আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৯-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

পটিয়ায় স্কুলছাত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

পটিয়া প্রতিনিধি
| খবর

চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইনের পাশে পটিয়া উপজেলার দক্ষিণভূর্ষি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বেলতল এলাকা থেকে রিমা আক্তার (১৩) নামে এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ওই স্কুলছাত্রীর শরীরের ওপর থেকে মাসুদ (১৭) নামে এক কিশোরকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মাসুদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ৩টায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মুমূর্ষু অবস্থায় মাসুদকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
রিমা উপজেলার হাইদগাঁও উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং হাইদগাঁও ইউনিয়নের মঞ্জুরুল আলমের মেয়ে। মাসুদ এলাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করত। তার বাড়ি পটিয়া পৌর সদরের ৯নং ওয়ার্ডের আমিরভান্ডারের পুরাতন বাড়ি এলাকায়। পটিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে মাসুদকে হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
জানা গেছে, কিশোর মাসুদের শরীর নড়চড়া করলেও রিমার নিথর দেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার পরনে ছিল স্কুল ইউনিফর্ম। রিমার গলার ডান পাশে কাটার স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তার মুখেও পাঁচ-ছয়টি চুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। মাসুদের গলায়ও চুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার হাতটি রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা গেছে। ঘটনার পর পর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তক্ষরণ অবস্থায় মাসুদকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে  চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
দক্ষিণভূর্ষি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জায়েদুল হক জানান, মাসুদ ও রিমাকে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। তার ধারণা মাসুদ রিমাকে গলা কেটে হত্যার পর নিজেই গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পটিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনা আত্মহত্যা হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। মাসুদকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল রেলওয়ে পুলিশের আওতায় হওয়ায় জিআরপি থানা পুলিশ তদন্ত করে দেখবে।