logo
প্রকাশ: ১০:০৪:৪৩ PM, শুক্রবার, মে ২২, ২০২০
বিনামূল্যে চাষিদের সার, বীজ ও নগদ সহায়তা দেবে সরকার
অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের বিনামূল্যে সার, বীজ ও নগদ সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

শুক্রবার (২২ মে) মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৫ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাত হানার পূর্বাভাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়। ফসলের ক্ষতি কমিয়ে আনতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।  ওইদিন মন্ত্রী তার হেয়ার রোডের বাসা থেকে অনলাইনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে।

বিজ্ঞপ্তিতে কৃষিমন্ত্রীর বরাত দিয়ে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি না হলেও অল্পকিছু কৃষিজ ফসলের বিশেষ করে ফলের মধ্যে আম, লিচু, কলা, সবজি, তিল এবং অল্পকিছু বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব নিরূপণের কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত মোট জমির পরিমাণ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৭ হেক্টর। ইতোমধ্যে হাওড়ে শতভাগ, উপকূলীয় অঞ্চলে ১৭ জেলায় শতকরা ৯৬ ভাগসহ সারাদেশে গড়ে ৭২ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে। ফলে ক্ষতির পরিমাণ সামান্য, যা আমাদের খাদ্য উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না।’

কৃষিমন্ত্রী আরও  বলেন, ‘প্রলয়ঙ্করী ঘুর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শাকসবজি ও মসলা চাষিদের তালিকা প্রণয়ন করে তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমন মৌসুমে বিনামূল্যে সার, বীজ ও নগদ সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হবে। এছাড়াও, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, ফল ও পান চাষিদেরকে মাত্র চার শতাংশ সুদে কৃষি ঋণের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’

কৃষিমন্ত্রী জানান, সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৬০-৭০ ভাগ আম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলায় ঝড়ে পড়া আমগুলো ত্রাণ হিসেবে দুস্থ জনগণের মাঝে বিতরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে একদিকে যেমন আমচাষিরা কিছুটা আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনই দুস্থ এবং অসহায় জনগণের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও  জানান, প্রাথমিক প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী  বোরো ধান ৪৭ হাজার ২ হেক্টর (১০ শতাংশ), ভুট্টা ৩ হাজার ২৮৪ হেক্টর (৫ শতাংশ), পাট ৩৪ হাজার ১৩৯ হেক্টর (৫ শতাংশ) পান ২ হাজার ৩৩৩ হেক্টর (১৫ শতাংশ), সবজি ৪১ হাজার ৯৬৭ হেক্টর (২৫ শতাংশ), চিনাবাদাম ১ হাজার ৫৭৫ হেক্টর (২ শতাংশ), তিল ১১ হাজার ৫০২ হেক্টর (২০ শতাংশ), আম ৭ হাজার ৩৮৪ হেক্টর (১০ শতাংশ), লিচু ৪৭৩ হেক্টর (৫ শতাংশ), কলা ৬ হাজার ৬০৬ হেক্টর (১০ শতাংশ), পেঁপে ১ হাজার ২৯৭ হেক্টর (৫ শতাংশ), মরিচ হাজার ৩০৬ হেক্টর (৩০ শতাংশ), সয়াবিন ৬৪০ হেক্টর (৫ শতাংশ), মুগডাল ৭ হাজার ৯৭৩ হেক্টর (৫০ শতাংশ) এবং ৬ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমির আউশ ধান  আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]