আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

শূন্য পদের তালিকা প্রদানে কোনো লুকোচুরি যেন না হয়

| চিঠিপত্র

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা অর্জনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষকের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে এনটিআরসিএ কর্তৃক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদের গুরুত্বও অপরিসীম।
নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী চাকরির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছে। অথচ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন এটাকে গুরুত্বহীন মনে করে সময় পার করছে। অন্যদিকে বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এভাবে নিয়মকানুনের মধ্যে পড়ে অনেকেরই চাকরিতে প্রবেশ করা মুশকিল হয়ে পড়ছে। সম্প্রতি শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের একটি মেরিট লিস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এ জন্য এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ সারা দেশের প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে শূন্য পদের তালিকা আহ্বান করেছেন। অনেক গণমাধ্যমে সারা দেশে লাখ লাখ শূন্য পদের সংবাদ পাওয়া যায়। অথচ শূন্য পদের তালিকা প্রকাশের সময় তেমন শূন্য পদ দেখা যায় না। এটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের লুকোচুরি। প্রতিষ্ঠানের কমিটিও নিজের স্বার্থে এটা করে থাকে। নিজের আত্মীয়স্বজন কিংবা মোটা অঙ্কের টাকার আশায় শূন্য পদের তালিকা প্রদানে গড়িমসি করেন। এসব মানুষের কারণে শিক্ষার্থীরা যেমন প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে,  তেমনি দেশের মেধা তৈরিকারী অসংখ্য নিবন্ধনধারী মেধাবী ছাত্র চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এটা এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাও প্রমাণ করে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ থাকা সত্ত্বেও সঠিক তথ্য প্রদানে লুকোচুরি করবে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এটা বাস্তবায়ন করলে এনটিআরসিএ কর্তৃক নিবন্ধন সনদধারী সবার চাকরি নিশ্চিত হবে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেমন প্রকৃত শিক্ষা পাবে, তেমনি দেশে বেকারের সংখ্যাও অনেকাংশেই কমে আসবে। বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। হ

 মো. আজিনুর রহমান লিমন 
আছানধনী মিয়াপাড়া, ডিমলা, নীলফামারী