আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৯-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

টিকিটের জন্য হাহাকার!

স্পোর্টস রিপোর্টার
| খেলা

ভুটান ও পাকিস্তানকে হারালেও দ্বাদশ সাফ ফুটবলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত ছিল না বাংলাদেশের। তবে অনেক দিন পর লাল-সবুজ ফুটবলারদের নৈপুণ্যে ছিল মুগ্ধতা। ফলে মাঠে দর্শক দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই। ভুটান ম্যাচে প্রায় ১৫ হাজার হলেও শুক্রবার পাকিস্তানের বিপক্ষে তো বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ছিল ‘প্যাকড’, সাড়ে ২৩ হাজার পূর্ণ। কাল নেপালের বিপক্ষে শেষ চার নিশ্চিত করার ম্যাচটি ছিল সন্ধ্যা ৭টায়। দুপুর ১টার পর থেকে দর্শকের আনাগোনা শুরু স্টেডিয়াম এলাকায়। সময় গড়ানোর সাথে ভিড় বাড়তে থাকে, সবার চাওয়াÑ একটা টিকিট চাই চাই।

ঘরের মাঠে সাফে সাধারণ দর্শকের জন্য টিকিট ছিল প্রতিদিন ৭ হাজারের মতো। সাড়ে ২৩ হাজারের বাকি সব সৌজন্য! যে কারণে টুর্নামেন্ট শুরুর দিন থেকে চাহিদা ছিল টিকিটের। দুই ম্যাচ জেতানোর পর বাংলাদেশের সমর্থকদের আগ্রহ আরও বেড়ে ছিল। তাই কাল নেপাল ম্যাচের টিকিট ছিল সোনার হরিণ। সবার জিজ্ঞাসা ‘ভাই, টিকিট কোথায় বিক্রি হচ্ছে।’ তখনও বাংলাদেশের ম্যাচ শুরু হতে ৫ ঘণ্টা বাকি। কিন্তু টিকিটের সমাধান দেওয়া সম্ভব হয়নি কারও পক্ষে। দর্শক স্টেডিয়ামের টিকিট কাউন্টারগুলো বন্ধ পেয়েছেন। কিছুদিন স্টেডিয়ামের যে দুই ফটকে টিকিট বিক্রি করেছে বাফুফের কর্মচারীরা তারা নেই। তাদের কাছে বিক্রির জন্য দেওয়া সীমিত টিকিট যে ফুরিয়ে গেছে সূর্য পূর্ব আকাশে থাকতেই।

টিকিট না পাওয়া দর্শক হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম এলাকায়। ওখানে টিকিট কালোবাজারী নতুন না, মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করেনি তারা। লুকিয়ে রাখা টিকিট থেকে দুই-একটি করে হাতে নিয়ে দাম হাকাচ্ছেন ১০০ টাক; ২০ টাকার টিকিট ১০০। কেউ তো আরও বেশিও হাকাচ্ছেন। কারও হাতে টিকিট দেখলে তাকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে দর্শক জটলা।

বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচে টিকিটের চাহিদা যে বাড়বে আভাস মিলছিল পরশু মালদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচেই! দর্শকের জন্য মূল্যহীন ম্যাচ, তারপরও স্টেডিয়ামের পশ্চিম গ্যালারি প্রায় ভরিয়ে দিয়েছিল দর্শকরা। ভিআইপি ও পূর্ব-উত্তর গ্যালারি মিলে ৮ থেকে ১০ হাজার দর্শক ছিল ভিনদেশি দুই দলের ম্যাচেই। কাল খেলা শুরুর আগেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের পশ্চিম গ্যালারি দর্শকে টইটুম্বুর। বাইরে ঢোকার অপেক্ষায় কয়েক হাজার!