আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১১-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

গাজীপুরে হত্যা মামলায় সাত জনের মৃত্যুদন্ড

গাজীপুর প্রতিনিধি
| প্রথম পাতা

গাজীপুরে এক খুনের মামলার রায়ে সোমবার সাত আসামিকে মৃত্যুদ- দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক একেএম এনামুল হক।

দ-প্রাপ্তরা হলেনÑ গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার গজারিয়াপাড়া এলাকার জলিল মেম্বারের ছেলে রাজীব হোসেন ওরফে রাজু, আবদুল জব্বারের ছেলে মো. কাইয়ুম, কাপাসিয়া থানার ধরপাড়া এলাকার আফছার উদ্দিনের ছেলে মো. ফারুক হোসেন, নলগাঁও বুরুজপাড়া এলাকার মোন্তাজ উদ্দিনের ছেলে মো. সফিকুল ইসলাম ওরফে পারভেজ, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার বুরুদিয়া এলাকার এমদাদুল হকের ছেলে মো. রাজীব হোসেন, জামালপুরের ইসলামপুর থানার পূর্ব বালিয়াদহ গ্রামের শহিদুজ্জামানের ছেলে মো. আলী হোসেন ওরফে হোসেন আলী এবং কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর সুকানদীঘি এলাকার সৈয়দ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী ওরফে ছোট আলী। তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদ- ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া অপর একটি ধারায় তাদের প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন একই আদালত।

রায়ে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার শাহেদল গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে মাসুদ ওরফে মামা মাসুদকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদ- ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদ-ের রায় দেয়া হয়। এছাড়া দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের বকশিপাড়া এলাকার রমজান আলীর ছেলে এনামুল হক ও কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি থানার আছমিতা এলাকার আবদুল জাব্বারের ছেলে সামসুল হককে খালাস দেওয়া হয়।

গাজীপুর আদালতের পিপি মো. হারেছ উদ্দিন আহমেদ জানান, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিলন গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ি গাজীপুরের পূর্ব চান্দনা এলাকায় ফেরার পথে ভাওয়াল জাতীয় 

উদ্যানের কাছে পৌঁছালে ১০ থেকে ১২ ডাকাত তাকে কুপিয়ে খুন করে। এ ঘটনায় পরদিন তার মামা আক্তার হোসেন জয়দেবপুর থানায় ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে সাতজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। অন্যরা পলাতক রয়েছেন।
মামলার ১০ আসামির মধ্যে মো. রাজীব হোসেন, মো. ফারুক হোসেন ও মো. আলী হোসেন ওরফে হোসেন আলী পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি রাজীব হোসেন, মো. কাইয়ুম, মো. সফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী ওরফে ছোট আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 
রাষ্ট্রপক্ষে পিপি হারিছ উদ্দিন আহমেদ এবং আসামি পক্ষে মো. খালেদ হোসেন, খালেদ মাহমুদ রাব্বি, মো. হাফিজ উল্লাহ দরজি, মো. জহিরুল ইসলাম ও ওয়াহিদুজ্জামান আকন্দ মামলাটি পরিচালনা করেন।