আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৫-১১-২০১৭ তারিখে পত্রিকা

রেশম কর্মীদের বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগ নেই

রাজশাহী ব্যুরো
| নগর মহানগর

বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের একটি ফার্মের নাম পি-৩। এখানে তুঁতগাছ চাষ করে গবেষণার কার্যক্রম চলে। ফার্মটিতে কর্মীর সংখ্যা ২৮। দীর্ঘদিন ধরে বোর্ডের কাছে এসব কর্মীর বকেয়া আছে প্রায় ১৮ লাখ টাকা। দৈনিক মজুরিভিত্তিক এ কর্মীদের বকেয়া পরিশোধের কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।

রেশম বোর্ডের সিবিএ সভাপতি আবু সেলিম জানান, ২০১৫ সালের জুলাই মাসে অর্থ মন্ত্রণালয় অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে রেশম বোর্ডের এ ফার্মের শ্রমিকদেরও মজুরি নির্ধারণ করে। সে অনুযায়ী ওই বছর থেকেই দক্ষ শ্রমিকরা দৈনিক ৫০০ এবং অদক্ষরা সাড়ে ৪০০ টাকা করে পাওয়ার কথা। কিন্তু রেশম বোর্ড মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনা আমলে নেয়া হয় ২০১৬ সালের মার্চে। ওই সময় থেকে শ্রমিকদের নতুন হারে মজুরি পরিশোধ করা হচ্ছে। কিন্তু নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারিত হওয়ার পরও সাত মাস তাদের আগের হারেই মজুরি পরিশোধ করা হয়। ফলে ওই সাত মাসে শ্রমিকদের পাওনা হয়ে যায় ১৮ লাখ টাকা। দীর্ঘসময় ধরে এ বকেয়া পরিশোধ করছে না রেশম বোর্ড। ফার্মের কর্মীরা জানান, বকেয়া আদায়ে তারা বিভিন্ন সময় কর্মবিরতি পালন করেছেন। রেশম বোর্ডের মহাপরিচালককে ঘেরাও পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু তিনি বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগ নিচ্ছেন না। আর এ কারণে কর্মীদের মনোবল ভাঙছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফার্মের কার্যক্রম। সিবিএ সভাপতি জানান, বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবিতে তারা বৃহস্পতিবার অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচিও পালন করেন।