আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১১-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

‘আপনি জিতুন আমরা আবার আসব’

আলোকিত ডেস্ক
| প্রথম পাতা

শেখ হাসিনার কাছ থেকে সফরের আমন্ত্রণ পেয়ে বাংলাদেশে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিজয় প্রত্যাশা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

সোমবার দ্বিপক্ষীয় দুটি প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে কলকাতা থেকে যুক্ত হয়েছিলেন মমতা। খবর বিডিনিউজের।

ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নয়াদিল্লি থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকল্প দুটির 

উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের পর বাংলাদেশ লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা।

দুজনের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আবার আসেন বেড়াতে, সেটাই চাই।

তখন মমতা বলেন, নিশ্চয় আসব। আপনি জিতুন, আমরা আসব আবার।

বাংলাদেশে এ বছরের শেষ নাগাদ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনে জয়ী হলে একটানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গড়ার রেকর্ড করবে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ।

সোমবার উদ্বোধন করা দুটি প্রকল্পের একটি ছিল ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশের আমদানি নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রিড থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার আন্তঃবিদ্যুৎ সংযোগ গ্রিডের উদ্বোধন করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে আরও ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রত্যাশা করেন।

নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈরিতার সম্পর্কে থাকা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বলেন, 

হ্যাঁ, আমি রাজি আছি। গভর্নমেন্ট ওইদিক থেকে ক্লিয়ারেন্স দিলেই আমরা করে দেব। কাজে লাগলেই ভালো।
আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েল গেজ রেললাইন প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশ এবং মৌলভীবাজারের কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল সংযোগ পুনঃপ্রকল্পের নির্মাণ কাজও উদ্বোধন হয় এ অনুষ্ঠানে।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও এ অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর আমন্ত্রণ পেয়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ দেখান বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এ বিজেপি নেতা।   
বিপ্লব বলেন, আমি আসব আপনার কাছে।
কবেÑ শেখ হাসিনা জানতে চাইলে বিপ্লব বলেন, আমি কোনো একটা কারিকুলাম বানিয়ে আসব। আপনার কাছেই আসব।
বাংলাদেশের চাঁদপুরের কচুয়ার সন্তান বিপ্লব এ বছরের শুরুতে ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচনে বিজেপিকে জয়ী করে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিলেন তার বাবা-মা।