আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৯-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

সাকিবের ফিটনেস নিয়ে জানা নেই সুজনের

স্পোর্টস রিপোর্টার
| খেলা

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলের সঙ্গে যাননি। এশিয়া কাপে আবার দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। এবার ম্যানেজার হয়েই যাচ্ছেন দলের সঙ্গে, নিশ্চিত করেছেন নিজেই। মিরপুর শেরেবাংলায় গতকাল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খালেদ মাহমুদ এমনটি জানান। 

গেল জানুয়ারিতে সাকিব যখন ফিল্ডিংয়ের সময়ে আঙুলে চোট পান, তখন দলের কোচ ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। আবার যখন শ্রীলঙ্কার নিদাহাস কাপ টি-টোয়েন্টি তে বাংলাদেশ খেলেছে, তখন ম্যানেজারের ভূমিকায় ছিলেন সুজন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলের সঙ্গে ছিলেন না, ছিলেন না এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে। সে কারণেই গ্যাপ সময়ের খবরটা সেভাবে রাখা হয়নি সুজনের।

সাকিবের ইনজুরির সঙ্গে তামিমের হাতের চোটটাও এখন ভোগাচ্ছে। তার ওপর তরুণ ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্তও পেয়েছেন চোট। তবে সফরের ঠিক প্রাক্কালে ম্যানেজার হিসেবে খালেদ মেহমুদ সুজনের নাম বিসিবি ঘোষণা করায় সুজন দলের ইনজুরি নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারেননিÑ ‘দলের সঙ্গে ছিলাম না, তাই ওদের সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। সাকিব ওখানে দলের সঙ্গে যোগ দেবে। তামিমের ইনজুরি গুরুতর কিছু নয় বলে মনে হচ্ছে। আরও কয়েক দিন আছে। ম্যাচের আগে ওদের সুস্থ অবস্থায় পাব বলে আশা করছি।’

বাংলাদেশ দলের অনেক গর্বিত অধ্যায়ের সঙ্গে মিশে আছেন সুজন। টিম ম্যানেজার হিসেবে দলে তার ভূমিকা মোটিভেটর। ২০১৫ ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা, ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিফাইনালিস্ট এবং ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের সর্বশেষ আসরে ফাইনালিস্ট বাংলাদেশÑ এসব গর্বিত অধ্যায়ে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছেন সুজন। সাবেক হেড কোচ হাতুরুসিংহে চলে যাওয়ার পর কিছুদিন দলের সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে। আবার ফিরে এসেছেন ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়ে। দলে পূর্ণাঙ্গ কোচিং স্টাফ থাকায় ম্যানেজারশিপটা তার জন্য সহজ হয়েছে বলে মনে করছেন সুজন ‘একই ভূমিকা থাকবে আমার। ম্যানেজার হিসেবে যেহেতু কাজ করতাম, ওটাই থাকবে। এছাড়া আর কিছু নয়। আমাদের পুরো ম্যানেজমেন্ট আছে। ব্যাটিং কোচ, ফিল্ডিং কোচ সব মিলিয়ে আট থেকে নয়জন স্টাফ আছে। সবাই ঠিক মতো কাজ করলে ফল আমাদের পক্ষেই আসবে।’