আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৭-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

খালেদার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কারাগারে আদালত বসানো হয়েছে : আইনমন্ত্রী

| নগর মহানগর

সমকাল পত্রিকা অফিসে বৃহস্পতিবার ‘সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা : প্রাতিষ্ঠানিক নীতি-কাঠামোর দাবি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ষ পিআইডি

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কারাগারে আদালত বসানো হয়েছে। এটি ক্যামেরা ট্রায়াল নয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সমকাল পত্রিকা অফিসে আয়োজিত ‘সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা : প্রাতিষ্ঠানিক নীতি-কাঠামোর দাবি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। হেকস/ইপার বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লিমিটেড এবং দৈনিক সমকাল এ বৈঠকের আয়োজন করে।
আইনমন্ত্রী বলেন, একটা কথা উঠেছে এটি ক্যামেরা ট্রায়াল। যে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছে, সেই প্রজ্ঞাপনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারির কারণ স্পষ্ট করে বলা আছে। তিনি বলেন, ক্যামেরা ট্রায়ালের সংজ্ঞা হচ্ছে যেখানে কাউকে কোনো পাবলিক বা মিডিয়াকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যেখানে শুধু বিচারক, আসামি আর প্রয়োজন হলে তার আইনজীবীকে রাখা হয়। এমনকি তার কোনো তথ্যাদি প্রকাশও করা যাবে না। এমন হলে ক্যামেরা ট্রায়াল হয়।
তিনি বলেন, ‘সাত মাস ধরে এই কোর্ট বসছে। এ সাত মাসে মূল আসামি কোর্টে হাজিরা দিচ্ছেন না। নিরাপত্তাজনিত কারণে বা অন্য কোনো কারণে তিনি যখন হাজিরা দিচ্ছেন না তখন সেটির সুবিধার্থে নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করার জন্য সেখানে কোর্ট বসানো হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, বুধবার আপনারা দেখেছেন জিয়া চ্যারিটেবল মামলার আসামি খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাহলে এটি প্রমাণিত হয়, এ কোর্ট সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। যেখানে আদালত বসানো হয়েছে সেখানে কারও প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ নয়। এটি ক্যামেরা ট্রায়ালের সংজ্ঞায়ও পড়ে না।
আদালতে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, এটি হয়তো তার ইমোশনাল বক্তব্য। একে আমি খুব একটা গুরুত্ব দেব না। এর আগে আলোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনে বর্তমান সরকার ফের ক্ষমতায় আসতে পারলে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বৈষম্য বিলোপ আইনটি পাস করা হবে। 
দৈনিক সমকাল পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তাফিজ শফির সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর নেতাসহ অন্যরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি