আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১২-০১-২০১৭ তারিখে পত্রিকা

প্রয়োজন মাত্র ০.১৭ পয়েন্ট

ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে ডিএসইএক্স সূচক

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে। এর জন্য প্রয়োজন মাত্র ০.১৭ পয়েন্ট। ডিএসইএক্স নামের এ নতুন সূচকের যাত্রা শুরু হয় ৪ বছর আগে। এর মধ্যে ডিএসইএক্সের সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৫৩৩৪ পয়েন্ট। বুধবার লেনদেন শেষে তা ৫৩৩৩ পয়েন্ট এসে দাঁড়িয়েছে। 
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইএক্স যাত্রা শুরু করেছে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি। এর মধ্যে এ সূচক ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর সর্বোচ্চ ৫৩৩৪.০৪ পয়েন্টে উঠেছিল। আর চলতি বছরের বুধবার (১১ জানুয়ারি) লেনদেন শেষে এ সূচক ৫৬.৪৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩৩৩.৮৮ পয়েন্ট। ফলে ডিএসইএক্সের সর্বোচ্চ সূচকের ইতিহাস গড়তে প্রয়োজন মাত্র ০.১৭ পয়েন্ট।
এদিন ডিএসইতে ১ হাজার ৭০৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গেল সাড়ে ৫ বছর বা ২০১১ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন।
বুধবার ব্যাংকিং খাতের মোট লেনদেন হয়েছে ১১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৮ কোটি টাকা। আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৪৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা বা ৬৪.২৫ শতাংশ। বাজার মূলধনেও ব্যাংকিং খাতের অবদান আগের কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে ১.১৩ শতাংশ। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনে মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার বেড়েছে ৪০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। বুধবার এ খাতের লেনদেন হয়েছে ১১৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। যেখানে মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৭৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের লেনদেন একদিনের ব্যবধানে ৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা। প্রকৌশল খাতের লেনদেন মঙ্গলবার ছিল ২৭৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ৩৫৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৮১ কোটি ১৭ লাখ টাকা বেশি। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের লেনদেন বেড়েছে ১৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। মঙ্গলবার এ খাতের লেনদেন হয়েছিল ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ৫৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। তবে বাজার মূলধনে এ খাতের অবদান আগের দিনের তুলনায় কমেছে ০.০৯ শতাংশ। 
বস্ত্র খাতের লেনদেন বেড়েছে ৭৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। মঙ্গলবার এ খাতের লেনদেন হয়েছিল ১৭৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ২৫৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। বুধবার বাজার মূলধনে বস্ত্র খাতের অবদান ছিল ১৫.১৪ শতাংশ, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৮৫ শতাংশ বেশি। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন বেড়েছে ৪৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মঙ্গলবার এ খাতের লেনদেন হয়েছিল ১৪৩ কোটি ৮৪ কোটি টাকা। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ১৮৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা। বীমা খাতের লেনদেন বেড়েছে ২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মঙ্গলবার বীমা খাতের লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। বুধবার লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। একইসঙ্গে বাজার মূলধনে বীমা খাতের অবদান বুধবার ছিল ২.১৯ শতাংশ, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৮৪ শতাংশ বেশি। 
বুধবার ডিএসইতে ৩২৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৪টি বা ৫৯.৫১ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। আর ১১৭টি বা ৩৫.৮৯ শতাংশ কোম্পানির দর কমেছে এবং ১৫টি বা ৪.৬০ শতাংশ কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।


খবরটি পঠিত হয়েছে ৪৪০ বার