আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৩-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

ফ্যাশন ইনস্টিটিউট করার স্বপ্ন নাতাশার

বিনোদন প্রতিবেদক
| বিনোদন

আজ দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী ও ফ্যাশন ডিজাইনার নাতাশা হায়াতের জন্মদিন। জন্মদিনে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, পরিবারের সদস্য এবং তার আদরের বাচ্চাদের সঙ্গেই সময় কাটবে। তবে যেহেতু এখন নাতাশার বেশিরভাগ সময়ই কাটে ‘আইরিসেস ডিজাইনার স্টুডিও’ নিয়ে, তাই এর বাইরে যত ভাবনা শুধু পরিবারকে নিয়েই। তবে নিজের এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্তৃত করার স্বপ্ন তার। স্বপ্ন তার একটা ফ্যাশন ইনস্টিটিউট করার। নাতাশা হায়াত বলেন, ‘আমি আমার অভিজ্ঞতার ওপর ভর করে বলতে চাই, যে কোনো সাফল্যের পেছনেই একটা মূল সূত্র হচ্ছে, নিজস্বতা তৈরি করা এবং লেগে থাকা। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একটা ফ্যাশন ইনস্টিটিউট করা। প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের সঙ্গে আমাদের একটা যোগসূত্র তৈরি করা। আমাদের কাজগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া। আমি সেই পথে কাজ করে যাব।’ বিপাশা হায়াত যখন অভিনয় শুরু করেন তখন তার পোশাকও ডিজাইন করতেন নাতাশা। অভিনয় করলেও ২০০৮ সালে বিপাশার সঙ্গে পার্টনারশিপে ফ্যাশন হাউজ ‘আইরিসেস ডিজাইনার স্টুডিও’র যাত্রা শুরু করেন। কিন্তু পরপর দুই সন্তান শ্রীষা ও সাবীদ হওয়ায় চার বছরের বিরতি টানতে হয় এই ব্যবসায়। ২০১৩ সালে আবারও রাজধানীর গ্রীন রোডে আবারও নাতাশা রোকসানা আক্তার লোপার সহযোগিতায় ‘আইরিসেস ডিজাইনার স্টুডিও’র যাত্রা শুরু হয়। বছরের পর বছর নাতাশা যেন এ ব্যবসায় সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেন। যে কারণে বেশ কয়েক মাস আগে রাজধানীর বনানীর এফ ব্লকের ১২ নম্বর রোডে এর দ্বিতীয় শাখার যাত্রা শুরু করেন। নাতাশার বড় বোন বিপাশা ‘আইরিসেস ডিজাইনার স্টুডিও’র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। অভিনয় প্রসঙ্গে নাতাশা হায়াত বলেন, ‘আমার বাবার আগ্রহেই আমি কিছুদিন অভিনয় করেছি। কিন্তু অভিনয়ে আমার মন টানেনি। যেহেতু আমার দুই সন্তান রয়েছে, তাই আমি এমন একটি কাজ করতে চেয়েছি যা করতে গিয়ে আমি যেন সন্তানদেরও যথেষ্ট সময় দিতে পারি। এখন আমার ফ্যাশন হাউজ যে অবস্থানে এসেছে তাতে সন্তুষ্ট আমি। আমি আমার বাবা-মা, বড় আপু, শাহেদ এবং লোপার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ নাতাশা হায়াত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ এবং লন্ডনের একটি ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিং ম্যানেজম্যান্টে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। নাতাশা গ্রামীণফোন, ইউএস এইডের প্রজেক্ট এটিডিপি, ওয়ারিদ টেলিকম, রেডিও ফুর্তিÑ এই চারটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন ১০ বছর। ছোটবেলায় বাবার নির্দেশনায় মঞ্চনাটক ‘বিসর্জন’-এ প্রথম অভিনয় করেন। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম নাটক ‘বন্দি’।