আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

মৌরিতানিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে সর্বশেষ ভোট

আলোকিত ডেস্ক
| আন্তর্জাতিক

মৌরিতানিয়ায় শনিবার তিনটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এ নির্বাচনকে রাষ্ট্রপ্রধান মোহাম্মদ আবদেল আজিজের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। গ্রিনিজমান সময় ০৭০০টায় ভোটকেন্দ্রগুলোয় ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং ১২ ঘণ্টা পর ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি নাগাদ ফল ঘোষণা করা হবে। এ নির্বাচনে কোনো আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকছেন না। বিরোধী দলগুলো ২০১৩ সালের নির্বাচন বয়কট করেছিল। এবারের আইন পরিষদ, আঞ্চলিক ও স্থানীয় নির্বাচনে ৯৮টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রয়োজন হলে সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ দ্বিতীয় দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৬১ বছর বয়সি আজিজ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসেন। তিনি ২০০৯ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন। দেশটিতে রাষ্ট্রপ্রধানের মেয়াদ পাঁচ বছর। তার বিরুদ্ধে বিরোধী মত ও দলের সদস্য এবং মানবাধিকার এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে। তিনি একজন সাবেক সিনেটরকে গ্রেপ্তার করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একজন ব্লগারকে ‘গোপনীয়ভাবে’ আটক করার অভিযোগ রয়েছে।
যদিও আজিজ কয়েকবার বলেছেন, তিনি তৃতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। কিন্তু তার মন্ত্রী ও সমর্থকদের বিবৃতি বিরোধীদের এ ব্যাপারে সন্দিহান করে তুলছে। দেশটির সংবিধানে কোনো ব্যক্তি তিনবার রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। বিরোধী দল নির্বাচন বয়কট করা সত্ত্বেও চূড়ান্ত নির্বাচনি সমাবেশে বিপুল জনসমাগম লক্ষ করা গেছে। আজিজ বিরোধী নেতাদের ‘ভিলেন’ ও ‘গোলযোগ সৃষ্টিকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি কয়েকজন বিরোধী নেতাকে ‘বিপজ্জনক ইসলামী চরমপন্থি, কট্টরপন্থি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এরা দেশের উন্নয়নকে রুখে দিতে চায় বলে মন্তব্য করেন।
এ সপ্তাহের গোড়ার দিকে তিনি ‘রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হলেই অস্ত্র তুলে নেবে’ বলে ইসলামী চরমপন্থিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তার এ মন্তব্যের কড়া জবাব দেন ইসলামপন্থি দল তেওয়াসুলের নেতা বেমিল ওলুদ মেনসুর। তিনি বলেন, ‘আজিজ অস্ত্রের জোরে একটি নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছেন। তিনি গণতন্ত্রের কবর দিয়েছেন।’ সূত্র : বাসস