আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

সন্তান বুদ্ধিমান কিনা বুঝবেন কীভাবে?

আলোকিত ডেস্ক
| শেষ পাতা

সন্তান বুদ্ধিমান হোক, তা কোন মা-বাবা না চান? জানেন কী, শিশুর জন্মের পর থেকেই তার নানা স্বভাব ও অভ্যাসই বলে দিতে পারে সে আদৌ বুদ্ধিমান হবে কিনা। সন্তানের নানা কাজকর্মের দিকে একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন তার মধ্যে বুদ্ধিমান হয়ে ওঠার কোনো বৈশিষ্ট্য আছে কিনা।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অমøান দত্তের মতে, এক বছরের আশপাশে পৌঁছলে তবেই শিশু দুই-একটা শব্দ বলতে শেখে, দেড় বছরের মাথায় তা আরও স্পষ্ট হয়। যদি আপনার সন্তানের মধ্যে কথা বলতে শেখার প্রবণতা আরও তাড়াতাড়ি আসে, তাহলে বুঝতে হবে সন্তান বুদ্ধিমান। তার শেখার ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি সক্রিয়।

অচেনা কারও সঙ্গে শিশু কি সহজেই মানিয়ে নিতে পারে? যদি তেমন হয়, তাহলে যোগাযোগ ও সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে আপনার সন্তান অনেকটা এগিয়ে। বাড়িতে পোষ্য থাকলে তার প্রতিও শিশুর ব্যবহার লক্ষ্য রাখুন। এতে শিশুর সাহস ও মানসিক বিকাশের পরিমাপ বোঝা যায়। খুব একগুঁয়ে হওয়া যেমন সমস্যার, তেমনি শিশুর কিন্তু একটু-আধটু জেদ থাকাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন চিকিৎসকরা। তাদের মতে, কোনো বিষয়ে একেবারেই একগুঁয়ে না হলে শিশুর নিজস্ব বিচার ক্ষমতা ও দৃঢ়তা তৈরি হয় না। বুদ্ধি তৈরিতে এ দুই-ই প্রয়োজন। তাই সে অল্পস্বল্প একগুঁয়ে হলে এ নিয়ে বিরক্ত হবেন না।
শিশুদের বসতে শেখা, হামা দেওয়া, দাঁড়াতে শেখাÑ প্রত্যেকটিরই একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে। আপনার সন্তান কি সেই সময়ে পৌঁছানোর কিছু আগেই শিখে ফেলছে সেসব? তাহলে তা বুদ্ধিমান হয়ে ওঠার অন্যতম লক্ষণ।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, যে কোনো খেলনা বা পছন্দসই বিষয়ে যে কোনো সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুর একটানা মনোসংযোগ থাকার সময়সীমা ১৫ মিনিট। কিন্তু আপনার সন্তান কি কোনো একটি খেলনা, আঁকার বই নিয়ে একমনে মেতে থাকতে পারে ১৫ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে? তাহলে সে ‘ফোকাসড’। বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক তা। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা