আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৭-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

এবার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জেলা সভাপতিসহ দুইজন

সিলেটে ফের আলোচনায় আওয়ামী ওলামা লীগ

সিলেট ব্যুরো
| নগর মহানগর

সিলেটে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে আওয়ামী ওলামা লীগ। এবার কুয়েত প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এসএম আবদুল আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন উলামা লীগের জেলা সভাপতি দাবিদার মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ছুরুকী। এর আগে ২০১৫ সালে শিশু আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ওলামা লীগের জেলা সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম রাকিবের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি আলোচনায় আসে।

৩১ আগস্ট সিলেট নগরীর তাঁতীপাড়ায় খুন হন কুয়েত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম আবদুল আহাদ। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নগরীর বন্দরবাজার এলাকা থেকে ওলামা লীগ নেতা মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ছুরুকী ও তার সহযোগী ফখরুল ইসলাম শান্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার শ্রীসূর্য ওসমান নগর গ্রামের বাসিন্দা ছুরুকী দক্ষিণ সুরমার টেকনিক্যাল রোডের খাদ্য গুদামের পেছনের একটি বাসায় থাকেন। অন্যদিকে জকিগঞ্জের বীরশ্রী গ্রামের বাসিন্দা শান্ত দক্ষিণ সুরমার সাধুর বাজার টেকনিক্যাল রোডে বসবাস করে আসছেন। মঙ্গলবার আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুধবার রাত থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) কোতোয়ালি থানার এসআই অনুপ কুমার চৌধুরী জানান, আটককৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আইও জানান, আর্থিক লেনদেনের জেরে এ হত্যাকা- ঘটে। তিনি জানান, বিষয়টি সামনে নিয়ে তারা মামলার তদন্ত এগোচ্ছেন। তদন্তের স্বার্থে এর বাইরে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। এসআই অনুপ কুমার চৌধুরী জানান, শুক্রবার (আজ) তাদের রিমান্ড শেষ হবে। এরপর তাদের আদালতে নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, মৌলভীবাজারের রাজনগর থেকে সিলেটে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় অংশ নিতে ৩০ আগস্ট সিলেট এসেছিলেন এসএম আবদুল আহাদ। পরের দিন ৩১ আগস্ট নগরীর তাঁতীপাড়ায় খুন হন তিনি। আবদুল আহাদ কুয়েত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এ ঘটনায় ২ সেপ্টেম্বর নিহতের স্ত্রী রাসনা বেগম বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় পাঁচ থেকে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এর আগে ২০১৫ সালের মার্চে সিলেট নগরীতে আবদুল মতিনের ছেলে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদকে (৯) অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হন সিলেট জেলা ওলামা লীগের তৎকালীন সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম রাকিব। এ মামলায় তিনিসহ আরও তিনজনের ফাঁসির আদেশ হয়। দ-প্রাপ্ত তিনজনই বর্তমানে কারাগারে।