আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১২-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

ভিত্তিপ্রস্তর কাল

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল হচ্ছে ঢাকায়

| শেষ পাতা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তিনি এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। একইসঙ্গে তিনি সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রকল্পের স্থাপনাগুলো উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার বিএসএমএমইউর ডা. মিল্টন হলে ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

ভিসি বলেন, ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০১২ সালে বর্তমান হাসপাতালের উত্তর পাশের ৩ দশমিক ৮ একর (প্রায় ১২ বিঘা) জমির বন্দোবস্ত দেন। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহযোগিতায় এ ৩ দশমিক ৮ একর জমির ওপর নির্মিত হবে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। ১৩ তলা হাসপাতালটিতে থাকবে এক হাজার শয্যা। তিনি আরও বলেন, জনসাধারণ এখানে সাশ্রয়ী মূল্যে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা পাবেন। এ হাসপাতালে সর্বাধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য ৮০  চিকিৎসক, ৩০ নার্স ও ১০ কর্মকর্তাকে কোরিয়ায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি এ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের মাধ্যমে ‘বিদেশ নয়, দেশেই সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা’ দেওয়া সম্ভব হবে।

ভিসি বলেন, বর্তমানে ১ হাজার ৯০৪ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে সাত হাজার থেকে আট হাজার রোগী এবং বৈকালিক স্পেশালাইজড আউটডোরে ৯০০ থেকে এক হাজার রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬২টি রেসিডেন্সি কোর্সসহ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সের সংখ্যা ৯৫। বিভাগের সংখ্যা ৫৬টি। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ রোগীদের আধুনিক ও উন্নতসেবা প্রদান করায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রোগীদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আজ শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিম-লে সুনাম অর্জন করেছে। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ইরান, নেপাল, প্যালেস্টাইন, ভুটান, মালদ্বীপসহ বিভিন্ন দেশের ৩৩৭ ছাত্রছাত্রী  উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকর্মে নিয়োজিত আছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (গবেষণা) ডা. মো. শহীদুল্লাহ শিকদার, সাবেক প্রোভিসি (প্রশাসন) ডা. মো. শরফুদ্দীন আহমেদ, প্রোভিসি মোহাম্মদ মুনীরুজ্জামান, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন, সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণতকরণ প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়ের পরিচালক অধ্যাপক ডা.আবু নাসার রিজভী প্রমুখ।