আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৫-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬

আলোকিত ডেস্ক
| শেষ পাতা

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন মারা গেছেন। শুক্রবার এসব ঘটনার মধ্যে হাটহাজারীতে সিএনজি ড্রাইভারসহ দুইজন, রংপুরে বাসচাপায় দুই পথচারী, রাজশাহীতে হাসপাতালের সামনে মাইক্রোবাস চাপায় রোগীর স্বজন এবং যশোরে দুই বন্ধু ফুটবল খেলতে যাওয়ার সময় একজন মারা গেছেন। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের খবরÑ

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) : হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া বুড়ি পুকুরপাড় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আবু তৈয়ব এবং নুরুল হুদা নামে দুইজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় সিএনজি যাত্রী আরও দুইজন গুরুতর আহত হন। আবু তৈয়ব ফটিকছড়ি থানার নানুপুর গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে ও সিএনজি ড্রাইভার নুরুল হুদা একই গ্রামের মো. ইদ্রিস মিয়ার ছেলে। থানা সূত্রে জানা গেছে, হাটহাজারী সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস নিয়ে সিএনজি ফটিকছড়ি যাওয়ার পথে ওই এলাকায় নগরমুখী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি ড্রাইভার নুরুল হুদা ও তার ভাতিজা আবু তৈয়ব ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাপাতালে পাঠিয়ে দেয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি ও মাইক্রোবাস জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। মডেল থানার ওসি বেলাল উদ্দীন জাহাঙ্গীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রংপুর : কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসের চাপায় দুই পথচারী মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। নিহতরা হলেন মিঠাপুকুর উপজেলার আফজালপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার স্ত্রী হাসিনা বেগম ও রংপুর নগরীর বড়বাড়ি হিন্দুপাড়া মহল্লার যোগেশ চন্দ্রের ছেলে দুলাল চন্দ্র। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মায়ের দোয়া নামে একটি বাস গাইবান্ধা থেকে এসে রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে ঢোকার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই পথচারীকে চাপা দেয়। পরে বিপরীতমুখী এমকে পরিবহনের অপর একটি বাসকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই দুই পথচারী মারা যান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান জানান, আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রাজশাহী : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সামনে মাইক্রোবাসের চাপায় এক রোগীর স্বজন মারা  গেছেন। নিহত ব্যক্তি হলেন নওগাঁর সাপাহার উপজেলার এলেননগর গ্রামের কলিম উদ্দিনের ছেলে মুজিবুর রহমান।  রামেকের প্রধান ফটকের সামনে দ্রুতগতির একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দেয়। তাকে রামেকে ভর্তির পর মারা যান। নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, মুজিবুরের ভাই রামেকে ভর্তি আছেন। তিনি তার জন্য ওষুধ কিনতে যাচ্ছিলেন। এ সময় প্রধান ফটকের সামনে একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। 
যশোর : যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের সামনে শাপলা মিলের অদূরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন একজন। ফুটবল খেলতে দুই বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলে তারা এ হতাহতের শিকার হন। দুইজন শহরের আরএন রোড এলাকার অটো কর্নার দোকানের কর্মচারী। নিহত ইমন যশোর শহরের বেজপাড়া সাদেক দারোগা মোড় এলাকার একলাস হোসেনের ছেলে। আহত ব্যক্তি আনিছ শেখের ছেলে আলাউদ্দিন শেখ। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তদন্ত আবুল বাশার মিয়া।