আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৯-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

আজকের শিশুরা সাক্ষরতার চিত্র পাল্টে দেবে -মোস্তাফিজুর রহমান

ঢাবি প্রতিনিধি
| শেষ পাতা

‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান -আলোকিত বাংলাদেশ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাক্ষরতার চিত্র আগামী ১০ বছরের মধ্যে পাল্টে যাবে। সাক্ষরতা মানে একজন শিক্ষিত ও দক্ষ ব্যক্তিকে বোঝাবে। আজকে যারা শিশু, আগামীতে তারাই এ চিত্র পাল্টে দেবে। শনিবার শিল্পকলা একাডেমিতে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 
‘সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষ হয়ে জীবন গড়ি’ প্রতিপাদ্য ধারণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর আগে সকালে দিবসটি উপলক্ষে এক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সাক্ষরতার চিত্র পাল্টে গেছে। দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন শুধু লিখতে ও পড়তে পারলেই সাক্ষর বলে না। পড়ালেখার পাশাপাশি কর্মদক্ষ হলেই তাকে সাক্ষর বলা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হচ্ছে না। দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ পাল্টে যাবে, মানুষ সাক্ষরতার জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত হবে। উন্নয়নের ক্রমবর্ধমান ধারা অব্যাহত থাকলে ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে মনে করেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, দেশ উন্নয়নের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হওয়ায় জনগণের মনে ভরসার একটি স্থান সৃষ্টি হয়েছে। 
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন বলেন, শিক্ষানীতির আলোকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শুধু অষ্টম শ্রেণিতে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক পর্যায়ে কোয়ালিটি শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ সময় তিনি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কার্যক্রম প্রসারের পরামর্শ দেন। 
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তপন কুমার ঘোষ, ইউনেস্কো বাংলাদেশের অঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান সোন লই। এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ ইউনেস্কো ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।