আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৩-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

চট্টগ্রামে নৌমন্ত্রী

উন্নয়নে সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিকল্প নেই

চট্টগ্রাম ব্যুরো
| নগর মহানগর

র‌্যাডিসন ব্লুু চট্টগ্রাম বে-ভিউর মোহনা হলে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বে-টার্মিনালের জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনকে চেক হস্তান্তর করেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান ষ আলোকিত বাংলাদেশ

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল বাস্তবায়ন হবে না। উন্নয়নের জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিকল্প নেই। মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বে-টার্মিনালের জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনকে চেক হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

র‌্যাডিসন ব্লুু চট্টগ্রাম বে-ভিউর মোহনা হলে বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।
নৌমন্ত্রী বলেন, ১০ বছরে বন্দরের টাকায় ৪ লাখ বর্গমিটার ইয়ার্ড নির্মাণ হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ১ হাজার ২০০ মিটার রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। তিনটি গ্যান্ট্রি ক্রেন এসেছে, সাতটি এ বছর আসবে। তিন হাজার জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। টাগবোট, অ্যাম্বুলেন্স শিপ কেনা হয়েছে। কারশেড, অকশন শেড নির্মাণ করা হয়েছে। মোবাইল স্ক্যানার ভেহিকল সংগ্রহ করা হয়েছে। সিটিএমএস, ভিটিএমআইএস চালু হয়েছে। 
শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মতো সাহস রাখেন জানিয়ে নৌমন্ত্রী বলেন, তিনি দেশের মানুষকে ভালোবাসেন। পদ্মা সেতু করছেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি নেত্রী বলেছিলেন, জোড়াতালি দিয়ে এ সেতু হচ্ছে। আমি আশা করব বিএনপি নেত্রী ও কর্মীরা এ সেতু দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে যাবেন না। আপনাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখব। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মিথ্যাচার দেশবাসীর জানা। তার নেতৃত্বে ২০১৫ সালে পেট্রলবোমা হামলা হয়েছে। কী করা হয়নি গণতন্ত্রের নামে। মানুষ পুড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছেন তারা। এখন নির্বাচনে পালানোর পথ খুঁজছেন। কারণ মাঠে নামলে জবাব দিতে হবে। বিএনপি-জামায়াত মহাপাপীর দল। তারা পাপীদের নিয়ে সরকার গঠন করেছিল। পঁচাত্তরের খুনি, যুদ্ধাপরাধী, বাংলা ভাইদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না মানুষ। 
এমএ লতিফ বলেন, একেকটি টার্মিনাল একেকটি বন্দর। তিনটি টার্মিনাল নির্মাণ, ভারি যন্ত্রপাতি সংগ্রহ মিলে নৌমন্ত্রীর সাফল্য অনেক বেশি। ২৫ বছর চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা নিয়ে পড়ে ছিলাম। দীর্ঘদিন বন্দরের উন্নয়ন হয়নি যা সাধারণ মানুষ এমনকি রাজনীতিকরাও উপলব্ধি করেননি। প্রধানমন্ত্রী অবকাঠামো সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছেন। 
আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, দাবি ছিল বে-টার্মিনাল নির্মাণ। এটি আজ আলোর মুখ দেখছে। বন্দরের সক্ষমতা ফুরিয়ে যাচ্ছে। বে-টার্মিনাল সেই সংকট দূর করছে।
আবদুচ ছালাম বলেন, বে-টার্মিনাল বাস্তবে রূপ নিচ্ছে জমির মূল্য হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে। আমরা আতঙ্কে ছিলাম। পাঁচ বছরে বন্দরকে দ্বিগুণ সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তাই বে-টার্মিনালের প্রয়োজন। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কাজে বিশ্বাস করে তা আজ প্রমাণিত।