logo
প্রকাশ: ০৪:০৮:৩৭ PM, সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৬
প্রেমিককে লুকিয়ে অনেকের সঙ্গে ডেটিং, অতঃপর..
অনলাইন ডেস্ক

প্রেমটাও চালিয়ে যাচ্ছিলেন, অন্যদিকে লুকিয়ে চুরিয়ে নানাজনের সঙ্গে সমানতালে চলছিল ডেটিংও। কিন্তু, প্রেমিকের চোখ ফাঁকি দেওয়া যে সহজ নয় তা ক'দিনেই হাতেনাতে টের পেলেন তরুণী। 'ফাঁদ' পেতে প্রেমিকার কীর্তিকলাপ হাতেনাতে ধরে ফেলেন কাইল বগেস।
নিজের কীর্তি ঢাকতে প্রেমিকের কাছে একের পর এক মিথ্যা বলে যেতেন প্রেমিকা। কিছুটা ভয়ও ছিল তার। এই বিষয়টি ধরে ফেলেছিলেন কাইল বগেস। তাঁর সন্দেহ হয়েছিল, প্রেমিকা একটি ডেটিং সাইটে নিয়মিত নতুন বন্ধু খুঁজে বেড়ান। তাঁদের সঙ্গে যত্রতত্র যান, যা-তা করেন।
তাই সিদ্ধান্ত নেন যেভাবেই হোক বিষয়টার একটা ফায়সালা হওয়া দরকার। সেই ডেটিং সাইটে ফেক প্রোফাইল খোলেন কাইল। খুঁজতে হয়নি, প্রেমিকাই তাঁকে খুঁজে নেন মাত্র ১০ মিনিটে। এর পরে শুরু হয় প্রেমিকার লীলা। কাইল বলছেন, ''ও আমাকে বলল, আমি যদি কখনও ওকে ঠকাই, ও আমাকে মেরেই ফেলবে। তখনও ও বুঝতে পারেনি আমি ফেক প্রোফাইল থেকে কথা বলছি। একটা নতুন ফোন নম্বরও নিয়েছিলাম। সেখান থেকে টেক্সট করতাম নিয়মিত। দেখা করতে চাইত।''
প্রেমিকাকে জব্দ করতে কাইল বেছে নিয়েছিলেন ভালবাসা দিবস। প্রেমিকাকে ডেকে আনেন নিজের বাড়িতে। অবশ্য এ বাড়িটিতে আগে তাকে কখনো আনা হয়নি। চোখ বেঁধে দেন। প্রেমিকা যখন রোম্যান্টিক গিফ্‌টের অপেক্ষায়, তখনই খুলে দিলেন চোখ। এর পরে অপমান করে সটান বেরিয়ে যেতে বলেন বাড়ি থেকে। প্রেমিকা বলেন, ''অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। ফলে, একটু হালকা থাকার জন্য এই সব করি।''
তবে যে বিশ্বাসের ঘরে আগুন লেগেছে সেই ঘর আর বোধহয় গোছাতে চাননি কাইল। ফিরিয়ে দেন প্রেমিকাকে। দীর্ঘ দিনের প্রেম ভাঙায় প্রথমে অবশ্য প্রেমিকার চোখেমুখে বিষাদ দেখা গেলেও পরমুহূর্তে বলেন, ''আই কেয়ার আ ড্যাম।''

 

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]