আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৩-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

স্ট্রাইক রেট ভাবনা মিঠুনের

স্পোর্টস রিপোর্টার
| খেলা

জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন মোহাম্মদ মিঠুন। আবার একটি ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগই পাননি। সর্বশেষ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে টাইগার দলের ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গী হয়েছিলেন শেষ এশিয়া কাপের স্কোয়াডে আবার দলে ফিরেছেন তিনি। এবার অবশ্য ওপেনিং নয়, দলে সুযোগ হলে সাতে সাব্বির রহমানের জায়গাতেই খেলার সম্ভাবনা বেশি তার। ‘এ’ দলের হয়ে আয়ারল্যান্ড সফরে লোয়ার মিডল অর্ডারে বেশ রান করেছেন মিথুন। তাই এশিয়া কাপের একাদশে টাইগার ব্যাটিং অর্ডারে ৭ নম্বর পজিশনে ভাবা হচ্ছে মিঠুনকেই।

দলের প্রয়োজনে ব্যাটিং পজিশন পরিবর্তনকে পাত্তা দিচ্ছেন না মিঠুন। ওপেনিং, মিডল অর্ডার অথবা লোয়ার মিডল অর্ডার যে কোনো পজিশনেই ব্যাট করতে প্রস্তুত এ টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান। গতকাল মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমকে মিঠুন বলেন, ‘আসলে দলের যখন একটা জিনিস প্রয়োজন হয়, সেই জায়গায় নিজের পছন্দের দিকে লক্ষ্য করার কিছু নেই। সবার একটা লক্ষ্য থাকে, সেটা সবসময় পেরুনো যায় না। দলের স্বার্থে সব জায়গায় নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে। যেখানেই আমি খেলব, আমার লক্ষ্য থাকবে নিজের শতভাগ দেওয়া। আমার দ্বারা যেন দল উপকৃত হয়।’ ২৮ বছর বয়সি এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জানান, এশিয়া কাপে সুযোগ পেলে স্ট্রাইক রেট ধরে রেখে ব্যাট করবেন। তিনি বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারের প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত আমি যা খেলেছি, সবই ইতিবাচক খেলার চেষ্টা করেছি সবসময়। এমনকি আমি উইকেটে নেমে খুব বেশি সময় নিই না সেট হওয়ার জন্য। আমি প্রথম থেকেই চেষ্টা করি, রানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এবং স্ট্রাইক রোটেট করার জন্য। সুতরাং, ৬ কিংবা ৭ নম্বরে কিন্তু সেটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, নেমেই স্ট্রাইক রোটেট করতে হবে। স্ট্রাইক রোটেট আমার ন্যাচারেই আছে, তাই খুব বেশি চিন্তা করার কিছু নেই।’ মিঠুন যোগ করেন, ‘আমি যেহেতু ছোটবেলা থেকে এভাবেই খেলে অভ্যস্ত, হয়তোবা আগে নতুন বলে খেলতাম বা উপরে অনেক সময় নিয়ে খেলতাম। যদিও এখন হয়তো সময় কম পাব। তবে ৬ কিংবা ৭ খেললে ১১০-১১৫, ১২০, ১৩০ স্ট্রাইক রেটে খেলতে হবে। একেক সময় পরিস্থিতি একেকটি ডিমান্ড করবে। তবে এ ধরনের স্ট্রাইক রেটে খেললে আমার মনে হয় যথেষ্ট ভালো হবে।’
ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছিলেন সেই ২০১৪ সালে। কিন্তু সাকুল্য তিনটি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছে তার। তবে এখন থেকে জাতীয় দলে নিয়মিত হতে চান মিঠুন, ‘আসলে কারোরই প্রত্যাশা থাকে না শুধু দলে সুযোগ পাওয়া। অবশ্যই দলে সুযোগ পেয়ে দলের জন্য কিছু করা বা নিজের জায়গাটা পাকা করাটাই থাকে মূল উদ্দেশ্য। এরপরও কখনও হয়, কখনও হয় না। মানুষের জীবন সবসময় একরকম যায় না। সব চেষ্টা যে সফল হবে, সেটাও নয়। আমরা চেষ্টা করতে পারি, আমাদের ক্যারিয়ার কীভাবে আরও সুন্দর করা যায়। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা এবং নিজের চেষ্টা।’ এমনিতে উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান, তবে জাতীয় দলে সেটার সুযোগ মেলার সম্ভাবনা কমই। মুশফিকুর রহিম আছেন, ওপেনিংয়ে তামিমের সঙ্গে জুটি বাঁধার সম্ভাবনা যার বেশি, সেই লিটন দাসও উইকেটকিপার। আপাতত তাই উইকেটকিপিং নিয়ে ভাবছেন না মিঠুন, ‘আমি তো কিপিং করি না (জাতীয় দলে), আমার চাপ নেওয়ারে কিছু নেই। কিপিং আমি ছোটবেলা থেকে করি, সেটার জন্য আমার আলাদা করে প্রস্তুতি নেওয়ারও কিছু নেই।