আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৫-০৯-২০১৬ তারিখে পত্রিকা

সাক্ষাৎকারে ড. মীজানুর রহমান উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

বাঙালির শাশ্বত ঐতিহ্য কখনোই জঙ্গিবাদকে ধারণ করে না

এম এ খালেক
| সম্পাদকীয়

আলোকিত বাংলাদেশ : সাম্প্রতিক দেশে জঙ্গিবাদের যে উত্থান লক্ষ করা যাচ্ছে, তাতে কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র এবং ক্ষেত্রবিশেষে শিক্ষকদেরও সম্পৃক্ততা লক্ষ করা যাচ্ছে। এর কারণ কী বলে মনে করেন?
ড. মীজানুর রহমান : ধন্যবাদ। আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। বর্তমানে দেশে যে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে, বিশেষ করে ধর্মের নামে যে জঙ্গিবাদের সৃষ্টি হয়েছে, এক সময় আমরা মনে করতাম এর উৎস হচ্ছে কওমি মাদরাসা। অনেকেই মনে করতেন, মাদরাসা, বিশেষ করে যারা কওমি মাদরাসায় লেখাপড়া করে প্রধানত তারাই এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত। এর একটি কারণ আমরা এভাবে বের করেছিলাম যে, কওমি মাদরাসায় যারা লেখাপড়া করে তারা একটি বিশেষ ধরনের লেখাপড়ায় যুক্ত থাকে এবং তারা লেখাপড়ার ক্ষেত্রে বাস্তব জগৎ থেকে অনেকটাই পিছিয়ে থাকে। তারা লেখাপড়ার মাধ্যমে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করতে পারে না। তারা ইসলাম সম্পর্কে খ-িত জ্ঞান লাভ করে থাকে। যারা এসব মাদরাসায় পাঠদান করেন তারাও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত নন। তাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে কওমি মাদরাসায় পড়–য়া ছাত্রছাত্রীরা ইসলাম সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান লাভ করা থেকে বঞ্চিত হয়। কওমি মাদরাসায় যারা পড়াশোনা করে তারা এক সময় হতাশার মধ্যে ডুবে যায়। কারণ তাদের শিক্ষার যে কারিকুলাম তা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে তেমন কোনো সহায়তা করতে পারে না। কারণ এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাগতিক কোনো জ্ঞান দান করা হয় না যার মাধ্যমে তারা আয়-উপার্জন করতে পারবে। তাদের চাকরির একমাত্র স্থান হচ্ছে মাদরাসা এবং মসজিদ। কিন্তু মাদরাসা এবং মসজিদের সংখ্যা এত বেশি নয় যে, তাদের সবার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে। বেকারত্ব তাদের নিত্যসঙ্গী। তাদের জীবনযাত্রাও অত্যন্ত নিম্নমানের। ফলে তাদের জীবনে হতাশা নেমে আসে। এ হতাশা থেকে তারা সহজেই বিপথগামী হতে পারে। এটা কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না যে, মাদরাসায় যারা পড়াশোনা করে তারা নানাভাবে অবহেলিত হয়ে আসছে। অথচ এরা আমাদেরই সন্তান। মাদরাসায় যারা পড়ে তাদের মাঝে সব সময়ই এক ধরনের বঞ্চনা বিরাজ করে। তারা সমাজের প্রতি কিছুটা হলেও ক্ষুব্ধ থাকে। সন্ত্রাসী সংগঠন বা তাদের আন্তর্জাতিক মুরুব্বিরা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের এ ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে তাদের দলে ভিড়িয়ে নেয়। এছাড়া মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগানো হয়।
আলোকিত বাংলাদেশ : সাম্প্রতিক ইসলামী জঙ্গিবাদের ধরন লক্ষ করলে দেখা যাবে, উচ্চ শিক্ষিত এবং বিত্তবান পরিবারের ছেলেরাও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ছে। এর কারণ কী?
ড. মীজানুর রহমান : গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা এবং শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর দেখা গেছে, এ হামলার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের প্রায় সবাই উচ্চশিক্ষিত এবং বিত্তবান পরিবারের সন্তান। এদের কেউ কেউ আবার বিদেশি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছে। এটা অবশ্যই উদ্বেগের বিষয়। কারণ এরা কেন নিশ্চিত ভবিষ্যতের আশা ত্যাগ করে জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত হবে? এরা উচ্চশিক্ষিত এবং ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত। এরা চেষ্টা করলেই কর্মজীবনে অত্যন্ত ভালো অবস্থানে যেতে পারত। কিন্তু তা সত্ত্বেও এরা বেহেশত পাওয়ার মোহে নিজের জীবন উৎসর্গ করছে। এই যে উচ্চবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত ছেলেরা জঙ্গিবাদে যুক্ত হচ্ছে, এর পেছনেও এক ধরনের বঞ্চনা এবং ক্ষোভ কাজ করছে। উচ্চবিত্ত পরিবারগুলো এখন এতটাই ব্যস্ত যে, তারা তাদের সন্তানদের বিষয়ে কোনো খোঁজখবর রাখার প্রয়োজন বোধ করে না। এদের পারিবারিক বন্ধন অত্যন্ত শিথিল। ছেলেমেয়েরা কী করে, কোথায় যায় এসব বিষয়ে খবর রাখার তাদের সময় হয় না। এসব পরিবারের ছেলেমেয়েরা মূলত বাসার কাজে লোক এবং গাড়ির ড্রাইভারদের মাধ্যমে লালিত-পালিত হয়। ফলে অনেকেই বাবা-মায়ের অজান্তেই নানা ধরনের সমাজবিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি দেশ। বাংলাদেশের যে একটি সমৃদ্ধ কালচার আছে এসব তাদের শেখানো হয় না। বাংলাদেশের মানুষ কীভাবে ইসলামকে ধারণ করে, তারা সত্যিকার ইসলামী আদর্শের মনোভাবাপন্ন বলেই কখনও সাম্প্রদায়িক উগ্রতাকে প্রশ্রয় দেয় না। এসব মৌলিক বিষয় তাদের জানানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। মোট কথা, তারা প্রকৃত ইসলাম থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। ফলে খুব সহজেই তাদের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে যুক্ত করা যাচ্ছে। যুবসমাজকে যদি বাংলাদেশের মানুষের কালচার এবং ধ্যান-ধারণা সম্পর্কে জ্ঞানদানের ব্যবস্থা করা যেত তাহলে তারা এত সহজে বিভ্রান্ত হতো না। যেহেতু দেশ ও সমাজ সম্পর্কে এরা প্রকৃত জ্ঞান রাখে না, তাই তারা সমাজে অনেকটাই ছিন্নমূলের মতো বসবাস করছে। সমাজের নিম্নবিত্ত যারা কওমি মাদরাসায় পড়ে এবং উচ্চবিত্ত সমাজের যারা নামিদামি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এদের মধ্যে মূলত কোনো পার্থক্য নেই। এ উভয় শ্রেণীই সমাজে ছিন্নমূল হিসেবে বাস করছে। উভয় শ্রেণীই হতাশাগ্রস্ত। এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে তা হলো, হতাশা শুধু যে বঞ্চিত মানুষের মাঝেই আসবে তা নয়। যারা বিত্তবান এবং সমাজের উঁচু শ্রেণীতে বাস করে তাদের মাঝেও হতাশা আসতে পারে। নিজে বঞ্চিত না হয়েও অন্যের বঞ্চনা দেখে অনেকের মাঝে আক্রোশ আসতে পারে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিও আমাদের দেশে জঙ্গি সৃষ্টিতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে যেভাবে রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের নামে মুসলিম নিগ্রহ শুরু করা হয়, তা অনেকের জন্যই ক্ষোভের কারণ হয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করে যে, মধ্যপ্রাচ্যে আজকে যে রাজনৈতিক সমস্যা বিরাজ করছে তা পশ্চিমা শক্তিগুলোর তৈরি করা। বিশেষ করে ইসরাইলি সমস্যা যেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং পরে এ সমস্যা যেভাবে সমাধান করার চেষ্টা করা হচ্ছে, এটা ইসলামের বিরুদ্ধে একটি চক্রান্ত বলেই অনেকে মনে করে। এছাড়া ইরাক বা সিরিয়ায় যেভাবে আগ্রাসন চালানো হয়েছে, তা মুসলমান মাত্রই ক্ষোভের সৃষ্টি করতে পারে। ইরাকে পশ্চিমা শক্তির আগ্রাসনের কারণে সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তোলে আইএস। অন্যান্য মুসলিম দেশের তরুণ শক্তিও মনে করছে, আমাদেরও এভাবেই পশ্চিমা শক্তিকে মোকাবিলা করতে হবে।
এভাবে ইসলামের বিপক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাটাকেই তারা জিহাদ বলে মনে করছে। জিহাদ শব্দটিকে তারা অসম্পূর্ণ অর্থে ব্যবহার করছে। তারা সরাসরি যুদ্ধকেই জিহাদ বলে মনে করছে। জিহাদের নানা ধরনের ব্যাখ্যা আছে। এখানে একটি মজার ব্যাপার আছে। কওমি মাদরাসায় লেখাপড়া করলেই আরবিতে কথা বলা যায় না। কারণ কওমি মাদরাসার লেখাপড়ার যে ভাষা তা ইংরেজি বা বাংলা তো নয়ই, এমনকি আরবিও নয়। তারা যে লেখাপড়া করছে তা হচ্ছে উর্দু। তারা উর্দু ভাষায় পড়াশোনা করছে। ভারত থেকে কিছু উর্দু কিতাব এনে তারা স্থানীয়ভাবে তা পুনর্মুদ্রণ করে পড়ার ব্যবস্থা করে। তারা মনে করে, উর্দু,পাকিস্তান, ইসলাম এগুলো বোধ হয় সমার্থক শব্দ। এমনকি যারা মূল ধারার মাদরাসায় পড়ে তারাও আরবিতে কথা বলতে পারে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, কোরআন-হাদিস পড়া এবং আধুনিক আরবি ভাষা শিক্ষা করা এক কথা নয়। দেড় হাজার বছরের ব্যবধানে আরবি ভাষার অনেক রূপান্তর হয়েছে। মাদরাসায় যে বই পড়ানো হয় তা আরবি থেকে উর্দুতে অনুবাদ করা। সেখান থেকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়। এ অনুবাদ কতটা সঠিক তা বলা বেশ দুষ্কর।
আলোকিত বাংলাদেশ : যুক্তরাজ্য সম্প্রতি স্বীকার করেছে যে, ইরাক আক্রমণ ভুল ছিল। মূলত ইরাক থেকেই আইএসের জন্ম। তাহলে কি আমরা এ অভিযোগ করতে পারি না যে, মূলত পশ্চিমা শক্তির কারণেই বর্তমান পর্যায়ে ইসলামী উগ্রবাদের সৃষ্টি হয়েছে?
ড. মীজানুর রহমান : মধ্যপ্রাচ্য এবং ইরাকে যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে সে জন্য আমরা অনেককেই দায়ী করতে পারি। পশ্চিমা শক্তির কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদশালী দেশগুলোতে ছিন্নভিন্ন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা এদের ফাঁদে পা দিলাম কেন? আমরা বলি, ‘সব মুসলমান ভাই ভাই।’ এটা আসলে ঠিক নয়। কারণ সব মুসলমান কখনোই ভাই ভাই ছিল না। আমরা আজ যে সন্ত্রাসী অবস্থা প্রত্যক্ষ করছি তা কিন্তু আজকেই শুরু হয়েছে তা নয়। খোলাফায়ে রাশেদিনের চার খলিফার মধ্যে অধিকাংশই হত্যার শিকার হয়েছেন। মুসলমানদের মধ্যে ধর্মাচারে এত ধরনের বিভক্তি আছে, তা আমাদের দেশের মানুষ আগে তেমন একটা জানত না। এখন তারা এটা জানতে পারছে। ইসলামের মধ্যে এ বিবিধ ধরনের বিভক্তি তা ইসলামের সূচনাকাল থেকেই চলে আসছে। এ বিভক্তি নিয়েই মূলত মারামারি চলে আসছে। বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশে ইসলাম আসে সুুফিবাদের মাধ্যমে অর্থাৎ পীর-আউলিয়া এদের মাধ্যমে। আইএস বলছে, বিশ্বে একটাই ইসলাম হবে এটা বিশুদ্ধ ইসলাম। এরা মনে করে, আমি যেটা বিশ্বাস করি সেটাই সত্যি অন্য সব মিথ্যা। ফলে আমার বিপক্ষে কেউ অবস্থান নিলে তাকে কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। তারা পিউর ইসলাম কায়েম করতে চায়।
আলোকিত বাংলাদেশ : সমাজের উচ্চবিত্ত এবং উচ্চশিক্ষিত তরুণদের একাংশ সন্ত্রাসবাদে যুক্ত হচ্ছে। এটা নিয়ন্ত্রণে সরকার কী ব্যবস্থা নিতে পারে বলে মনে করেন?
ড. মীজানুর রহমান : সরকার এ জন্য নানা ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে। বর্তমানে আমরা যে অবস্থায় আছি তাতে সরকার তাৎক্ষণিকভাবে স্বল্প মেয়াদি ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রাথমিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে এদের প্রতিরোধ করতে হবে। সারা বিশ্বেই জঙ্গি দমনের কৌশল হচ্ছে, ধরো, মারো, শেষ করে দাও। আপনি যদি লক্ষ  করেন তাহলে দেখবেন, ইউরোপ-আমেরিকায়ও কোনো সন্ত্রাসী গ্রেফতার হয় না। তাদের শেষ করে ফেলা হয়। কল্যাণপুরে জঙ্গি হত্যার ঘটনায় দেশব্যাপী জঙ্গিদের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বেশ কয়েকজন জঙ্গি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। জঙ্গি দমনে সরকার দুই ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রথমত, জঙ্গিদের কোনো ধরনের ক্ষমা না করা এবং পাশাপাশি অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করা, যাতে তারা সন্তানদের এ পথ থেকে বিরত রাখতে উদ্যোগী হয়। যারা সন্ত্রাসী কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে তাদের প্রায় সবাই না বুঝেই এ কাজ করেছে। কাজেই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করার আছে। তারা ক্লাসে ছাত্রদের জঙ্গি কার্যক্রমের পরিণতি সম্পর্কে অবহিত করতে পারেন। যারা জঙ্গি কার্যক্রম থেকে ফিরে আসতে চাইবে তাদের ফিরিয়ে এনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। যারা আত্মসমর্পণ করবে, তাদের ব্যবহার করে অন্যদের বিপথ থেকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। বাঙালিদের শাশ্বত ঐতিহ্য কখনোই জঙ্গিবাদকে ধারণ করে না। এটা সবাইকে বোঝাতে হবে। বাঙালি ইসলামকে তার নিজের মতো করেই ধারণ করবে। আমাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই।
আলোকিত বাংলাদেশ : একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসেবে আপনি জঙ্গিবাদ দমনে কীভাবে অবদান রাখতে পারেন?
ড. মীজানুর রহমান : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদ দমনে ইসলামের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে আমি সবাইকে বলেছি, আপনি আপনার সন্তানের প্রতি খেয়াল রাখবেন। হঠাৎ করে তার মাঝে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসে কিনা সেটা লক্ষ রাখতে হবে। পরিবার, বিদ্যালয় এবং বন্ধুবান্ধব যদি এ বিষয়গুলো লক্ষ রাখে তাহলে জঙ্গিবাদ দমন করা বেশ সহজ হবে।
আলোকিত বাংলাদেশ : সাক্ষাৎকার দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ড. মীজানুর রহমান : আপনাদেরও ধন্যবাদ।