আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

আফ্রিকা ওয়ালটনের নতুন রপ্তানি বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
| অর্থ-বাণিজ্য

কেনিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আফ্রিকাবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে ওয়ালটন। মেলায় ওয়ালটন পণ্যের উচ্চ গুণগতমান, নিখুঁত ফিনিশিং, সাশ্রয়ী মূল্য, বৈচিত্র্যময় ডিজাইন দেখে ভীষণ আগ্রহী আফ্রিকার ক্রেতারা। ওই অঞ্চলের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীরা ওয়ালটন পণ্য আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বাজারজাত করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। 

‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটন পণ্য রপ্তানির উপর বিশেষ জোর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ওয়ালটনের টার্গেট এখন ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের শীর্ষবাজারগুলো। এজন্য আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগ ঢেলে সাজানো হয়েছে। পণ্য গবেষণা, উন্নয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। উৎপাদন পর্যায়ে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের লেটেস্ট প্রযুক্তি। জানা গেছে, এ মেলা শুধু কেনিয়া নয়; সমগ্র আফ্রিকান অঞ্চলে ওয়ালটন পণ্যের বিশাল সম্ভাবনাময় বাজার তৈরির সুযোগ করে দিয়েছে। কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবোতে কেনিয়াট্টা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ওই মেলা। যা মাল্টি সেক্টর প্রোডাক্টস, ইকুইপমেন্টস ও মেশিনারিজের জন্য আফ্রিকার সর্ববৃহৎ মেলা হিসেবে পরিচিত। এবার রেকর্ড পরিমাণ ব্যবসায়ী উপস্থিত হন ওই মেলায়। এ বছর কেনিয়া, লাটভিয়া, জার্মানি, বেলজিয়াম, ভারত, চীন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, মিশর, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কাসহ ৩০টি দেশ থেকে দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। ১ হাজার ২০০’রও বেশি ধরনের পণ্য, ইকুইপমেন্ট ও মেশিনারি প্রদর্শিত হয়েছে। 

মেলায় বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন প্রদর্শন করেছে রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এলইডি টিভি, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ব্লেন্ডার, জুসার, রাইসকুকার, ইন্ডাকশন কুকার, গ্যাসস্টোভ, ইলেকট্রিক ফ্যানসহ (সিলিং, টেবিল, রিচার্জেবল, দেয়াল ও প্যাডেস্টাল) হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস। 

ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর রকিবুল ইসলাম জানান, মেলায় ক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের নজর কেড়েছে ওয়ালটন। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত কাঁচামালে তৈরি ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার ফ্রিজ ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন উদ্যোক্তা ওইএম (অরিজিন্যালি ইকুইপড ম্যানুফ্যাকচারড) এর আওতায় ওয়ালটনের ফ্রিজ আমদানিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন। শিগগিরই তারা কারখানা পরিদর্শনে বাংলাদেশে আসবেন। তার প্রত্যাশা, তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্ডার মিলবে।