আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৩-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

বিমসটেক নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
| প্রথম পাতা

বিএনপির সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না

বি. চৌধুরী, ড. কামাল ও মান্নার জোটকে স্বাগত

তাড়াহুড়ো করে ইভিএম চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন ইনশাল্লাহ হবে। নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না। জনগণ সঙ্গে থাকলে এ ইলেকশন কেউ বানচাল করতে পারবে না। এটি হচ্ছে সাফ কথা। বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রশ্নই ওঠে না এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কেউ নির্বাচনে আসবে, কী আসবে না, এটি তাদের দলের ব্যাপার। এখানে তো আমাদের বাধা দেওয়ার কিছু নেই বা দাওয়াত দেওয়ারও কিছু নেই। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতির পক্ষে আছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে আসার জন্য আমি সবসময় পক্ষেই ছিলাম, এখনও আছি। তবে এটিও ঠিক তাড়াহুড়ো করে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। কারণ একটা প্র্যাকটিসের ব্যাপার আছে।’ এদিকে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্নারা যে জোট গঠন করেছেন তাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি ভালো। আশা করি উনারা নির্বাচনে আসবেন, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে।’

রোববার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে ৩০ ও ৩১ আগস্ট নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ৪র্থ ‘বে অব বেঙ্গল ইনেশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন’ (বিমসটেক) সম্মেলনের বিষয় তুলে ধরেন। 

নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের পাশাপাশি ড. কামাল হোসেনের বক্তব্যের পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইলেকশন ইনশাল্লাহ হবে। ইলেকশন কেউ ঠেকাতে পারবে না। জনগণ সঙ্গে থাকলে এ ইলেকশন কেউ বানচাল করতে পারবে না। এটি হচ্ছে সাফ কথা। ফাঁকা হাঁড়ি বাজে বেশি। জনগণ বুঝে গেছে গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে দেশে উন্নয়ন হয়। মানুষ এখন অনেক সচেতন। তাছাড়া ওই সুদখোর ঘুষখোরদের কেন সঙ্গ দেবে মানুষ। তিনি বলেন, যে দেশে আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে, সেখানে আমাকেও এমনভাবে হত্যা করার চেষ্টা করা হবে এটি আমি জানি; চেষ্টাও করে যাচ্ছে। বারবার ব্যর্থ হয়েছে। এসব জেনেই আমি রাজনীতি করতে এসেছি। আর আমি মৃত্যুর ভয় করি না। আল্লাহ যখন যেভাবে মৃত্যু লিখে রেখেছে সেভাবেই হবে। তাই যতক্ষণ শ্বাস আছে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাব। এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ যদি এ দেশের উন্নয়ন চায় তাহলে নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। যদি আবার আমরা ক্ষমতায় যেতে পারি তাহলে এ দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখব এবং ২০২১ সালে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। দেশের মানুষ উন্নত জীবন পাবে। আর আমরা যদি ক্ষমতায় না আসতে পারি তাহলে যারা এতিমের টাকা মেরে খেয়েছেন তারা আবার ক্ষমতায় আসবে। তারা আবার দেশের সম্পদ লুটপাট করবে।
আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না : বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রশ্নই ওঠে না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার ছেলে মারা যাওয়ার পর যখন বাসায় দেখতে গেলাম, তারা আমার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিল, ভেতরে ঢুকতে দিল না। সেই দিনই আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি, আর তাদের সঙ্গে আমি বসব না, কোনো আলোচনা হবে না। তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রশ্নই ওঠে না। আপনারা যে যা-ই বলেন না কেন, ক্ষমতায় থাকি আর না থাকি, তাতে কিছুই আসে যায় না। আমার একটা আত্মসম্মানবোধ আছে। অপমানের একটা সীমা আছে। যারা দিনের পর দিন আমার বাড়িতে এসে পড়ে থাকত, তারা যখন আমার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেওয়ার সাহস রাখে, আমি তখন তো অ্যারেস্ট করিনি। যখন তারা পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ মারল, তখনই অ্যারেস্ট করা উচিত ছিল। তখন আমি সহনশীলতা দেখিয়েছি। মানুষগুলোকে সাহায্য করেছি।
খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা তো তাকে রাজনৈতিকভাবে গ্রেপ্তার করিনি। এ মামলাও আমরা দেইনি। এ মামলা দিয়েছে খালেদা জিয়ারই কাছের লোকজন। মুক্তি পেতে হলে কোর্টের মাধ্যমে আসতে হবে। আর দ্রুত মুক্তি পেতে চাইলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’ তিনি বলেন, বিএনপির এত নামিদামি আইনজীবী, ব্যারিস্টার অমুক-তমুক রয়েছে। তারা কেন পারল না প্রমাণ করতে যে খালেদা জিয়া নির্দোষ, তারা এতিমের টাকা নেয়নি। তাহলে এখানে আমাদের দোষ দিয়ে লাভটা কী। তাদের নেত্রী বন্দি হয়ে আছে, তাদের আন্দোলন কই? তারা আন্দোলন করুক। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি হুঙ্কার দিচ্ছে নির্বাচন করবে না। সেটি তাদের দলের ওপর নির্ভর করবে, এটি তাদের দলের সিদ্ধান্ত। আমাদের কী করার আছে? বিএনপি যদি মনে করে নির্বাচন করবে না, তাহলে করবে না। এখানে তো আমাদের বাধা দেওয়ারও কিছু নেই বা দাওয়াত দেওয়ার কিছু নেই, এটাই পরিষ্কার কথা।
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতা থেকে সরে গেলে যারা একবার ক্ষমতায় বসে তারা আর ছাড়তে চায় না। নির্বাচনের ব্যাপারে সংবিধানে বিধান সংরক্ষিত আছে। আমরা বহু অভিজ্ঞতা নিয়েছি। মার্শাল ল’ দেখলাম। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেখলাম। কারে বসাব, বসলে তো চেয়ার ছাড়ে না। আমরা আর অনির্বাচিত সরকারের হস্তক্ষেপ দেখতে চাই না। নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে তিনি বলেন, উচ্চ আদালত এ বিষয়ে একটি রায় দিয়েছেন। যদি সরকার মনে করে এ সুযোগ সরকার পরপর দু’বার নিতে পারে। তবে সংসদ সে সুযোগ নেয়নি। একটা সরকার থেকে আরেকটা সরকারে যে ট্র্রানজিশনাল সময়, এ সময়ে যেন কোনোও ফাঁক না থাকে সেজন্য এটা করা। এ প্রসঙ্গে ভারতের ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানান শেখ হাসিনা। 
গণমাধ্যমের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি তো গণমাধ্যমের খবরে অগ্রাধিকার পায়। তারা পার্লামেন্টে নেই, বৈধ বিরোধী দলও নয়। আমাদের এখানে মিডিয়ার কাছে তারা অগ্রাধিকার পাচ্ছে। আমার জায়গা হয় তিন চার পাঁচে এসে। তিনি বলেন, মিডিয়ার কাছে তারাই প্রিয়। আমাদের পান থেকে চুন খসতে পারবে না। খাও খাও করে ধরবে। আমাদের অপরাধ হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলন থেকে যাত্রা শুরু করে দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। আওয়ামী লীগ দেশ স্বাধীন করেছে এটাই মনে হয় আমাদের দোষ। 
ইভিএমের পক্ষেই ছিলাম : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইভিএম নিয়ে আসার জন্য আমি সবসময় পক্ষেই ছিলাম, এখনও আছি। তবে এটিও ঠিক তাড়াহুড়ো করে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। কারণ একটা প্র্যাকটিসের ব্যাপার আছে। তিনি বলেন, ইলেকশনটাকে স্বচ্ছ করার জন্য যা যা করার প্রয়োজন সবই কিন্তু আমরাই করেছি। কারণ মানুষের ভোটের অধিকার মানুষের হাতেই থাকুক। কাজ করেছি মানুষের জন্য, ভোট দিলে দিল না দিলে নেই, তাতে আমার কিছু আসে যায় না। এটার কারণ আছে সেটা পরে বলব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইভিএম ডিজিটাল বাংলাদেশেরই একটা পার্ট। এটি আস্তে আস্তে শুরু করা উচিত। কিছু কিছু জায়গায় শুরু হলে তো সমস্যা নেই। শহর এলাকায় এটি শুরু করা যেতে পারে। ত্রুটি পেলে বাদ দেওয়া যাবে, এটি নিয়ে বিএনপির এত আপত্তি কেন? তিনি বলেন, আমরা এখন টাকা পাঠাচ্ছি অনলাইনে, গাড়ি কিনছি অনলাইনে, সবজি কিনছি অনলাইনে। এটা ঠিক যে, প্রযুক্তি আমাদের সবসময়ই সুবিধা করে দেয় তা কিন্তু নয়। তিনি বলেন, আজকে ইভিএমের বিরুদ্ধে বিএনপি সবচেয়ে বেশি সোচ্চার। ভোটের রাজনীতিতে কারচুপি করা এটা তো স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিল জিয়াউর রহমান। আজকে বিএনপি যখন ভোটের কারচুপি নিয়ে কথা বলে তখন তাদের তো জন্মলগ্নটা দেখা দরকার। কোন জন্মের মধ্য দিয়ে তারা এসেছিল? ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের কথা সবার মনে আছে। যাদের জন্মটাই কারচুপির মধ্য দিয়ে তারা আবার কারচুপি নিয়ে কথা বলে।
একটা ভালো জোট হোক : আসন্ন নির্বাচন ঘিরে অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্নারা যে জোট গঠন করেছেন তাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এটা ভালো। আশা করি উনারা নির্বাচনে আসবেন, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে।’ শনিবার ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘নির্বাচন হবে কিনা তা-ও নিশ্চিত নয়’। এর প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার প্রশ্ন হচ্ছে ড. কামাল হোসেন আদৌ নির্বাচন চান কিনা। বাংলাদেশি একটা শ্রেণি বসে থাকে অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা দখল করার জন্য। কারণ অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় এলে তাদের গুরুত্ব বাড়ে।’
গত নির্বাচনে বেশিরভাগ সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটাও তো সাংবিধানিক। বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এতে আমাদের কী করার আছে। তিনিও (ড. কামাল হোসেন) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। জাতির পিতা নিজের আসন তার জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে সংবিধান প্রণেতা বলেন। তিনি তো নিজেও সংবিধান মানেন না।’ কামাল হোসেনের প্রসঙ্গ টেনে এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যদি উনি গরম গরম বক্তৃতা দেন তাহলে বুঝবেন উনার প্লেন রেডি।’ আ স ম আবদুর রব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এক সময় বলতাম অসময়ে নীরব, সুসময়ে সরব, তার নাম আ স ম আবদুর রব। ছোটবেলায় তাকে এ নামে জানত সবাই।’ মাহমুদুর রহমান মান্না প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগে পক্ষে লিখতে বললেই, মান্না করে দেয় কান্না। এমনকি আওয়ামী লীগে থাকার সময় সে দলের পক্ষে লিখতে পারত না।’
মিয়ানমার জঘন্য কাজ করেছে : ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ছবি মিয়ানমার বিকৃতি করার বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মিয়ানমার মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার ছবি নিয়ে জঘন্য কাজ করেছে। এতে দেশটি বিশ্বের কাছে তাদের সম্মান ও ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।’ বিগত সময়ে বিএনপি-জামায়াতের ছবি নিয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমার ছবি নিয়ে যা করল আমাদের দেশেও এ ঘটনা ঘটেছে। ছবি নিয়ে তেলেসমাতি কারবার। ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে বিএনপি-জামায়াতও এমন অপপ্রচার চালিয়েছে। এটা এরা (মিয়ানমার) শিখল কার কাছ থেকে। বিএনপি-জামায়াতের কাছ থেকে কি ছবি বিকৃতি শিখেছে মিয়ানমার? এমন প্রশ্নও রাখেন প্রধানমন্ত্রী। মিয়ানমারের ছবি বিকৃতি এবং চুক্তি হওয়ার পরও রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রতিনিয়ত মিয়ানমারের সঙ্গে কথা বলছি। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাত চাই না। দেশটির ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। সহযোগিতা দিয়েছি। তাদের প্রত্যাবাসনে চুক্তিও হয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনাও চলছে। মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আপত্তিও করে না। তারা সবসময় ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলে কিন্তু কাজ করে না। কাজ করতে গেলেই কিছু একটা বাধা আসে বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আমি আশাবাদী।’