আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৯-১০-২০১৭ তারিখে পত্রিকা

ব্যস্ত ইলোরা গহর

বিনোদন প্রতিবেদক
| বিনোদন

চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকেই অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী অভিনেত্রী ইলোরা গহর। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নয়ীম গহরের মেয়ে তিনি। ৭ অক্টোবর ছিল নয়ীম গহরের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। তার বাবার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অনেকেই দিনটিকে বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন। এ কারণে ইলোরা গহর কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি। ইলোরা গহর টিভি নাটকে এবং চলচ্চিত্রে অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বর্তমানে ইলোরা গহর আলভী আহমেদের ‘নিউ জেনারেশন’, এসএ টিভিতে প্রচারিত ‘তুমি আছো তাই’, অসীম গোমেজের ‘উথাল তরঙ্গ’ ধারাবাহিকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়া সম্প্রতি তিনি শেষ করেছেন নাহিদ বাবুর নির্দেশনায় ‘তোমাকে চাই’ খ-নাটকের কাজ। এদিকে সম্প্রতি ইলোরা গহর শেষ করেছেন সৈকত নাসিরের ‘পাষাণ’ চলচ্চিত্রের কাজ। এছাড়া শুটিং আটকে আছে সোহেল আরমান নির্দেশিত ‘ভ্রমর’ চলচ্চিত্রের কাজ। আসছে শীত মৌসুমে আবার চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন। ১৯৭৯ সালে মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন ইলোরা গহর। একই বছর তিনি বাচসাস পুরস্কারও লাভ করেন। ইলোরা গহর প্রথম নাটকে অভিনয় করেন আবদুল্লাহ আল মামুনের রচনা ও আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় ‘তুমি সেই প্রজাপতি’ নাটকে। ১৯৮৯ সালে বিটিভিতে সর্বশেষ এ দুইজন মানুষের রচনায় ও প্রযোজনায় অভিনয় করেন ‘অসময়ের অতিথি’ নাটকে। বিরতির পর মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ ও ‘চড়–ইভাতি’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বেশ আলোচনায় আসেন তিনি। দুইটি সিনেমায় তিনি শিক্ষিকা ফাহমিদার চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর ইলোরা শঙ্খদাশ গুপ্তের ‘হ্যালো অমিত’ ও ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘মধুমতি’ সিনেমায় অভিনয় করেন। এদিকে আজ ৯ অক্টোবর ইলোরা গহরের জন্মদিন। জন্মদিনের আগের দিন এবং পরের দিন শুটিং রাখলেও জন্মদিনে তিনি কোনো শুটিং রাখেননি। ইলোরা গহর বলেন, ‘জন্মদিনটি আসলে একান্তই নিজের আর নয় এখন। আমার যারা ভক্ত আছেন, তারা আমাকে অনেক শুভেচ্ছা জানান; অনেকেই মুঠোফোনে কথা বলে তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। আবার অনেকেই দেশের বাইরে থেকেও শুভেচ্ছা জানান। আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ হয়েও মানুষের এত শ্রদ্ধা, ভালোবাসা পাই, মনে হয় এ যেন সার্থক জন্ম এ দেশে জন্ম নিয়ে। বাবার গানের কথার সূত্র ধরেই বলতে হয়, জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো। সত্যিই জন্ম আমার ধন্য হলো এমন দেশে জন্মে।’