আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৭-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

ধূমপান ত্যাগে নতুন ওষুধ!

আলোকিত ডেস্ক
| শেষ পাতা

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের আবিষ্কৃত এক ডজনেরও বেশি পদার্থের সমন্বয়ে তৈরি ওষুধটি শিগগিরই বাজারে পাওয়া যাবে। ওষুধটি ধূমপায়ীকে নিকোটিনের 

ওপর নির্ভরতা থেকে সংযত করবে, শরীরে নিকোটিনের অণু ছড়িয়ে পড়তে বিলম্বিত করবে। আর বিলম্বিত করার এ প্রক্রিয়াটিই ধূমপায়ীকে ধূমপান ত্যাগে সহায়তা করবে।
গবেষকরা বলছেন, নিকোটিন অন্যান্য ওষুধের মতো মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন ও সেরোটোনিন নামে দুটি রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে দেয়। ডোপামিন মস্তিষ্কে নিউরো ট্রান্সমিটার হিসেবেও কাজ করে। নিকোটিনের কারণে ছড়িয়ে পড়া ডোপামিন ও সেরোটোনিন অন্যান্য নার্ভ সেলকে সিগন্যাল পাঠিয়ে পুরো শরীরে এক ধরনের ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করে। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, নিকোটিন শরীরে ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করলেও শরীর তা ভালোভাবে নেয় না, এটিকে বের করে দিতে চায় অথবা ভেঙে ফেলতে চায়। মানুষের লিভার (যকৃত) নিকোটিনকে ভেঙে দিতে সিওয়াইপি২এ৬ নামে একটি এনজাইম তৈরি করে। এ এনজাইমে শরীরে নানা রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ অন্যতম। গবেষকরা লিভারে তৈরি হওয়া সিওয়াইপি২এ৬ এনজাইমকে প্রতিরোধ করে নিকোটিনের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করার প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছেন। ট্যাবলেট আকারে তৈরি করা এ ওষুধ গ্রহণ করে ধূমপায়ী একদিন ছেড়ে দিতে পারবে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, দৈনিক একটি সিগারেট পানেও স্বাস্থ্য ধ্বংসাত্মক হতে পারে। এ একটি সিগারেটও করোনারি হার্ট ডিজিজ অথবা স্ট্রোকের কারণ হয়ে থাকে। গবেষকরা বলছেন, ধূমপানের নিরাপদ মাত্রা নেই তাই ধূমপায়ীদের উচিত আজই ত্যাগ করা।
তামাকবিরোধী ক্যাম্পেইনাররা বলছেন, বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তামাক নিয়ন্ত্রণ কনভেনশনে স্বাক্ষর করলেও এখন পর্যন্ত তামাক নিয়ন্ত্রণে কোনো জাতীয় সংস্থা গঠন করতে পারেনি। সূত্র : এবেলা