আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১২-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা

নিখুঁত করতে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ মন্ত্রণালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক
| শেষ পাতা

আসন্ন এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা সর্বোচ্চ নিখুঁত ও নিñিদ্র নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সম্পন্ন করতে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ নিচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। গেল কয়েক বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় বাড়তি সতর্কতা ও কঠোর পন্থা অবলম্বনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত পরিদর্শক বা কর্মকর্তা কোনো মোবাইল ফোন সেট নিয়ে যেতে পারবেন না। প্রতি কেন্দ্রের অভ্যন্তরে কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঁচটি অ্যানালগ মোবাইল ফোন সরবরাহ করা হবে।

সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আসন্ন এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা সম্পাদনে ওভারসাইট কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এতে সভাপতিত্ব করেন। ৫ অক্টোবর সারা দেশের ১৯টি কেন্দ্রে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর ধরে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অভিভাবক, ছাত্রসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে পরীক্ষাগুলো শতভাগ গ্রহণযোগ্য হয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। এবারের পরীক্ষা আরও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার ১০ বছর পর এবার সরকারি মেডিকেল কলেজে আরও ৭০০ আসন বাড়িয়েছে। ফলে গেল বারের তুলনায় এবারে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন এবং মেধাবীরাই ভর্তি হতে পারবেন।

সভায় জানানো হয়, এবার সরকারি কলেজে ৪ হাজার ৬৮টি এবং বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার ৭৫১টি আসন রয়েছে। ৩১ আগস্ট থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করার সুযোগ থাকবে। সভার শুরুতে ওভারসাইট কমিটির সদস্য মরহুম সাংবাদিক ও সমকালের সাবেক সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। তার স্থলে দৈনিক যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমকে ওভারসাইট কমিটির সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সভায় অন্যাদের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, বিএসএমএমইউ’র ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিএমএ’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সাংবাদিক ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খান, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক আবদুল কাইয়ুমসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।