আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

পিছিয়ে পড়েও জিতল স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
| খেলা

বার্সেলোনার হয়ে বেশ সফল সময় কাটিয়েছেন লুই এনরিকে। এবার স্পেনের হয়ে সফল হওয়ার পালা। সাবেক বার্সা কোচের অধীনে স্পেন নতুন শুরু করেছে সাফল্যের সঙ্গেই। বিশ্বকাপ শুরুতে নিয়মিত কোচ হুলেন লোপেতেগিইকে হারিয়েছিল স্প্যানিশরা। পুরো বিশ্বকাপ তাদের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিয়েরোর অধীনে কেটেছে। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে ছিটকে পড়ে ব্যর্থতা নিয়েই রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষ করে স্পেন। বিশ্বকাপ পরবর্তী সময়ে সাবেক বার্সা কোচ এনরিকের অধীনে নতুন শুরু করে একবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। উয়েফার নেশন্স লিগের ম্যাচে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী মাঠে পিছিয়ে পড়েও ২-১ গোলের দারুণ জয় তুলে নিয়েছে স্পেন। 
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট ইংল্যান্ডের জন্য ঘরের মাঠে এ পরাজয় ছিল দারুণ হতাশার। মার্কোস রাশফোর্ডের গোলে ১১ মিনিটে স্বাগতিকরা এগিয়ে গেলেও দুই মিনিট পর সাউল নিগেজ সমতা ফেরান। আর ৩২ মিনিটে দলের জয় নিশ্চিত করেন রদ্রিগো মোরেনো। তিন বছরের মধ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে কাল মাঠে নেমেছিলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার লুক শ। কিন্তু ৫৩ মিনিটে ডানি কারভাহালের সঙ্গে সংঘর্ষে স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। তারকা এ ডিফেন্ডারের অনুপস্থিতিতে স্বাগতিকরা ম্যাচে ফিরে আসতে ব্যর্থ হয়। লুইস এনরিকের অধীনে স্প্যানিশরা পুরো প্রথমার্ধজুড়েই বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিল। রাশিয়া বিশ্বকাপে স্বাগতিকদের কাছে পরাজিত হয়ে শেষ ১৬ থেকে বিদায় নেওয়ার হতাশা কাটিয়ে ওঠার জন্য এ জয়টা বেশ প্রয়োজন ছিল স্পেনের। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আগামী ম্যাচে তারা বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাঠে নামবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।
ম্যাচের শুরুতে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার হিসেবে গোল্ডেন বুট হাতে পান হ্যারি কেন। বিশ্বকাপে ফাইনালের আগেই ইংল্যান্ডের অভিযান শেষ হওয়ায় পুরস্কার মঞ্চে আসেননি ইংলিশ তারকা। স্পেনের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের প্রথম গোলের উৎস ছিলেন কেন। ১১ মিনিটে হ্যারি কেনের কাছ থেকে শ বল পেয়ে তা রাশফোর্ডের দিকে বাড়িয়ে দেন। বল পেয়ে ডেভিড ডি গিয়াকে পরাস্ত করতে কোনো ভুল করেননি রাশফোর্ড। দুই মিনিট পরে কারভাহাল রদ্রিগোর দিকে বল বাড়িয়ে দেন। ডি বক্সের ভিতর রদ্রিগোর বাড়ানো বলে সাউল গোল করে সমতায় ফেরান স্পেনকে। ইংল্যান্ডের থেকে বল ও পজিশনের দিক থেকে এগিয়ে থাকা স্পেন ম্যাচে এগিয়ে যেতে খুব একটা সময় নেয়নি। ৩২ মিনিটে থিয়াগো আলকানতারার কার্লিং ফ্রি-কিক থেকে রদ্রিগো স্পেনকে এগিয়ে দেন। এ পরাজয়ের মাধ্যমে ২০০৭ সালের নভেম্বরের পরে ওয়েম্বলীতে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হারের স্বাদ পেল ইংল্যান্ড।