আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৪-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

ওভাল টেস্ট শেষে অবসরে কুক

স্পোর্টস ডেস্ক
| খেলা

অর্জনের মধ্য দিয়েই খেলোয়াড়দের বিদায় নেওয়া একটা রীতি। সেই রীতিতেই হাঁটলেন অ্যালিস্টার কুক। ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতেই অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। কোহলিদের বিরুদ্ধে ওভালে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতি টানবেন এ ইংলিশ তারকা। সোমবার অবসরের কথা নিজেই জানিয়েছেন ইংলিশদের সাবেক অধিনায়ক। ২০০৬ সালে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল কুকের। তাদের বিরুদ্ধে খেলেই ব্যাট-প্যাড তুলে রাখবেন এ ব্যাটসম্যান। ৩৩ বছরের কুক ইংল্যান্ডের হয়ে ১৬০ টেস্টে ১২ হাজার ২৫৪ রান করেছেন। তার টেস্ট রানের আশপাশে কোনো ইংলিশ ব্যাটসম্যানই নেই। নামের পাশে আছে ৩২টি সেঞ্চুরি, এটাও ইংলিশ ব্যাটসম্যান হিসেবে রেকর্ড। টেস্টে নিয়মিত থাকলেও ২০১৪ থেকে ওয়ানডে খেলছিলেন না তিনি। আর চলতি বছরে ব্যাটে রান না থাকায় অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। ইংল্যান্ডকে ৫৯টি টেস্ট ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া কুক অবসর বার্তায় বলেছেন, ‘দলকে দেওয়ার মতো নিজের মধ্যে অবশিষ্ট কিছু নেই বলে মনে হয়েছে। তাই সরে যাওয়ার এটাই সেরা সময়।’

ইংল্যান্ড ও ভারতের মধ্যকার পঞ্চম তথা সিরিজের শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামী শুক্রবার, ওভালে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই ৩-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছেন ইংলিশরা। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে ষষ্ঠ সর্বাধিক রান সংগ্রাহক কুক। ওপেনার হিসেবে রেকর্ড ১১ হাজার ৬২৭ রানের কোটা আগেই পার করেছেন। ২০০৬ সালে ভারতের বিপক্ষে নাগপুরে অভিষেক তার। ওই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত সেঞ্চুরি করেছিলেন। তার একযুগ পর থামার ঘোষণা দিলেন। বিদায়ী বার্তায় কুক আরও বলেছেন, ‘আমি যতটুকু কল্পনা করেছি, তার চেয়েও বেশি অর্জন করেছি, যা অর্জন করেছি তা কখনও কল্পনাই করিনি। এ সময়ে ইংল্যান্ডের অনেক গ্রেটদের সঙ্গেও খেলার সৌভাগ্য হয়েছে আমার।’ জেমস অ্যান্ডারসনের মতো ইংল্যান্ডের অনেক রেকর্ডের অধিকারী কুকের চলতি সিরিজটা মোটেই ভালো যাচ্ছে না। চার টেস্টের ১৬ ইনিংসে তার রান গড় ১৮.৬২। কোনো সেঞ্চুরি তো নেই, হাফ সেঞ্চুরিও মাত্র একটি। ১২ বছরের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ১৬০ টেস্টে ১২ হাজার ২৫৪ রান করেছেন কুক। ৪৪.৮৮ গড়ে ৩২ সেঞ্চুরির সঙ্গে আছে ৫৬ ফিফটি। ক্যারিয়ার সেরা ২৯৪ রান। নামের পাশে আছে সাদা পোশাকে ১৭৩টি ক্যাচ নেওয়ার কীর্তিও। টেস্টে সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার থাকলেও ৯২টির বেশি ওয়ানডে খেলা হয়নি কুকের। ৩৬.৪০ গড়ে ৫ সেঞ্চুরি ও ১৯ ফিফটির সঙ্গে সেরা ইনিংসটি ১৩৭ রানের। স্ট্রাইক রেট ৭৭.১৩ একেবারে মন্দও নয়। সেখানে শুধু চারটি টি-টোয়েন্টি খেলা হয়েছে বাঁ-হাতি এ ব্যাটসম্যানের। যাতে করেছেন ৬১ রান, সর্বোচ্চ ২৬।