আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১১-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

নতুন যুক্ত হলো ওষুধ মোটরসাইকেলসহ ৯ খাত

রপ্তানিতে নগদ সহায়তা পাবে ৩৫ শিল্প খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
| অর্থ-বাণিজ্য

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করতে ৩৫টি খাতে ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেবে সরকার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানির বিপরীতে এ সুবিধা পাবে রপ্তানিকারকরা। এবার রপ্তানি সহায়তা পাওয়ার তালিকায় নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে আরও ৯টি খাত। গেল অর্থবছর ২৬ খাতে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। এবার বস্ত্র খাতে নতুন বাজার সম্প্রসারণে নগদ সহায়তার হার ১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। আর পেট বোতল-ফ্লেক্স রপ্তানির বিপরীতে রপ্তানি ভর্তুকি ৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। এছাড়া গেল অর্থবছর পর্যন্ত ঘোষিত অন্যান্য খাতে রপ্তানি ভর্র্তুকির হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরে নতুনভাবে যুক্ত হওয়া ৯টি খাতের প্রত্যেকটিতে ১০ শতাংশ করে নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। 
সার্কুলার অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ৪ শতাংশ, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা ৪, নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা (আমেরিকা, কানাডা ও ইইউ ব্যতীত) ৪, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্যে ২০, গরু-মহিষের নাড়ি-ভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ব্যতীত) রপ্তানিতে ১০, হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১৫, শতভাগ হালাল মাংস রপ্তানিতে ২০, বরফ আচ্ছাদনের হারভেদে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিতে ২ থেকে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।
চামড়াজাত পণ্য ও আসবাব রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ; সাভারে চামড়া শিল্প নগরীতে অবস্থিত কারখানা ও সাভারের বাইরে অবস্থিত নিজস্ব ইউটিপি রয়েছে এরূপ কারখানায় উৎপাদিত ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, জাহাজ ও প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে ১০, আলু রপ্তানিতে ২০, পেট বোতল-ফ্লেক্স রপ্তানিতে ৫, ফার্নিচার রপ্তানিতে ১৫, শস্য ও শাকসবজির বীজ এবং পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন রপ্তানিতে ২০, প্লাস্টিক দ্রব্যাদি ও দেশে উৎপাদিত কাগজ ও কাগজ জাতীয় দ্রব্য রপ্তানিতে ১০, আগর ও আতর রপ্তানিতে ২০, সফটওয়্যার, ইনফরমেশন টেকনোলজি এনাবেলড সার্ভিসেস (আইটিইএস) ও হার্ডওয়্যার রপ্তানিতে ১০, সিনথেটিক ও ফেব্রিকসের তৈরি পাদুকা রপ্তানিতে ১৫, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালসে ইনগ্রিডিয়েন্টস (এপিআই) রপ্তানিতে ২০, অ্যাকুমুলেটের ব্যাটারি রপ্তানিতে ১৫ এবং পাটজাত দ্রব্যাদি রপ্তানিতে ৭ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।
এছাড়া চলতি অর্থবছর থেকে নতুনভাবে যুক্ত যেসব খাত নগদ সহায়তা পাবে সেগুলো হলো ওষুধ পণ্য, মোটরসাইকেল, ফটোভোল্টেক মডিউল, কেমিক্যাল পণ্য, রেজার ও রেজার ব্লেডস, সিরামিক দ্রব্য, টুপি, কাঁকরা  ও কুঁচে, গ্যালভানাইজড সিট বা কয়েলস। এসব খাতে ১০ শতাংশ করে নগদ সহায়তা মিলবে।