আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৫-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

প্লাস্টিকের কাপে চা নয়

আলোকিত ডেস্ক
| শেষ পাতা

কাজের চাপ কাটাতে হোক বা অবসরের আড্ডায়, চা-কফির কোনো বিকল্প হয় না। আর বাড়ির বাইরে রাস্তার ধারের দোকানে দাঁড়িয়ে চা-কফি খাওয়া মানেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের কাপে খাওয়া। চিকিৎসকদের মতে, প্লাস্টিকের কাপে চা খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। তাদের মতে, প্লাস্টিকের তৈরি পানির বোতল ও শিশুদের দুধের বোতল, প্লাস্টিকের পাত্রের খাবার মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করা, প্লাস্টিক মোড়কে বিক্রি হওয়া খাবার, প্রসেস্ড ফুড, ইনস্ট্যান্ট নুডল্সÑ এমন বহু জিনিসের ব্যবহার ডেকে আনছে নানা রোগ।
গবেষকদের মতে, প্লাস্টিকের মধ্যে থাকা বিসফেনল-এ নামের টক্সিক এক্ষেত্রে বড় ঘাতক। গরম খাবার বা পানীয় প্লাস্টিকের সংস্পর্শে এলে ওই রাসায়নিক খাবারের সঙ্গে মেশে। এটি নিয়মিত শরীরে ঢুকলে মহিলাদের ইস্ট্রোজেন হরমোনের কাজের স্বাভাবিকতা বিঘিœত হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণু কমে যায়। হার্ট, কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং ত্বকও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি, স্তন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
গবেষণায় জানা গেছে, প্লাস্টিকের কাপ বানাতে সাধারণত যে যে উপাদান ব্যবহার করা হয়, সেগুলো বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে ক্লান্তি, হরমোনের ভারসাম্যতা হারানো, মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়াসহ একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যেমনÑ বোতল বা পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত পলিভিনাইল ক্লোরাইডকে (পিভিসি) নরম করা হয় থ্যালেট ব্যবহার করে। এ থ্যালেট আমাদের শরীরের পক্ষে বিষ। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে এ রাসায়নিক নিয়মিত ঢুকতে থাকলে শ্বাসকষ্ট, স্থূলতা, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, কম বুদ্ধাঙ্ক, অটিজম, ব্রেস্ট ক্যান্সারের মতো অসুখ শরীরে বাসা বাঁধে। সূত্র : জিনিউজ