আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৫-১১-২০১৭ তারিখে পত্রিকা

৭ মার্চ ভাষণের স্বীকৃতি

সারা দেশে আনন্দ শোভাযাত্রা আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
| প্রথম পাতা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয়ায় সরকারের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজ রাজধানীসহ সারা দেশে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ বের করা হবে। শুক্রবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দুপুর ১২টায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শোভাযাত্রা শুরু হবে। জেলা-উপজেলায়ও বর্ণাঢ্যভাবে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। সচিব বলেন, জাতির পিতার ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কো ‘ঐতিহাসিক দলিল’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এ উপলক্ষে সরকারের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজ আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হচ্ছে। এ শোভাযাত্রায় সর্বস্তরের মানুষকে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। শফিউল আলম বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে আনন্দ শোভাযাত্রা রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে শুরু হয়ে কলাবাগান-সায়েন্সল্যাব হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গিয়ে শেষ হবে। তিনি বলেন, সভায় বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। স্বাগত বক্তব্যের পর ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। লেজার শোর মাধ্যমে শেষ হবে আনন্দ শোভাযাত্রা পরবর্তী সভা। শোভাযাত্রায় মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিশু-কিশোর, ক্রীড়া সংগঠক, খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ, সাংস্কৃতিককর্মী ও সংগঠক, শিল্পকলা একাডেমি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, এনজিও, স্কাউটস ও রোভারের সদস্যরা অংশ নেবেন। এছাড়া পুলিশের সুসজ্জিত ঘোড়া, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুসজ্জিত বাদকদল, সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি এবং সর্বস্তরের জনগণও আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন বলে জানান সচিব। জেলা-উপজেলায়ও আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে জানিয়ে শফিউল আলম জানান, সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে জেলা-উপজেলায় এ কর্মসূচি শুরু করা হবে। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায়ে সবাই মিলিত হবেন শোভাযাত্রায়। জেলা শহরে বিভিন্ন স্থান থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে এক জায়গায় মিলিত হয়ে অনুষ্ঠান হবে। আনন্দ শোভাযাত্রা নিয়ে কোনো রাজনীতি নেই জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যখন ঘোষণা করা হয়েছিল তখনও রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুষ্ঠান করেছি, একইভাবে এটি করা হচ্ছে। এটি আমাদের জন্য বড় অর্জন। দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্যই বড় অর্জন। এখানে কোনো রাজনৈতিক বিষয় নেই, এটি বাংলাদেশের অর্জন।