) (মৃত ৭১১ হি.) তার ‘লিসানুল আরব’ নামক আরবি অভিধান  গ্রন্থে ‘মাল’ বা ‘সম্পদের’ পরিচিতি দিতে গিয়ে বলেছেনÑ
সম্পদের পরিচিতি : মাল বা সম্পদ হলোÑ মানুষ যা কিছুর মালিক হয়। ইবনুল আছির (রহ.) বলেছেন, ‘মূলত মাল বা সম্পদ হলোÑ স্বর্ণ, রূপা ও মানুষ যার মালিক হয়। পরবর্তী সময়ে বস্তুগত জিনিসের যা কিছুই মানুষ সংরক্ষণ করে ও মালিক হয় তাকেই মাল বা সম্পদ বলা হয়। আর প্রাচীন আরবে মাল বলতে বোঝানো হতো উটকে। কারণ, তাদের অধিকাংশ সম্পদই ছিল উট।
সারকথা, আভিধানিক দৃষ্টিতে  মানুষ যা অধিকার করে, মালিক হয় ও সংরক্ষণ করে সেটাই মাল বা সম্পদ। চাই তা স্বর্ণ-রূপা হোক, উট হোক বা অন্য কোনো মূল্যবান বস্তু। অথবা কোনো বস্তুর উপকার হোক। যেমন ভাড়ার মাধ্যমে বস্তুর উপকার ভোগ করার অধিকার সৃষ্টি হয়। পক্ষান্তরে মানুষ যা সংরক্ষণ করেনি, মালিক হয়নি সেটা ‘মাল’ নয়। যেমন, বনের গাছ, মাটির নিচের খনিজসম্পদ ইত্যাদি। (আল ফিকহুল ইসলামি ওয়াআদিল্লাতুহু, পৃ. ২৮৭৫)।
অর্থনীতিবিদদের পরিভাষায়, যেসব দ্রব্যসামগ্রী বাহ্যিকভাবে পরিদৃষ্ট, হস্তান্তরযোগ্য, মানুষের প্রয়োজন পূরণে কাজে আসে অথচ তার জোগান সীমাবদ্ধ সেসব দ্রব্যসামগ্রীকে সম্পদ বলে। আধুনিক কালে অবস্তুগত কিছু কিছু বিষয় দ্বারাও মানুষ অর্থ উপার্জন করে থাকে। যেমন, ব্যবসায়ের সুনাম, নার্সের সেবা ইত্যাদি। আধুনিক অর্থনীতিবিদরা সেগুলোকেও মাল বা সম্পদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। 
ইসলামি অর্থনীতিতে মাল বা সম্পদের বিভিন্ন সংজ্ঞা পেশ করা হয়েছে। ত্রয়োদশ হিজরি শতাব্দীর শেষের দিকে সাবেক উসমানি সালতানাতের অধীনে রচিত ইসলামি অর্থনীতির বিধিবদ্ধ আইনের ১২৬নং ধারায় লেখা হয়েছেÑ ‘সম্পদ বা মাল হলোÑ যে বস্তুর প্রতি মানব-প্রকৃতি আকৃষ্ট হয় এবং যা প্রয়োজন পূরণ হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায় সেটাই সম্পদ। চাই তা স্থাবর বা অস্থাবর হোক।’
ওই সংজ্ঞানুযায়ীÑ বৈধ-অবৈধ সব বস্তুই মাল বলে গণ্য হবে। যেমন, মদ। কারণ, কোনো কিছু মাল বা সম্পদ হয় মানুষের মূল্যায়নের মাধ্যমে। মদকে মানুষ মূল্যায়ন করে তাই তা মাল। অতএব অমুসলিমদের নিকট মদ মাল হিসেবে গণ্য হবে।
উপরোক্ত সংজ্ঞায় কোনো কিছু মাল হওয়ার জন্য দুটি বিষয় শর্ত। যথাÑ
ক. মানব-প্রকৃতি আকৃষ্ট হওয়া। সুতরাং চাল একটি হলে তা সম্পদ নয়। কারণ, তার প্রতি মানব-প্রকৃতি ধাবিত হয় না। 
খ. প্রয়োজন পুরো হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণযোগ্য হওয়া। সুতরাং কাঁচা সবজি মাল নয়। কারণ, তা সংরক্ষণযোগ্য নয়।
ড. ওয়াহবা জুহাইলি (রহ.) লিখেছেন, ‘উক্ত সংজ্ঞাটি ত্রুটিযুক্ত। কারণ, বর্তমান সমাজে সবজি ও ফল মাল ও সম্পদ হিসেবে গণ্য। অথচ তা দ্রুত পচনশীল হওয়ায় সংরক্ষণযোগ্য নয়। তদ্রƒপ তিক্ত ঔষধ মানুষ পছন্দ করে না; অথচ তাও মাল।’ 
তাছাড় ওই সংজ্ঞাটি এ কারণেও ত্রুটিযুক্ত যে, এতে অবস্তুগত সম্পদ অন্তর্ভুক্ত হয়নি। অথচ তাও বর্তমান সমাজে মাল হিসেবে গণ্য। যেমন, ব্যবসায়িক সুনাম, গ্যাস ইত্যাদি।
ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে সিরিয়ার বিখ্যাত ফকিহ আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী (রহ.) (মৃ. ১২৫২ হি.) মাল বা সম্পদের পরিচিতি দিয়েছেন এভাবেÑ “সম্পদ বা মাল দ্বারা উদ্দেশ্য হলোÑ মানব-প্রকৃতি যার প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং প্রয়োজন পূরণ হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। আর কোনো কিছু ‘সম্পদ’ সাব্যস্ত হয় সব মানুষ বা কতক মানুষ সেটাকে ‘সম্পদ’ হিসেবে গণ্য করার মাধ্যমে।
এ সংজ্ঞাটি অগ্রগণ্য। এতে সম্পদকে শুধু বস্তুর সঙ্গে সীমাবদ্ধ করা হয়নি। বরং বস্তুর উপকারও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। তদ্রƒপ অবস্তুগত অদৃশ্য সম্পদও ওই সংজ্ঞা অনুযায়ী ‘মাল’ হতে পারে। মূলত মানুষ যাকে ‘সম্পদ’ বা ‘মাল’ মনে করে সেটাই ‘মাল’ হবে। এজন্য বিদ্যুৎ, গ্যাস, ব্যবসায়িক সুনাম এগুলো দৃশ্যমান না হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে অনেক মূল্যবান সম্পদ। সুতরাং এগুলোও ওই সংজ্ঞা অনুযায়ী ‘মাল’ হবে এবং এসবের বেচাকেনা বৈধ হবে। 
প্রকাশ থাকে যে, ‘মানব-প্রকৃতি যার প্রতি আকৃষ্ট হয়’ এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলোÑ সেটা এমন হওয়া যা থেকে উপকৃত হওয়া যায়। সুতরাং যেটা থেকে উপকার নেওয়া যায় না সেটা ‘মাল’ নয়। তদ্রƒপ বেচাকেনার যোগ্যও নয়। (ফিকহুল বুয়ু, খ. ১, পৃ. ২৪-২৭)।
ড. ওয়াহবা জুহাইলি (রহ.) ‘মাল’ বা ‘সম্পদ’-এর পরিচিতি দিয়েছেন এভাবেÑ ‘প্রত্যেক মূল্যমানবিশিষ্ট বিষয় বা বস্তু, যা নষ্ট বা ধ্বংস করা হলে নষ্টকারী এর জরিমানা দিতে বাধ্য থাকে।’
আলোচনা থেকে এটিও স্পষ্ট যে, ‘মাল’ বা ‘সম্পদ’-এর পরিচিতি নির্ণয়ে অভিধান, প্রচলিত অর্থনীতি ও ফকিহদের বক্তব্য প্রায় অভিন্ন। সব বক্তব্যের সারকথা হলোÑ ‘মাল’ বা ‘সম্পদ’ হলো যা থেকে উপকৃত হওয়া যায়, যা মূল্যমান বিশিষ্ট, মানুষ যার অধিকার বা মালিকানা লাভ করে সর্বোপরি মানুষ যাকে মাল হিসেবে মনে করে।
ইসলামি অর্থনীতিতে মাল বা সম্পদ
ইসলামী অর্থনীতিতেও মাল বা সম্পদ বলতে সেটাই বোঝানো হয় যা উরফ বা সমাজের দৃষ্টিতে মূল্যবান বস্তু বা বিষয়। তবে ইসলামী অর্থনীতিতে এর সঙ্গে কেবল এতটুকু যুক্ত হবে যে, ‘শরিয়তের দৃষ্টিতে সে বস্তু বা বিষয় থেকে উপকৃত হওয়াটা বৈধ বা মুবাহ হওয়া।’ সুতরাং মদ উরফে মাল হলেও শরিয়তের দৃষ্টিতে তা মুসলমানদের জন্য মাল নয়। 
সম্পদের ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি
সম্পদের ব্যাপারে অতি সংক্ষেপে ইসলামের মৌলিক তিনটি দৃষ্টিভঙ্গি বা মূলনীতি নিম্নে উল্লেখ করা হল। 
সম্পদের প্রকৃত মালিকানা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার
ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্বচরাচরে সব সম্পদের প্রকৃত মালিক আল্লাহ তায়ালা। এগুলো মানবের প্রতি মহান আল্লাহর অবারিত ও অফুরন্ত দান। মানুষ  যে সম্পদই ভোগ করে না কেন; এর কোনোটাই মানুষ সৃষ্টি করেনি। সব কিছুর মৌল উপাদান মহান আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। এ সৃষ্টিতে মানুষের কোনো হাত নেই। 
আমরা কেবল এতটুকু করতে পারি, আল্লাহর সৃষ্ট উপকরণের উপর মেহনত করে তার অবস্থার রূপান্তর ঘটাতে পারি এবং সে উপাদানে আল্লাহ প্রদত্ত যে গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে তা খুঁজে বের করে ক্ষেত্রভেদে তা ব্যবহার করতে পারি। যেমন, আল্লাহ প্রদত্ত ধানের উপর মেহনত করে, সার ইত্যাদি প্রয়োগ করে উন্নত প্রজাতির ধান উৎপাদন করতে পারি। 
সম্পদ প্রয়োজনীয় তবে জীবনের পরম লক্ষ্য নয়
মানবজীবনে সম্পদের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এজন্যই কোরআনুল কারিমে সম্পদ আহরণের প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। 
কিন্তু এর পাশাপাশি সম্পদকে প্রবঞ্চনার উপকরণও বলা হয়েছে। এরশাদ হয়েছেÑ ‘এই পার্থিব জীবন (ও তার ধন-সম্পদ) তো প্রবঞ্চনার উপকরণ বৈ কিছু নয়।’ সূরা আলে ইমরান : ১৮৫।
অন্যত্র বলা হয়েছেÑ ‘জেনে রাখ, নিশ্চয়ই সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি ফিতনার উপকরণ।’ সূরা আনফাল : ২৮।
বাহ্যত কোরআনের ওই দ্বিবিধ বর্ণনারীতি দেখে কারও মনে স্ববিরোধিতার প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখলে এ সংশয় অবশ্যই কেটে যাবে। মূলত কোরআনে ধন-সম্পদকে চিহ্নিত করা হয়েছে জীবন পথের পাথেয় হিসেবে। আর জীবনের সফলতা শেষ মঞ্জিল নির্ধারণ করা হয়েছে ইবাদত ও আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে পরকালীন নাজাত ও কামিয়াবিকে। পৃথিবীতে মানুষকে প্রেরণের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা ও সদা-সর্বদা তার সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট থাকা। কোরআনে এসেছেÑ ‘আমি মানবজাতি ও জ্বিনজাতিকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার এবাদতের জন্য।’ সূরা যারিয়া : ৫৬।
সেই কামিয়াবির মঞ্জিলে পৌঁছতে হলে মানুষকে এই কয়দিনের পার্থিব জীবনকে অবশ্যই পাড়ি দিতে হবে।  আখেরাতের সেই জীবনের সঞ্চয়ক্ষেত্র হলো দুনিয়ার এ জীবন। পথ অতিক্রম করার ক্ষেত্রে তার সমূহ প্রয়োজন পূরণের জন্যই মূলত সৃষ্টি করা হয়েছে সম্পদরাজিকে। এগুলো তার জীবনের পাথেয়। কিন্তু কোনো যাত্রী যদি পাথেয় সংগ্রহ করতে গিয়ে তার গন্তব্যের কথা ভুলে যায় এবং পাথেয় সংগ্রহকেই জীবনের চরম লক্ষ্য বানিয়ে নেয়, তাহলে এটা হবে তার চরম মূর্খতা। তখন তা হবে মহাবিপর্যয়ের কারণ। এদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে কোরআনে এরশাদ হয়েছেÑ ‘হে মোমিনরা, ধনৈশ্বর্য ও সন্তান-সন্তুতি যেন তোমাদের আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন না করে ফেলে, যারা এহেন কর্মে লিপ্ত হবে তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।’ সূরা মুনাফিকুন, আয়াত : ৯।
এতে এটি স্পষ্ট যে, ইসলামি অর্থনীতি সম্পদকে উপায় হিসেবে বিবেচনা করে। উপেয় হিসেবে নয়। 
মূলত এখানেই ইসলামি অর্থনীতি ও বস্তুতান্ত্রিক অর্থনীতির মাঝে অত্যন্ত গভীর ও সদূরপ্রসারী মৌলিক ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে। বস্তুবাদী অর্থব্যবস্থায় অর্থসমস্যাই মানবজীবনের মৌলিক সমস্যা হিসেবে পরিগণিত হয়। আর অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনই জীবনের পরম প্রতিপাদ্য বিষয় বলে ধরে নেওয়া হয়। 
পক্ষান্তরে ইসলামের অর্থব্যবস্থায় অর্থ-সম্পদের বিষয়টি অনাবশ্যক ও এড়িয়ে যাওয়ার মতো না হলেও এটি মানবজীবনের একমাত্র লক্ষ্য, পরম কাম্য বিষয় নয়। 
সম্পদের প্রতি ভালবাসা থাকবে তবে তা শরিয়ার আলোকে নিয়ন্ত্রিত হবে
ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পদের প্রতি সাধারণ ভালোবাসা থাকা দোষণীয় নয়।  বরং একটা পর্যায় পর্যন্ত তা কাম্যও বটে। নতুবা সম্পদ অযথাই নষ্ট হবে। তবে এ ভালোবাসা অবশ্যই আসক্তিতে পরিণত হবে না, যা দ্বীনি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে বাধা হয়, গোনাহে লিপ্ত হতে উৎসাহ জোগায় ও আখেরাত ভুলিয়ে দেয়। সম্পদের প্রতি এমন অন্ধ ভালোবাসার ব্যাপারেই কোরআনে এরশাদ হয়েছেÑ ‘নিশ্চয়ই মানুষ তার প্রতিপালকের প্রতি বড়ই অকৃতজ্ঞ। সে নিজেই এ বিষয়ে সাক্ষী। বস্তুত সে ধন-সম্পদের প্রতি ঘোর আসক্ত।’ সূরা আদিয়াত : ৬-৮।
অন্যত্র এরশাদ হয়েছে, ‘(পার্থিব সম্পদ ও ভোগ সামগ্রীতে) একে অন্যের উপর আধিক্য লাভের বাসনা তোমাদের উদাসীন করে রাখে, যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপনীত হও।’ সূরা তাকাছুর : ১-২।
সারকথা, ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদ বলতে বোঝায় যাকে সমাজ ও উরফ সম্পদ হিসেবে মনে করে এবং শরিয়তে যার ব্যবহার বৈধ মনে করে। সম্পদের ব্যাপারে ইসলামি অর্থনীতির মৌল দৃষ্টিভঙ্গি হলো সম্পদের প্রকৃত মালিকানা আল্লাহ তায়ালার। মানুষ সে সম্পদে কেবল সাময়িক প্রতিনিধিত্ব মালিকানা লাভ করে থাকে। সম্পদ প্রয়োজনীয়, তবে জীবনের পরম লক্ষ্য নয়। সম্পদের প্রতি ভালোবাসা থাকবে, তবে সেটা শরিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। সম্পদের ব্যাপারে উপরোক্ত নীতিগুলো আমরা গ্রহণ করতে পারলে একটি সুষ্ঠু অর্থনৈতিক সমাজ গঠন করতে পারব আমরা। ব্যবসায় দুর্নীতি থাকবে না, ঘুষ গ্রহণ করা হবে না। প্রতারণা করা হবে না। সর্বক্ষেত্রে শরিয়া পরিপালন প্রাধান্য পাবে।

লেখক : সহকারী মুফতি, জামিয়া শারইয়্যাহ্ মালিবাগ, ঢাকা

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]