আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৫-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

নৌ নিরাপত্তায় হবে সাতটি কোস্টাল রেডিও স্টেশন ও লাইট হাউজ

| খবর

নৌ নিরাপত্তা প্রসার ও নৌ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উন্নতির লক্ষ্যে অত্যাধুনিক ‘কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাতটি কোস্টাল রেডিও স্টেশন ও লাইট হাউজ (বাতিঘর) স্থাপন করা হবে। ‘গ্লোবাল মেরিটাইম ডিসট্রেস অ্যান্ড সেইফটি সিস্টেম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড মেরিটাইম নেভিগেশন সিস্টেম’ (জিএমডিএসএস অ্যান্ড আইএমএনএস) প্রকল্পের আওতায় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ২৪ ঘণ্টা জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থার (আইএমও) আন্তর্জাতিক কনভেনশনের চাহিদা পূরণ, আধুনিক নেভিগেশনাল সহায়তা, ভেসেল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নৌ নিরাপত্তা প্রসারিত করা সম্ভব হবে। এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকার আগারগাঁওয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং কার্যালয়ের অষ্টম তলায় ‘কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’ স্থাপন করা হবে। সোমবার আগারগাঁওয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। 

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ‘নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম চৌধুরী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমানে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন ও কুতুবদিয়ায় অবস্থিত লাইট হাউজগুলো আধুুনিকীকরণ এবং নিঝুমদ্বীপ, ঢালচর, দুবলারচর ও কুয়াকাটায় নতুন লাইট হাউজ ও কোস্টাল রেডিও স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে মেরিটাইম ডিজাস্টার ব্যবস্থাপনা উন্নতিসহ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় এলাকায় সব ধরনের জাহাজ, নৌকা, ট্রলার ইত্যাদি উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করা যাবে। এছাড়া সমুদ্রের যে কোনো স্থানে জাহাজ বিপদগ্রস্ত হলে জিএমডিএসএস সিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো জাহাজের অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব হবে এবং পাশাপাশি পার্শ¦বর্তী যে কোনো দেশের মেরিটাইম রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের মাধ্যমে সেই জাহাজ ও জাহাজের নাবিকদের অবস্থান নির্ণয় করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বা বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সাহায্যে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা সহজ হবে। 
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মাধ্যমে কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের (জিওবি) যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। এজন্য ব্যয় হবে ৪৫৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থ ১৬৪ কোটি ৪১ লাখ এবং কোরিয়ার প্রকল্প সাহায্য ২৯১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের কাজ কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান এলজি-সামহিকন সোর্টিয়াম যৌথভাবে সম্পাদন করবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি