আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৬-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

রংপুর সরকারি হাঁস-মুরগির খামার আধুনিকায়ন হচ্ছে

রংপুর ব্যুরো
| নগর মহানগর

সাড়ে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে রংপুর সরকারি হাঁস-মুরগি খামারটি। পুরানো জরাজীর্ণ শেডের পরিবর্তে করা হবে অত্যাধুনিক দ্বিতল শেড। খামারটি নিরাপদে রাখতে নির্মিত হবে সুউচ্চ সীমানা প্রাচীর। থাকবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ পাকা সড়ক, দৃষ্টিনন্দন প্রধান ফটক। খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় ১১ একর জমির ওপর ১৯৫৭ সালে নগরীর কলেজ রোড আলমনগর এলাকায় খামারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। রংপুরের হাঁস-মুরগি খামার প্রকল্প হিসেবে ১৯৮৭ সালে এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত হয়। সে সময় ছয়টি হাঁস-মুরগির শেড দিয়ে শুরু হয় এ খামারের যাত্রা। বর্তমানে সেখানে শেডের সংখ্যা ১৯টি। বর্তমানে সেখানকার চারটি শেড একেবারে ব্যবহারের অনুপযোগী। বাকি শেডগুলোও সংস্কার করে চালানো হচ্ছে। খামারের অভ্যন্তরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিপাতে পানি জমে সেখানে। খামার ঘেঁসে গড়ে ওঠা বসতবাড়ি থেকে রান্নার বর্জ্য ফেলা হয়ে থাকে খামারের ভেতরে। এ বর্জ্য বাড়তে বাড়তে তা স্তূপে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ১৬ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা করেছে সংশ্লিষ্ট খামার কর্তৃপক্ষ। এজন্য একটি মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। এ প্ল্যানটি চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালকের (উৎপাদন) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মাস্টার প্ল্যানটি প্ল্যানিং কমিশনে আছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। এ প্ল্যানে রয়েছে, প্রতি ফ্লোর ৫ হাজার স্কোয়ার ফুটের চারটি দ্বিতল শেড। এতে ৪০ হাজার মুরগি পালন করা সম্ভব। বর্তমানে মুরগির সংখ্যা রয়েছে আড়াই হাজার। এর সঙ্গে রয়েছে সুউচ্চ সীমানা প্রাচীর, অভ্যন্তরীণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ, দৃষ্টিনন্দন প্রধান ফটক ও শেডগুলোতে যাতায়াতের জন্য অভ্যন্তরীণ পাকা সড়ক নির্মাণ করা হবে।